কায়েদে আজম আপদ মস্তক সেক্যুলার ছিলেন তবে ইলমুদ্দিন যখন রাসুল পাককে অপমান করা কয়েকটা কীটপতঙ্গকে জয় বাঙলা করে দেন। তিনি ইলমুদ্দিনের পক্ষে লড়াই করেন, বিনা পারিশ্রমিকে।
তখন জিন্নাহ ছিলেন বোম্বে হাইকোর্টের সবচেয়ে হাই পেয়িং ব্যারিস্টার। শুধু কোর্টে দাঁড়াতেই তিনি ১৫০০ রুপি নিতেন, তখন গোল্ডের ভরি ১০০/১২০ টাকা।
সেই জিন্নাহ দিনের পর দিন ইলমুদ্দিনের পক্ষে দিনের পর দিন লড়েছেন একটা টাকাও ফি নেন নাই 👑
যুদ্ধ চলতেছে সৌদি আরবে।তেলের স্থাপনায় হামলা চলে সৌদি আরবে।আর তেলের দাম বাড়ে বাংলাদেশে।অথচ সৌদি আরবে তেলের দাম সেই ৩ বছর আগের দামেই আছে। শোষণের একটা লিমিট আছে।
সিলেটের মদন মোহন কলেজের এক সময়ের শীর্ষ স/ন্ত্রাসী ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অরুণ দেবনাথ সাগর এখন পর্তুগালে অবস্থান করছে।
আওয়ামী লীগের শীর্ষ সন্ত্রাসীরা শুধু পালাচ্ছে আর পালাচ্ছে!
ছবিতে যাকে দেখছেন তার নাম 'সুহাইব লুবাদ', বয়স মাত্র ষোলো বছর।
২০২৩ সালের ৭ই অক্টোবর ইসরাইল ফিলিস্তিন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ওই বছরেরই ১৯ নভেম্বর গাজার আল দারাজ এলাকায় সুহাইবের বাড়িতে হামলা চালায় ইসরাইলি বাহিনী। তারা সুহাইবের মা, তার বোন- নাসেরা, তিন ভাই- মুহাম্মাদ, হানি এবং আনাসকে হত্যা করে। একইসাথে তার বড় ভাইয়ের স্ত্রীকেও হত্যা করে ইসরাইলি সেনারা।
এই ঘটনা সুহাইবের জীবনে মারাত্মক প্রভাব ফেলে। তখন থেকেই বদলে গিয়েছিল সুহাইবের জীবন। পরিবারকে হারানোর সেই নির্মম ট্র্যাজেডি আর প্রতিশোধের আগুন তাকে বাধ্য করেছিল প্রতিরোধ যোদ্ধাদের কাতারে শামিল হতে। যে বয়সে হাতে বই খাতা বা খেলার বল থাকার কথা, সেই বয়সে বুকভরা তীব্র শোক আর একাকীত্ব নিয়ে লড়াইয়ে শরীক হতে হয় সুহাইবকে।
সুহাইবের খালা উম্মে আহমদ আল হাসানাত এর ভাষ্যমতে: ১৯ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে সুহাইবের পুরো পরিবারকে হত্যার পরেই আল কাসসাম ব্রিগেডে যুক্ত হয় সুহাইব।
শেষ পর্যন্ত সুহাইব লুবাদ আল কাসসামের তৈরী ইয়াসিন-১০৫ অ্যান্টি ট্যাংক রকেট হাতে ইসরাইলি মারকাভা ট্যাংকের বিরুদ্ধে লড়তে লড়তে নিজের জীবন বিলিয়ে দেন।
গত আগস্টে আল কাসসাম কর্তৃক প্রকাশিত একটি ভিডিও মারফত জানা যায়, ২০২৫ সালের ৭ই সেপ্টেম্বরে ইসরাইলি বিমান হামলায় মারা যায় সুহাইব লুবাদ।
গাজার বুকে সুহাইব লুবাদ নামটি আজ এক গভীর বেদনার আর অদম্য সাহসের প্রতীক।
ছবি: ইসরাইলের তৈরী TAR-21 অ্যাসল্ট রাইফেল হাতে সুহাইব লুবাদ।
ছবিটা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তোলা।
বাম পাশের মার্ক করা ময়লাগুলো জানালা দিয়ে ফেলা জাস্ট ১ বেলার ম"য়লা, পরিচ্ছন্নতাকর্মী সেগুলো একত্র করেছেন।
ডান পাশের মার্ক করা থকথকে কাদাগুলো আসলে কাদা নয়, সেগুলো প্রতিদিন জানালা দিয়ে ফেলা ভাত পঁ"চে তৈরি হয়েছে। বড় ময়লা না হয় প্রতিদিন ঝাড়ু দিয়ে দূর করা সম্ভব, পঁ"চা ভাত দূর করতে প্রতিদিন পুরো হাসপাতাল চত্বর তো আর ধৌত করা সম্ভব নয়!
নিশ্চয়ই ডাক্তার-নার্সরা ইচ্ছা করে জানালা দিয়ে ভাত ফেলে হাসপাতালের দুর্গ"ন্ধ বাড়ায়, যাতে করে রোগীদের ক"ষ্ট হয়। যারা ইচ্ছা করে ইঞ্জে"কশন দিয়ে রো"গী মে"রে ফেলে, তাদের পক্ষে দুর্গ"ন্ধের মাধ্যমে মানুষকে ক"ষ্ট দেওয়াও সম্ভব।
Faisal Rahat
🇮🇷 🇮🇱 🇺🇳 জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত একটি স্টারলিংক নিয়ে ইরানি প্রতিনিধিদলের এক সদস্যের কাছে গিয়ে তাকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করেন।
ইরানি প্রতিনিধিদলের সদস্যটি তাকে এমনভাবে উপেক্ষা করেন, যেন তিনি এক ঝলক বাতাস।
দুই পয়সার দামও দিলো না 😁😁
আমেরিকার সবচেয়ে আধুনিক যুদ্ধবিমান এফ-35 এর গুরুত্বপূর্ণ কিছু যন্ত্রাংশ অস্ট্রেলিয়া থেকে আমেরিকা পাঠানোর পথে রহস্যজনকভাবে হংকংয়ে পৌঁছেছে। পরে এসব যন্ত্রাংশ চীন জব্দ করেছে বলে জানিয়েছে ব্লুমবার্গ। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে অস্ট্রেলিয়া ও মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর।
এই ফাইটার জেট বিখ্যাত কয়েকটা কারণে।
stealth, পাওয়ারফুল সেন্সর,
সফটওয়্যার ও ডেটা-নির্ভর যুদ্ধ ব্যবস্থা।
এখন এগুলো চীনের হাতে যাওয়া মানে চীনের J-35 ও অন্যান্য প্রজেক্ট উন্নত করতে বেগ পেতে হবে না।
তবে এখন পর্যন্ত চীন ঠিক কী তথ্য পেয়েছে বা প্রযুক্তিগত কোনো ক্ষতি হয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত নয়। তদন্ত চলছে। অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র ও নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে দেখা হচ্ছে।
আরেকটি বিষয় হলো, F-35-এর যন্ত্রাংশ অনেক দেশের কোম্পানি ও সরবরাহকারীর মাধ্যমে তৈরি হয়। অস্ট্রেলিয়াও F-35 প্রোগ্রামের অংশীদার এবং এর যন্ত্রাংশ সরবরাহ ব্যবস্থায় যুক্ত। তাই এই ঘটনা শুধু একটি হারানো চালান নয়, বরং বিশ্বব্যাপী সাপ্লাই চেইন ব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।
আজ জাতিসংঘে নেতানিয়াহু একটা pager হাতে তুলে ধরেছেন।
তারপর বললেন,
“You remember this? Hezbollah certainly remembers this.”
এই ছোট্ট pager-টার পেছনের গল্পটা ভয়ংকর।
হিজবুল্লাহর লোকজন মোবাইল ফোন এড়িয়ে চলত। কারণ মোবাইল track করা যায়, intercept করা যায়। তাই তারা ভাবল, পুরোনো আমলের pager ব্যবহার করাই নিরাপদ। পুরাতন technology আর তাই risk কম।
কিন্তু তারা জানত না, সেই pager-গুলোর কিছু আগেই বদলে ফেলা হয়েছে।
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
লেবাননে হঠাৎ হাজার হাজার pager একসঙ্গে বেজে উঠল। তারপর সেগুলো বিস্ফোরিত হতে শুরু করল।
পরের দিন একই ঘটনা ঘটল Hezbollah-এর walkie-talkie নিয়েও।
দুই দিনে কমপক্ষে ৪২ জন মানুষ মারা যায়, হাজার হাজার মানুষ আহত হয়। এর মধ্যে সাধারণ মানুষও ছিল।
সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপারটা হলো, যেটা থেকে বাঁচার জন্য তারা smartphone ছেড়েছিল, শেষ পর্যন্ত সেই পুরোনো technology-ই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হলো।
ব্যাপারটা খুবই ভয়াবহ।
আপনি ফোন ব্যবহার করছেন না, কারণ আপনি ভয় পাচ্ছেন আপনাকে track করা হচ্ছে। তাই আপনি একটা পুরোনো pager হাতে নিলেন। হঠাৎ দেখলে না 'বিপ' করে শব্দ হল। আপনি ভাবলেন, হয়তো একটা message এসেছে। আসলে message না।
বোমা।
আপনি যতই technology এড়িয়ে চলুন, technology আপনাকে এড়িয়ে চলে না। আর গোয়েন্দা যুদ্ধটা আরও নিষ্ঠুর। আপনি ভাবছেন আপনি শত্রুর চোখ এড়িয়ে গেছেন। হয়তো শত্রু আপনার ফোনে ছিল না। হয়তো আপনার পকেটেই ছিল।
আজ সেই pager-টা জাতিসংঘের মঞ্চে একটা trophy-এর মতো তুলে ধরা হয়েছে।
একটা ছোট্ট যন্ত্র।
একটা ছোট্ট beep।
আর সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপারটা হলো, নেতানিয়াহু ওই pager-টা গর্বের সঙ্গে তুলে ধরলেন। একটা device, যেটার বিস্ফোরণে শুধু Hezbollah সদস্য নয়, সাধারণ মানুষও আহত ও নিহত হয়েছিল। সেটাকেই আজ একটা ট্রফি বানিয়ে জাতিসংঘের মঞ্চে দেখানো হচ্ছে।
যুদ্ধ শুধু মানুষ মারে না। কখনও কখনও মানুষের মৃত্যুকেও political theatre বানিয়ে ফেলে।
আর সেই দৃশ্যটাই হয়তো ওই pager-এর চেয়েও বেশি disturbing।
অস্ট্রিয়ার সঙ্গে প্রথমে একগোল হজম করে তারপর সমতাসূচক গোল করেন ইসরায়েলি স্ট্রাইকার সাইদ আবু ফারসি,এরপর যেভাবে কুৎসিতভাবে উদযাপন করছিলো তাতে রেফারি বাধ্য হয়ে লাল কার্ড দেখিয়ে সরাসরি মাঠ থেকে বের করে দিয়েছে।
নব্বই মিনিট শেষে অবশ্য অস্ট্রিয়া ম্যাচটি জিতে নেয় ৩-১ ব্যাবধানে।
ধর্ম যাইহোক শয়তান সবসময় শয়তান।
ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভাঙ্গে।
১৯৮৯ সালের ২৭শে অক্টোবর ভারতের বিহার প্রদেশের ভাগলপুর জেলার "লোগাইন চক" নামের একটা মুসলিম গ্রামের সমস্ত বাসিন্দাদের হ'ত্যা করে বড় একটা জায়গায় সকলকে একত্রে গনকবর দেয়া হয়।
খবর ছড়িয়ে পড়লে বিদেশি সাংবাদিক, মানবাধিকার সংগঠন গুলো ছুটে আসে। গনহ'ত্যার আলামত লুকোতে গনকবরের উপর পাতাকপির চারা লাগিয়ে দেয়া হয়, যেন সদ্য খোড়া মাটি দেখে কারো সন্দেহ না হয়।
ভারতে যখন মুসলমানদের উপর গনহত্যা চলে, জিন্নাহ তোমায় মনে পড়ে।
ছবির এই তিনজন ভারতীয় অফিসার। দুজন আইপিএস আর একজন আইএএস। প্রথমজনের নাম সৈয়দ ওয়াকার রাজা, দ্বিতীয়জনের নাম জাভেদ শামীম আর তৃতীয়জন খলিল আহমেদ।
গত ১৮ জুলাই ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে একটি উচ্চ-পর্যায়ের পর্যালোচনা সভা আহ্বান করেন। বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় শিলিগুড়িতে পশ্চিমবঙ্গের শাখা সচিবালয় উত্তরকন্যাতে।
সেই বৈঠকে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর প্রতিটি জেলার পুলিশ সুপাররা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে সেই বৈঠকে থাকতে দেওয়া হয়নি খোদ শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার সৈয়দ ওয়াকার রাজা। তাকে বৈঠক থেকে বের করে দেওয়া হয়। সৈয়দ ওয়াকার সেই বৈঠকের বাকি সময়টা তাঁর স্ত্রী শামা পারভীনের অফিস কক্ষে কাটান, যিনি বর্তমানে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন বিভাগে সিনিয়র সচিব হিসেবে কর্মরত।
সৈয়দ ওয়াকার রাজাকে শুধু সেই বৈঠকেই নয়, অমিত শাহকে অভ্যর্থনা ও বিদায় জানানোর জন্য কর্মকর্তাদের যে টিম ছিল, সেখানেও তাকে বাদ রাখা হয়। সেটি ঘটে আগস্টে।
.
ছবির দ্বিতীয়জন জাভেদ শামিম হলেন পশ্চিমবঙ্গে স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) এর মহাপরিচালক। শিলিগুড়ির সেই পর্যালোচনা সভায় জাভেদ শামিমকে একেবারেই যোগ না দিতে বলা হয়েছিল। তাঁর পরিবর্তে এসটিএফ-এর প্রতিনিধিত্ব করেন ইন্সপেক্টর জেনারেল গৌরব শর্মা, যিনি তাঁর অধীনে কর্মরত একজন কর্মকর্তা।
বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি), ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ এবং সাইবার সেলের প্রধানদের পাশাপাশি জোনাল কমান্ডের প্রধান ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছিলেন। কিন্তু সভায় এসটিএফ-এর কাজের প্রতিনিধিত্ব করা হলেও এর প্রধান অনুপস্থিত ছিলেন। কারণ তিনি মুসলিম।
.
আর তৃতীয়জন খলিদ আহমেদ হলেন পশ্চিমবঙ্গের ফায়ার অ্যান্ড ইমার্জেন্সি সার্ভিসের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব। ১৯শে জুলাই অমিত শাহ কলকাতায় আইন-শৃঙ্খলা ও দুর্যোগ প্রস্তুতি বিষয়ক একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। অতিরিক্ত মুখ্য সচিব সেই বৈঠকে যোগ দিতে এলে তাঁকে চলে যেতে বলা হয়। অথচ ফায়ার অ্যান্ড ইমার্জেন্সি সার্ভিসের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব হিসেবে তিনি জরুরি পরিস্থিতিতে সাড়া দেওয়ার কাজে নিয়োজিত একটি বিভাগের প্রধান ছিলেন।
.
পশ্চিমবঙ্গের এই তিন মুসলিম অফিসারের সাথে ঘটে যাওয়া এই ন্যাক্কারজনক বৈষম্য নিয়ে সরব হন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্র। গত ১৬ সেপ্টেম্বর তিনি জাতিসংঘের
ভারতের পাঞ্জাবের শহর জলন্ধরের LPU বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা প্রদর্শনীর জন্য রাখা ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি ট্যাংক এবং ভারতীয় বিমানবাহিনীর MiG-23 বিমান জ্বালিয়ে দিয়েছে।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছে যে ভারতীয় বিমানবাহিনীর সদস্যরা গার্লস হোস্টেলে প্রবেশ করে এবং ৩ জন ছাত্রীকে ধর্ষণের শিকার বানায়।
রিকশায় বসে আছেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ গুলিবিদ্ধ সাংবাদিক আবু তাহের তুরাব। রিকশা টেনে নিয়ে হাসপাতালের দিকে যাচ্ছেন আরেক সাংবাদিক!
গতকাল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল সাংবাদিকদের পিটিয়েছে। আহত করেছে মূলধারার গণমাধ্যমের ১০ জন সাংবাদিককে।
সাংবাদিকরা এভাবেই পুলিশের, ক্ষমতাসীন দলের মার খেয়েই যাবে!
ফিরে দেখা ২০১৯- আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের পর ছাত্ররা সিসিটিভির ফুটেজ সম্বলিত ল্যাপটপ নিয়ে নেয় পুলিশ থেকে।
খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল এই ল্যাপটপ এবং ফুটেজগুলো।
ছবি : রিজওয়ান হাসান