🚨 কোনো পরিস্থিতিতেই ইসরাইলি উপস্থিতি মেনে নেবে না সোমালিয়া: প্রেসিডেন্ট
সোমালিয়ায় “কোনো পরিস্থিতিতেই” ইসরাইলি উপস্থিতি মেনে নেবে না বলে জানিয়েছেন সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মোহামুদ।
আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইসরাইল সোমালিল্যান্ডের বারবেরায় নৌঘাঁটি স্থাপন ও সেখানকার বিমানবন্দর ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে। এর মাধ্যমে উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইরানের আরও কাছে পৌঁছানোই ইসরাইলের লক্ষ্য বলে দাবি করেন তিনি।
মোহামুদ দখলদার ইসরাইলকে আন্তর্জাতিক আইন না মানা একটি “অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারী শক্তি” হিসেবে বর্ণনা করেন। সোমালিল্যান্ডকে ইসরাইলের স্বীকৃতিরও তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।
প্রেসিডেন্ট মোহামুদ বলেন, ইসরাইলের পদক্ষেপে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবে তার দেশ এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটে সোমালিয়াকে টেনে নেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টা প্রতিহত করা হবে।
🚫 ইসরাইলের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন ফিলিস্তিনি বন্দি আমির আল-সারাফান্দি।
তিন বছরের দীর্ঘ বিচ্ছেদের পর বাবা-ছেলের পুনর্মিলনের মুহূর্তটি ছিল অত্যন্ত আবেগপূর্ণ।
🏵 হাদিস থেকে শিক্ষা
✅ রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْعَبْدَ التَّقِيَّ الْغَنِيَّ الْخَفِيَّ
নিশ্চয়ই আল্লাহ সেই বান্দাকে ভালোবাসেন, যে আল্লাহভীরু, মানুষের মুখাপেক্ষী নয় এবং নিজেকে প্রচার করা থেকে দূরে থাকে।
— সহিহ মুসলিম: ২৯৬৫
একজন মুমিন নীরবে আল্লাহর আনুগত্য করে, মানুষের কাছে অপ্রয়োজনীয়ভাবে নিজেকে প্রকাশ ও প্রচার করা থেকে দূরে থাকে এবং নিজের প্রয়োজনের জন্য মানুষের ওপর নির্ভরশীল না হওয়ার চেষ্টা করে। এমন নিভৃতচারী, আত্মমর্যাদাশীল ও মুত্তাকি বান্দাই আল্লাহর ভালোবাসার বিশেষ পাত্র হয়।
✅ ইমাম আন-নববী (রহ.) বলেন:
এখানে ‘গনী’ বলতে মূলত অন্তরের প্রাচুর্য ও মানুষের সম্পদের প্রতি লোভমুক্ত অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে। আর ‘খফী’ হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি অপ্রয়োজনীয় খ্যাতি ও আত্মপ্রচার থেকে দূরে থেকে নিজের ইবাদত ও নেক আমলে মনোযোগী থাকেন।
➡️ আমাদের করণীয়:
- মানুষের প্রশংসার চেয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া।
- নেক আমলকে প্রদর্শন ও আত্মপ্রচারের মাধ্যম না বানিয়ে যথাসম্ভব গোপনে করার অভ্যাস গড়ে তোলা।
- মানুষের কাছে অপ্রয়োজনীয়ভাবে মুখাপেক্ষী না হয়ে আল্লাহর ওপর ভরসা ও অন্তরের তৃপ্তি অর্জনের চেষ্টা করা।
হে আল্লাহ! আমাদের অন্তরে তাকওয়া ও তৃপ্তি দান করুন। রিয়া, লোকদেখানো ও খ্যাতির মোহ থেকে আমাদের রক্ষা করুন এবং নীরবে আপনার সন্তুষ্টির জন্য আমল করার তাওফিক দিয়ে আমাদের আপনার প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করে নিন। আমিন।
🚨 যুক্তরাষ্ট্রে ৬ জন আরোহীসহ মেডিকেল ফ্লাইট নিখোঁজ
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস উপকূলে ছয় আরোহীসহ একটি মেডিকেল ফ্লাইট নিখোঁজ হয়েছে। বারমুডা থেকে বোস্টনগামী গালফস্ট্রিম জি-১০০ বিমানটি প্রায় ২৪ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে দ্রুত ১১ হাজার ফুটে নেমে আসে। এ সময় পাইলট জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করেন।
এর কিছুক্ষণ পর বিমানটির রেডিও ও রাডার—দুই ধরনের যোগাযোগই সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বিমানটিতে দুই পাইলট, দুই মেডিকেল কর্মী, একজন রোগী ও তার স্বজন ছিলেন।
নিখোঁজ বিমান ও ছয় আরোহীর সন্ধানে নানটাকেট দ্বীপের উপকূলে আকাশ ও সমুদ্রপথে ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে মার্কিন কোস্টগার্ড।
Видео Your paragraph text(17).mp4 · 94.8 МБ · нажмите — покажем
গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিসে বাস্তুচ্যুত মানুষের তাঁবুর সারির মাঝেই যেন ক্ষণিকের জন্য ফিরে এসেছে স্বাভাবিক জীবন। একটি উন্মুক্ত চত্বরে জড়ো হয়েছেন শত শত ফিলিস্তিনি; সবাই একসঙ্গে দেখছেন একটি ফুটবল ম্যাচ।
যুদ্ধ, অবরোধ ও অনিশ্চয়তায় ঘেরা জীবনে এই সামান্য আয়োজনই তাঁদের জন্য সাময়িক স্বস্তি। ফুটবল খেলাকে ঘিরে তাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে আনন্দ, উদ্দীপনা ও ঐক্যের এক বিরল মুহূর্ত। ধ্বংসের মধ্যেও গাজার মানুষ যেন জানিয়ে দিচ্ছেন; তাঁদের জীবন থেমে যায়নি, তারা চাইলে আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারেন।
প্রতি বছরে দুইটি ঈদ এবং একটি হজ্ব হয়ে থাকে। ছোটবেলা থেকেই আমরা এমনটি দেখে এসেছি। কিন্তু সামনে এর ব্যতিক্রম ঘটতে যাচ্ছে। এমন এক বছর আসছে, যেখানে দুই হজ আর তিন ঈদের দেখা মিলবে। এই তথ্য জানিয়েছেন সৌদি আরবের জলবায়ু ও জ্যোতির্বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞ ড. আবদুল্লাহ আল মিসনাদ।
এর কারণ হিজরি চান্দ্র বর্ষ ও ইংরেজি সৌর বর্ষের হিসাবের পার্থক্য। হিজরি বছর চাঁদের কলার ওপর নির্ভর করে। এতে দিন থাকে ৩৫৪ বা ৩৫৫। ইংরেজি বছর সূর্যের হিসাবে চলে। এতে দিন থাকে ৩৬৫ বা ৩৬৬। তাই প্রতি বছর হিজরি তারিখ প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন এগিয়ে আসে।
২০৩৯ সালের শুরুতেই আসবে প্রথম ঈদুল আজহা। তারিখ ৬ জানুয়ারি, হিজরি ১৪৬০ সালের ১০ জিলহজ। এটি হজের শেষ দিন এবং কোরবানির বড় উৎসব। প্রায় ১২ মাস পর চান্দ্র বছরের চক্র আবার ঘুরে আসবে। তখন আরেকটি হজ মৌসুম শুরু হবে। ২৬ ডিসেম্বর হবে দ্বিতীয় ঈদুল আজহা। সেটি হিজরি ১৪৬১ সালের ১০ জিলহজ।
এর মানে, এক সৌর বছরে মক্কায় দুবার হজ হবে। এটি খুবই বিরল। দুই হজেই আরাফার দিন আলাদা করে আসবে। ঈদের আগের এই দিনে হাজিরা আরাফাতের ময়দানে জমায়েত হয়ে দোয়া করেন।
এই দুই ঈদের মাঝখানে পড়বে ঈদুল ফিতর। এটি ১৯ অক্টোবর হওয়ার কথা। ফলে এক বছরে দুটি কোরবানির ঈদ এবং রোজার ঈদ মিলিয়ে তিনটি ঈদ হবে।
এই পার্থক্য শুধু হজের মৌসুমে সীমাবদ্ধ নয়। রমজানেও কাছাকাছি সময়ে এমন ঘটনা ঘটবে। ২০৩০ সালে মুসলিমরা একই ইংরেজি বছরে দুটি রমজান পাবেন। একটি শুরু হবে জানুয়ারিতে, অন্যটি ডিসেম্বরে। ৩৩ বছর পর এমন হবে। এর আগে ১৯৯৭ সালে এমনটি হয়েছিলো।
🔴 ৯০ দিন জামাতে নামাজ, উৎসাহ দিতে ৩২ শিশু-কিশোরকে বাইসাইকেল উপহার
ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার উত্তর হরিপুর কুতুব উল্লাহ ভূঁইয়া জামে মসজিদে টানা ৯০ দিন জামাতে নামাজ আদায়কারী ৩২ শিশু-কিশোরকে বাইসাইকেল উপহার দেওয়া হয়েছে।
শিশু-কিশোরদের ছোটবেলা থেকেই নামাজে অভ্যস্ত ও মসজিদমুখী করতে মসজিদ পরিচালনা কমিটি এ উদ্যোগ নেয়।
শনিবার রাতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নির্বাচিত শিশু-কিশোরদের হাতে বাইসাইকেল তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কার পেয়ে তারা আনন্দ প্রকাশ করে এবং ভবিষ্যতেও নিয়মিত জামাতে নামাজ আদায়ের পাশাপাশি অন্যদেরও উৎসাহিত করার প্রত্যয় জানায়।
স্থানীয়রা এ উদ্যোগকে ধর্মীয় অনুশীলন, নৈতিক মূল্যবোধ ও মসজিদকেন্দ্রিক সামাজিক পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য প্রশংসনীয় পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
🔴 সন্ত্রাসী ইসরাইলি হামলায়, গাজায় নিহত সাংবাদিকের সংখ্যা ২৬৩'তে পৌঁছেছে
গাজা সরকারের মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, সন্ত্রাসী ইসরায়েলি হামলায় গাজায় নিহত সাংবাদিকের সংখ্যা ২৬৩ জনে পৌঁছেছে। সর্বশেষ নিহত সাংবাদিক মোহাম্মদ আবদুল আজিজ আল-নাজ্জার, যিনি হলি কুরআন রেডিওতে কাজ করতেন।
গাজা মিডিয়া অফিস আন্তর্জাতিক সংস্থা, রাষ্ট্র ও সাংবাদিক সংগঠনগুলোর প্রতি এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়ে সাংবাদিকদের সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ এবং আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।
তাদের দাবি, গাজায় নিহত সাংবাদিকের সংখ্যা দুই বিশ্বযুদ্ধ, ভিয়েতনাম ও আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এবং যুগোস্লাভিয়ার যুদ্ধে সবগুলো মিলিয়ে নিহত সাংবাদিকের সংখ্যার চেয়েও বেশি। পাশাপাশি সাংবাদিকদের আটকের ঘটনাও অব্যাহত রয়েছে।
প্যালেস্টিনিয়ান প্রিজনার্স সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ৩৭ জন ফিলিস্তিনি সাংবাদিক ইসরায়েলি কারাগারে আটক রয়েছেন, যাদের মধ্যে ১৯ জন কোনো অভিযোগ বা বিচার ছাড়াই প্রশাসনিক আটকাদেশের অধীনে রয়েছেন।
🔴 ৭০০ কিলোমিটারের বেশি পাল্লার এআই ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালালো উত্তর কোরিয়ার
উত্তর কোরিয়া কিম জং–উনের তত্ত্বাবধানে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মধ্যম পাল্লার কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালানোর দাবি করেছে। কিম ইয়ো–জংয়ের দাবি, ক্ষেপণাস্ত্রটি নিচু উচ্চতায় ঢেউয়ের মতো গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে, ফলে প্রতিহত করা কঠিন।
দক্ষিণ কোরিয়ার হিসাবে এটি ৭০০ কিলোমিটারের বেশি এবং জাপানের হিসাবে প্রায় ৬৮০ কিলোমিটার উড়ে সর্বোচ্চ ৯০ কিলোমিটার উচ্চতায় ওঠে; জাপানের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের বাইরে সাগরে পড়ে।
উত্তর কোরিয়া পরে দাবি করে, এটি ১,০০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে এবং অতিদ্রুতগতির অস্ত্র ব্যবস্থার অংশ।
🔴 ভারতে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার থেকে ফেলা ত্রাণ মাথায় পড়ে বৃদ্ধ নিহত
ভারতের বিহারের বন্যাকবলিত সারান জেলার পরশুরামপুর গ্রামে হেলিকপ্টার থেকে ফেলা ত্রাণের প্যাকেট মাথায় পড়ে ৫৮ বছর বয়সী অনিল কুমার সিং নিহত হয়েছেন। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে স্থানীয় একটি ত্রাণকেন্দ্রের কাছে এ ঘটনা ঘটে।
বন্যার কারণে ভারতীয় বিমানবাহিনী হেলিকপ্টার থেকে ত্রাণ বিতরণ করছিল। এছাড়া একই সময়ে হেলিকপ্টারের বাতাসে একটি বাড়ির টিনের চাল উড়ে এক নারীর পায়ে আঘাত লাগে; তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অনিলের মৃত্যুর পর গ্রামবাসীরা মহাসড়কে মরদেহ রেখে বিক্ষোভ করে বিচার দাবি করেন।
🔴 ইসরাইলের অস্ত্র রপ্তানি বেড়েছে ১৩০ শতাংশ, বড় ক্রেতা আমিরাত
বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধ ও সংঘাত চললেও ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা রপ্তানি ১৩০ শতাংশ বেড়েছে। এ সময়ে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানির মূল্য ৮ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ১৯ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (IISS)-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আব্রাহাম একর্ডের পর মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের বাজার উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারিত হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত, মরক্কো ও বাহরাইন মিলে প্রায় ৮ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারের সরঞ্জাম আমদানি করেছে। এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত এয়ার ডিফেন্স, ড্রোন, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ও গোয়েন্দা প্রযুক্তিতে বড় ধরনের ক্রেতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
🚨 মোংলায় ১০০ মেগাওয়াট পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দিল চীন
বাগেরহাটের মোংলায় প্রস্তাবিত 'চীন-বাংলাদেশ মোংলা পোর্ট ইকোনমিক জোনে' ১০০ মেগাওয়াটের একটি ছোট পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র (SMR) স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছে চীন। প্রস্তাব অনুযায়ী, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে প্রথমত চিনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিদ্যুৎ দেওয়া হবে এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বাংলাদেশের জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা হবে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (BAERA) সাথে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা 'চীন ন্যাশনাল নিউক্লিয়ার কর্পোরেশন ওভারসিজ লিমিটেড'-এর প্রতিনিধি দলের বৈঠকে এই বিষয়ে আলোচনা হয়। এতে বাংলাদেশ থেকে বিনামূল্যে জমি এবং যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্ক মওকুফের বিষয়ে প্রাথমিক কথা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে তৎকালীন সরকার মোংলা বন্দরের এই ১১০ একর জমি ভারতকে বরাদ্দ দিলেও পরবর্তীতে তা বাতিল করা হয়। চলতি বছরের জুনে বর্তমান সরকার চীনের সাথে এই জমিতে 'মোংলা পোর্ট ইকোনমিক জোন' গড়ে তোলার নতুন চুক্তি করে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানান, সরকার নতুন প্রযুক্তির এই ক্ষুদ্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে, তবে সার্বিক বিষয় বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
🚨 জম্মুতে রোহিঙ্গা মুসলিমদের আশ্রয়কেন্দ্র গুঁড়িয়ে দিল উগ্র হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন: খোলা আকাশে শত শত পরিবার!
ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী প্রশাসন। সম্প্রতি জম্মুর রাহিম নগরের রাইকা বনাঞ্চলে দীর্ঘ দুই দশক ধরে বসবাসকারী অসহায় রোহিঙ্গা মুসলিম পরিবারগুলোর মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়স্থল বহু ঝুপড়ি ঘর ও অস্থায়ী বসতি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। গত এক মাসের মধ্যে জম্মুতে রোহিঙ্গাদের আবাসস্থলে এটি দ্বিতীয় বড় ধরনের উচ্ছেদ অভিযান।
অভিযানের সময় আন্তর্জাতিক শরণার্থী আইন ও মানবিক মূল্যবোধের তোয়াক্কা না করে কোনো রকম পর্যাপ্ত সময় বা সুযোগ না দিয়েই পুলিশ ও বন বিভাগের সদস্যরা ঝুপড়িগুলো ধ্বংস করে দেয়। মিয়ানমারের সামরিক জান্তার নির্মম গণহত্যা ও নিপীড়ন থেকে বাঁচতে ২০০৭-২০০৮ সালে এখানে এসে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার (UNHCR) পরিচয়পত্র নিয়ে জম্মুতে আশ্রয় নিয়েছিলেন এই রোহিঙ্গারা।
কোনো ধরনের স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা ছাড়াই খোলা আকাশের নিচে ছুড়ে ফেলে দেওয়ায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তারা। ভুক্তভোগী রোহিঙ্গাদের আর্তনাদ, "আমরা নিজ দেশে নিপীড়নের শিকার হয়ে বাধ্য হয়ে এখানে আশ্রয় নিয়েছিলাম। জাতিসংঘের পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও এখন সন্তানদের নিয়ে আমাদের যাওয়ার কোনো জায়গা নেই।"
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জম্মু-কাশ্মীরে বর্তমানে ৭,৬৫৮ জনেরও বেশি নিবন্ধিত রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন।
🚨 যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য আক্রমণের আশঙ্কায় প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডা!
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আক্রমণের ঝুঁকি কম হলেও পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে কানাডা। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের সাম্প্রতিক অনিশ্চয়তায় নিজ দেশের সুরক্ষায় সব ধরনের ঝুঁকি বিবেচনায় নেওয়া সরকারের দায়িত্ব।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য শুল্ক আরোপ এবং কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘৫১তম অঙ্গরাজ্য’ বানিয়ে নেওয়ার নানা বক্তব্যের পর দুই দেশের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়। যদিও ট্রাম্প সরাসরি যুদ্ধ না করে অর্থনৈতিক চাপ দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
তবুও সামরিক বিশেষজ্ঞরা সাইবার হামলা বা অন্য কোনো হুমকির কথা মাথায় রাখছেন। যুদ্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে কানাডা গেরিলা প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং ব্রিটেন ও ফ্রান্সের মতো মিত্রদের সহায়তার কৌশল ভাবছে।
ন্যাটো ও নোরাড (NORAD)-এর মাধ্যমে দুই দেশ দীর্ঘকাল যৌথভাবে কাজ করলেও সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, ৩০ শতাংশেরও বেশি কানাডীয় নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য আক্রমণের আশঙ্কা করছেন। তাই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে কানাডা এখন থেকেই নিজেদের সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করছে।
🚨 গাজায় ৮০০-এর বেশি শিক্ষককে হত্যা করেছে দখলদার ইসরায়েল, বন্দি আরও ১৭০ জন!
২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজা উপত্যকায় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর গণহত্যায় এ পর্যন্ত ৮০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি শিক্ষককে শহীদ করা হয়েছে। এছাড়া দখলদার বাহিনীর হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৩,৩০০ জনেরও বেশি শিক্ষক। 'বিশ্ব শিক্ষক দিবস' (৫ অক্টোবর)-এর প্রাক্কালে ফিলিস্তিনের শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, অবরুদ্ধ গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরজুড়ে দখলদার বাহিনীর সুপরিকল্পিত আক্রমণে মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে পুরো শিক্ষাব্যবস্থা। বর্তমানে ১৭০ জনেরও বেশি শিক্ষক ইসরায়েলি কারাগারে বন্দি রয়েছেন। অধিকৃত পশ্চিম তীর ও 'এরিয়া সি' এলাকায় শত শত চেকপয়েন্ট বসিয়ে শিক্ষকদের চলাচলে বিধিনিষেধ এবং নিয়মিত হয়রানি চালানো হচ্ছে।
এর পাশাপাশি, ২০১৯ সাল থেকে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের রাজস্ব অর্থ আটকে রাখার ফলে সৃষ্টি হওয়া তীব্র আর্থিক সংকটে সরকারি বেতন পরিশোধ ব্যাহত হচ্ছে, যা শিক্ষক সমাজকে চরম মানবেতর পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিয়েছে।
ফিলিস্তিনের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এসব বর্বরতা বন্ধে এবং বন্দি শিক্ষকদের মুক্তিসহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক সুরক্ষা প্রদানে জাতিসংঘ ও বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।
🚨 ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলায় নতুন করে তদন্তের নির্দেশ
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে ২০০৬ সালের একটি সড়ক প্রকল্পসংক্রান্ত দুর্নীতির মামলায় পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কেরালা সরকার। ওই সময় তিনি রাজ্যের পূর্ত দপ্তরের সচিব ছিলেন।
প্রকল্পটির মালয়েশীয় প্রধান প্রকৌশলী লি সি বিন ২০০৬ সালে আত্মহত্যা করেন। তাঁর সুইসাইড নোটে জ্ঞানেশ কুমারের নাম ছিল এবং ঘুষ চাওয়ার বিষয়ও উল্লেখ ছিল বলে জানিয়েছে দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
নতুন আবেদনের পর কেরালার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ চেন্নিথালা ভিজিল্যান্স অ্যান্ড অ্যান্টি-করাপশন ব্যুরোকে মামলাটি পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
🚨 ইরানের হামলার শঙ্কায় যুক্তরাজ্য ছাড়ল মার্কিন বোমারু বিমান
ইরানের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কার মধ্যে যুক্তরাজ্যের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে সব মার্কিন বি-১ বোমারু বিমান সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
পেন্টাগন নিশ্চিত করেছে, সেখানে মোতায়েন থাকা বিমানগুলো যুক্তরাষ্ট্রের নিজ নিজ ঘাঁটিতে ফিরে গেছে।
সম্প্রতি ঘাঁটিতে সম্ভাব্য হামলার পরিকল্পনার সন্দেহে কয়েকজনকে আটক করে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ। পরে পাঁচজনকে অভিযোগ ছাড়াই ছেড়ে দেওয়া হলেও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
🏵 আজকের তাফসির
আল্লাহর দ্বীনের সাহায্যে এগিয়ে এলে আল্লাহও সাহায্য করেন
✅ আল্লাহ তাআলা বলেন:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنْ تَنْصُرُوا اللَّهَ يَنْصُرْكُمْ وَيُثَبِّتْ أَقْدَامَكُمْ
“হে মুমিনগণ! তোমরা যদি আল্লাহকে সাহায্য কর, তবে তিনি তোমাদের সাহায্য করবেন এবং তোমাদের পদক্ষেপ দৃঢ় করবেন।”
— সূরা মুহাম্মাদ: ৭
✅ তাফসিরে ইবন কাসিরে বর্ণিত হয়েছে:
আল্লাহ তাআলা বলেছেন, তোমরা যদি তাঁকে সাহায্য কর, তাহলে তিনিও তোমাদের সাহায্য করবেন এবং তোমাদের অবস্থান দৃঢ় করবেন।
এর সমর্থনে আল্লাহ তাআলা অন্যত্র বলেছেন:
وَلَيَنْصُرَنَّ اللَّهُ مَنْ يَنْصُرُهُ
“নিশ্চয়ই আল্লাহ তাকে সাহায্য করবেন, যে তাঁকে সাহায্য করে।”
— সূরা আল-হাজ্জ: ৪০
তাফসিরে উল্লেখ করা হয়েছে—যেমন আমল হবে, তেমনই তার প্রতিদান দেওয়া হবে। অর্থাৎ, বান্দা যখন আল্লাহর কাজে সাহায্য ও সহযোগিতায় এগিয়ে আসে, তখন আল্লাহও তাকে নিজের সাহায্য দ্বারা শক্তিশালী করেন।
আয়াতের শেষাংশ—
وَيُثَبِّتْ أَقْدَامَكُمْ
অর্থাৎ, আল্লাহ তাদের পদক্ষেপ ও অবস্থান দৃঢ় করে দেন।
এ প্রসঙ্গে তাফসিরে একটি হাদিসও উল্লেখ করা হয়েছে—যে ব্যক্তি কোনো শাসকের কাছে এমন কারও প্রয়োজনের কথা পৌঁছে দেয়, যে নিজে তা পৌঁছাতে সক্ষম নয়, আল্লাহ কিয়ামতের দিন পুলসিরাতের ওপর তার পদদ্বয় দৃঢ় করবেন।
অর্থাৎ, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মানুষের উপকারে এগিয়ে আসা এবং তাঁর দ্বীনের কাজে সহযোগিতা করা কখনো বিফলে যায় না; এর প্রতিদান আল্লাহ নিজেই দান করেন।
➡️ আমাদের করণীয়:
- আল্লাহর দ্বীন ও কল্যাণের কাজে সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করা।
- বিপদ ও কঠিন পরিস্থিতিতে আল্লাহর সাহায্যের ওপর তাওয়াক্কুল রাখা।
- অসহায় মানুষের প্রয়োজন পূরণে ও তার কথা যথাস্থানে পৌঁছে দিতে এগিয়ে আসা।
হে আল্লাহ, আপনার দ্বীনের সাহায্যে আমাদের নিয়োজিত করুন, আপনার সাহায্য দ্বারা আমাদের শক্তিশালী করুন এবং দুনিয়া ও আখিরাতে আমাদের পা দৃঢ় রাখুন। আমিন।
🚨 ইউক্রেনে ভারতীয় ওষুধ কারখানায় রুশ ড্রোন হামলা, নিহত ১
ইউক্রেনের সুমি অঞ্চলে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান কুসুম গ্রুপের ওষুধ কারখানায় রুশ ড্রোন হামলায় একজন কর্মী নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলায় কারখানাটির মূল কাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে বিশাল ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যাচাই করছে এবং হতাহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।