যার মাথায় ব্রেইন আছে, সে ব্যক্তি হিসেবে খারাপ হলেও শরীয়াহ্ শাসনের উপকারিতা ঠিকই জানে এবং বুঝে।
কিন্তু আপসোসের বিষয় হলো আমাদের সমাজে নিজেকে ব্যক্তিগত ভাবে দ্বীনদার মনে করা কিছু চাটুকার এই শরীয়াহ্ শাসনের পক্ষে না।
আসলে তারা দ্বীনদার না, তারা হচ্ছে নেক সুরতের শয়তান
মাওলানা ইউসুফ লুধিয়ানভী শহীদ রহিমাহুল্লাহ বারবার ক্ষমতাসীনদের পাকিস্তানের সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্যের দিকে মনোযোগ আকর্ষণ করেছিলেন, কিন্তু কেউই তাঁর সতর্কবার্তাকে গুরুত্ব দেয়নি। অবশেষে তিনি বলতে বাধ্য হন যে—
“পাকিস্তানে সবকিছু আছে, কিন্তু ইসলামের প্রাধান্য নেই।”
পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার সময় আমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সাথে যে অঙ্গীকার করেছিলাম, তা আজ বিস্মৃতির অন্তরালে হারিয়ে গেছে। যতক্ষণ না আমরা নতুন করে সেই অঙ্গীকার পুনর্নবীকরণ করি এবং এ পর্যন্ত যে গাফিলতি ও ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়েছে, তার জন্য আল্লাহর দরবারে তওবা করে সংশোধন ও প্রতিকারমূলক বিপ্লবী পদক্ষেপ গ্রহণ করি—ততক্ষণ পর্যন্ত পাকিস্তান তার সৃষ্টির লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে না।
কেবলমাত্র কিছু আকর্ষণীয় স্লোগান, ঘোষণা এবং বক্তব্য দিয়ে পাকিস্তানের ভাগ্য পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।
(মুজাল্লায়ে তালেবান, পৃষ্ঠা ৯৪; সূত্র: “আরবাবে ইক্তিদার সে খারি খারি বাতেঁ”, পৃষ্ঠা ৭৭)
৫৬০-খাইবার অপারেশন (১৯)
দি খান প্রদেশে শরিয়া-বিরোধী সেনাবাহিনী, সিটিডি এবং পুলিশের একটি যৌথ কেন্দ্রে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের বিশেষ ইস্তিশাহাদি বাহিনীর একজন অভিজ্ঞ সদস্য মুজাহিদ আবু দুজানা শহীদ তাকবালুল্লাহর সফল আত্মঘাতী হামলা।
৫৬০- খাইবার অভিযান (১৯): তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) স্পেশাল ইস্তেশহাদী ফোর্সের আত্মোৎসর্গকারী মুজাহিদ আবু দুজানা শহীদ (আল্লাহ তাকে কবুল করুন)-এর দিরাইসমাইল খান (ডিআই খান) অঞ্চলে শরিয়তবিরোধী সেনা, সিটিডি (কাউন্টার টেররিজম ডিপার্টমেন্ট) এবং পুলিশের যৌথ ঘাঁটিতে সফল আত্মঘাতী হামলা।
সেপ্টেম্বর ২০২৬ (রবিউল আউয়াল - রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি)-এ পরিচালিত অভিযানের বিস্তারিত মাসিক প্রতিবেদন
মোট অভিযান: ৩৩৪টি
অভিযানের স্থানসমূহ:
দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তান প্রদেশ: ৯৮টি
শাকাই জেলা: ৩৮
আজম ওয়ারসাক জেলা: ১১
মেকিন জেলা: ৯
শক্তোই জেলা: ৮
সারারোঘা জেলা: ৭
সারওয়াকাই জেলা: ৬
তোই খোলা জেলা: ৫
শাওয়াল লোয়ারা জেলা: ৪
তিয়ারজা জেলা: ৩
লাদ্ধা জেলা: ৩
আঙ্গুর আড্ডা জেলা: ২
জারমেলনা জেলা: ২
উত্তর ওয়াজিরিস্তান প্রদেশ: ৫০টি
মীর আলী জেলা: ২৩
গারিয়াম জেলা: ১১
স্পিন ওয়াম জেলা: ৪
রাজমাক জেলা: ৩
মিরানশাহ জেলা: ২
দোয়াসালি জেলা: ২
শেওয়া জেলা: ২
বোয়া জেলা: ২
শাওয়াল জেলা: ১
পেশোয়ার প্রদেশ: ৪৩টি
এফআর পেশোয়ার জেলা: ২৯
বাদাভের জেলা: ১০
পেশোয়ার সিটি জেলা: ৪
ডেরা ইসমাইল খান প্রদেশ: ২৬টি
দ্রাবান জেলা: ৯
কুলাচি জেলা: ৭
দরাজিন্দা জেলা: ৪
পারোয়া জেলা: ৩
সিটি জেলা: ৩
কুররাম প্রদেশ: ১৮টি
সদ্দা জেলা: ১০
ডোগার জেলা: ৭
দারগাই জেলা: ১
ট্যাঙ্ক প্রদেশ: ১৮টি
গোমাল জেলা: ১০
জান্ডোলা জেলা: ৪
খাস ট্যাঙ্ক জেলা: ৪
বান্নু প্রদেশ: ১২টি
বাকাখেল জেলা: ১০
দোমেল জেলা: ২
খাইবার প্রদেশ: ১১টি
তিরাহ ময়দান জেলা: ৭
বারা জেলা: ২
তিরাহ জেলা: ১
জামরুদ জেলা: ১
ওরাকজাই প্রদেশ: ৮টি
কালায়া জেলা: ৪
ঘিলজো জেলা: ৩
হাঙ্গু জেলা: ১
বাজাউর প্রদেশ: ৭টি
সালারজো জেলা: ৪
লোই মামুন্দ জেলা: ২
ওয়ারা মামুন্দ জেলা: ১
কোয়েটা ও হারনাই প্রদেশ: ৬টি
কোয়েটা জেলা: ৩
পাঞ্জপাই জেলা: ২
দুকি জেলা: ১
পিশিন প্রদেশ: ৫টি
গুলিস্তান জেলা: ৩
পিশিন জেলা: ২
মোহমান্দ প্রদেশ: ৫টি
পান্ডিয়ালই জেলা: ৩
খোয়েজাই বায়েজাই জেলা: ২
চিত্রাল প্রদেশ: ৪টি
দ্রোশ জেলা: ৪
কারাক প্রদেশ: ৪টি
বান্দা দাউদ শাহ জেলা: ৪
নিম্ন দির (দির পাইন) প্রদেশ: ৪টি
খাল জেলা: ২
লাল কিলা জেলা: ১
জান্দোল জেলা: ১
কোহাট প্রদেশ: ৪টি
দারা আদম খেল জেলা: ২
লাচি জেলা: ২
লাক্কি মারওয়াত প্রদেশ: ৩টি
নওরঙ্গ জেলা: ১
তাজোরাই জেলা: ১
গজনি খেল জেলা: ১
উচ্চ দির (দির বালা) প্রদেশ: ২টি
খাস দির জেলা: ১
ব্রাওয়াল জেলা: ১
জোব প্রদেশ: ২টি
শিরানি জেলা: ২
সোয়াত প্রদেশ: ১টি
চারবাগ জেলা: ১
মাকরান প্রদেশ: ১টি
ওয়াশুক জেলা: ১
কিল্লা সাইফুল্লাহ ও লোরালাই প্রদেশ: ১টি
কিল্লা সাইফুল্লাহ জেলা: ১
দক্ষিণ পাঞ্জাব প্রদেশ: ১টি
তৌনসা শরিফ জেলা: ১
অভিযানের ধরন:
স্নাইপার/লেজার হামলা: ৮১টি
গেরিলা হামলা: ৫৭টি
আক্রমণাত্মক/মু
⚠️ #গুরুত্বপূর্ণ ⛔🗣️
⚠️ একটি গুরুত্বপূর্ণ জরুরী গো সোনা আমরা বিগত দিনে দেখতে পেয়েছি আমাদের প্রিয় একজন দ্বীনি শায়েখ মাওঃ মোঃ Salim Abdullah হুজুর প্রত্যেক দিন কম পক্ষে হলেও ২/৪ ভিডিও আপলোড করতেন এবং তিনি বেশিরভাগ হিন্দুত্ববাদী লাগোয়া লাভ ট্রাব নিয়ে কথা বলতেন...!!!?
#আজকে কিছু দিন যাবত ওনার অফলাইন হয়ে থাকার কারন তা আমাদের অনেকের কাছে অজানা তাই ওনার সাথে যাদের কথা হয় তারা একটু জানাবেন ওনার ব্যাপারে কোথায় আছেন এবং কি অবস্থা আছেন ইনশাআল্লাহ..!?
Jobayer Ahmed ✍️⚠️
Jamsed Hossain 🗣️
৫৬১-খাইবার অভিযান (২০)
এসএসজি কমান্ডো এবং কোয়াডকপ্টার পেশোয়ারের এফআর-এ সামরিক পোস্টে হামলা চালায়, দুটি গাড়ি বোমা সিটিডি কেন্দ্রে হামলা করে, এবং কোয়াডকপ্টার ১৪ কেজি বোমা দিয়ে উত্তর ওয়াজিরিস্তানের সামরিক পোস্টে হামলা চালায়।
৫৬১- খাইবার অপারেশন (২০)
পেশোয়ার উইলায়াতের এফআর পেশোয়ারে এসএসজি কমান্ডো ও সামরিক পোস্টে কোয়াডকপ্টার হামলা, সিটিডি কেন্দ্রে দুটি গাড়িবোমা হামলা; অন্যদিকে উত্তর ওয়াজিরিস্তান উইলায়াতে সামরিক পোস্টে ১৪ কেজি ওজনের বোমা ব্যবহার করে কোয়াডকপ্টার হামলা।
এফসি'র হারাম চাকরি ছেড়ে হালাল জীবিকার পথে যাওয়ার অঙ্গীকার এফসি সদস্য নাঈমের।
গতকাল এফসি সদস্য নাঈম, পিতা আজিম খান, চাকরি ছেড়ে হালাল উপার্জন করার অঙ্গীকার করেছেন।
গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টারি।
কগনিটিভ ওয়ার ফায়ার।( মগজ দখল)
বর্তমান সময়ের সর্বোচ্চ ইম্পর্ট্যান্ট বিষয় গোলোর মধ্যে একটি।
দ্বীন প্রচারের স্বার্থে ও সতর্কতার জন্য প্রচুর পরিমান কপি/ শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন।
জাজাকাল্লাহ্
~ পৃথিবী দেখার আগেই তাকে রক্ত দিয়ে দাম দিতে হল! ~
-
দয়া করে এই ছবিটি ভালভাবে লক্ষ্য করুন। ছবিতে দড়িতে ঝুলন্ত নিষ্পাপ শিশুর ছোট ছোট জামা-কাপড়ের ঠিক সামান্য ওপরের দেওয়ালে কি দেখতে পাচ্ছেন ওই গাঢ় লাল রক্তের দাগ? এটি কোনো গ্রাফিক্স বা সিনেমার দৃশ্য নয়। এটি গাজার আল-তুফাহ পাড়ার সেই বাড়ির একটি ছবি, যেখানে ১৯ বছরের গর্ভবতী তরুণী আমাল আল-আজলা এবং তার অনাগত ৯ মাসের শিশুর শেষ চিহ্ন লেখা আছে।
উপরে ছাদ ধ্বংস হয়ে আছে। আমাল এবং তার স্বামী ঠিক ওখানেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। একটি ইসরায়েলি বিমান হামলার বোমা সরাসরি ওই ছাদে পড়ে, আর সেখান থেকেই গড়িয়ে এসেছে ওই তাজা রক্ত। রক্ত গড়িয়ে এসে ঠিক সেই জায়গায় পড়েছে যেখানে আমাল তার সন্তানের জন্য রোদে ছোট ছোট জামা-কাপড় শুকোতে দিয়েছিল। একটি লাল টি-শার্ট, একটি হালকা নীল প্যান্ট—এগুলি সেই শিশুর জন্য ছিল, যে পৃথিবী দেখল না। গর্ভের অনাগত শিশুটিও তার মায়ের সাথে একই মুহূর্তে মারা গেছে। সেই রক্ত ওই কাপড়ের গায়েও ছিটকে লেগেছে, যেন চিরবিদায়ের এক করুণ রক্তমাখা ছাপ রেখে গেছে ওই কাপড়ের লাইনে।
.
মানবতা আজ ঠিক কোথায় দাঁড়িয়ে? তথাকথিত সভ্য বিশ্ব কি আজ পুরোপুরি অন্ধ? একটি ১৯ বছরের গর্ভবতী তরুণী, যে কেবল নিজের বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে রোজকার মতো কাপড় শুকাচ্ছিল—সে কার কী এমন ক্ষতি করেছিল? এই নির্মম গণহত্যার কি কোনো শেষ নেই? আর ঠিক কত অনাগত শিশুর রক্ত ঝরলে শান্ত হবে এই পৃথিবী?
এই খবরগুলো হয়তো বড় কর্পোরেট মিডিয়ার প্রথম পাতায় জায়গা পাবে না। তাই আওয়াজ তুলুন, শেয়ার করুন। বিশ্ব জানুক, গাজায় কীভাবে প্রতিদিন নিরপরাধ মা ও শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে। আমাল হয়তো আর কখনো ফিরবে না, কিন্তু ওই দড়িতে ঝোলা কাপড়ে আর দেয়ালে লেগে থাকা তার রক্তের দাগ যেন আমাদের ঘুমন্ত বিবেককে একটু হলেও নাড়া দিয়ে যায়। আজ চুপ থাকবেন না।
🔰 #কেয়ামতের আগে মানে শেষ জামানাতে হক পন্থী দল যেটা আছে এবং বাতিল পন্থী দল যেটা আছে তা ঠিক সময়ে প্রকাশ পেয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ..!!?
🛑এখন তা নিয়ে এতো টা বিচলিত হওয়ার কোন কারণ নেই ভাইয়েরা..!!
⛔#ভাই আমি ওনার আর আমার পক্ষে কথা বলছি না ইবলিশও কিন্তু বড় জ্ঞানী ছিল সেও কিন্তু সব যান তো কিন্তু মানার বাদ্দা ছিল না তাই আমরা এতো হতাশ হবো না ইনশাআল্লাহ..!!
আল্লাহ তায়ালা উত্তম পরিকল্পনা কারি..!!
Jobayer Ahmed ✍️
""""""""""এক আহত মুজাহিদের বেঁচে ফেরার কাহিনী""""""
চার জন মুজাহীদ চলছিল দুশমনের খোঁজ খবর নিতে।কোথায় তাদের আবাস,কোথায় তাদের আড্ডা,কিভাবে তাদের উপর এম্বাস করা যায় ইত্যাদি তথ্য নিতে।
চলতি পথে দুপুর প্রায় একটা বেজে গেলো।ইতিমধ্যেই নামাজের ওয়াক্ত হয়ে গেলে তারা দুই দলে ভাগ হয়ে পানির সন্ধান করতে লাগলো,যেন ওযু করতে পারে ।
এদিকে দুইজন মুজাহিদ খুঁজতে খুঁজতে পানির সন্ধান পেলো এক জায়গায়, এতটুকু জমা পানি ,তার অপর পাশে বড় বড় পাথর।
এই পাথরগুলোর ওপারেই নাপাক বাহিনীর কিছু জওয়ান বসে কথা বলছিলো ।
এই মুজাহিদ দুজন ভেবছিলো তাদেরই বাকি দুই সাথী হবে হয়তো,এটা ভেবেই তারা তাদের ঐ দুই সাথীকে আওয়াজ দিলো ।
তখন ফৌজিরা একদম চুপ হয়ে গেলো,এবং সতর্ক হয়ে অপেক্ষা করতে লাগলো।
তখন একজন সাথী সামনের দিকে অগ্রসর হয়ে পাহাড়ের উপরে উঠলে দেখতে তিনজন ফৌজিকে দেখলো। ফৌজিরাও তাদের দেখে বলতে লাগলো তোমরা স্যারেন্ডার করো ,নিজেদের অস্ত্র রেখে দাও।
তখন মুজাহিদ সাথী বললো আমরা হার মানবো না ,যতক্ষন না শহীদ হই ততক্ষন তোমাদের সাথে লড়াই করবো।এই বলেই মুজাহীদ ভাই ফৌজিদের উপর ফায়ার শুরু করে দুজনকে মেরে ফেল্লো।
তখন দূরে থাকা অন্য ফৌজিরাও পাল্টা ফায়ার শুরু করলে মুজাহীদ ভাইটির চোখের পাশে একটি গুলি আঁচড় কেটে গেলো। কিন্তু সে তেমন কোনো ব্যথা অনুভব করলো না। শুধু মশা কামড়ের যতটুকু ব্যথা ঠিক ততটুকুই অনুভব হলো ।
আরেকটা গুলি লেগেছিলো ঠিক হাতের পাশে,সেটা কখন লেগেছিলো সে বুঝতেও পারেনি ।যখন হসপিটাল নিয়ে যাওয়া হয় তখন তার বুক থেকে গুলি বের করলে সে বুঝতে পারে ।
তখন আহত মুজাহিদ দৌড়ে পাহাড়ের উপর উঠে সামনের দিকে অগ্রসর হতে থাকে এবং পাহাড়ের নিচে আসতে সক্ষম হয়।
আর পিছন থেকে ফৌজরা তার উপর ফায়ার করতেই থাকে ,তখন সে নিচে গড়িয়ে পড়তে পড়তে তার হাত থেকে অস্ত্র পড়ে যায় ।
লাগাতার ফায়ারিং এর কারণে সে একদিকে পড়ে থাকে, আর তার অস্ত্র দূরে রয়ে যায়। এমন সময়ে তার অনেক পিপাসা পায়,তখন তার কাছে কোনো পানিই ছিলো না ।
মাটিতে শুধুই তার রক্ত পড়ে রয়, বাধ্য হয়ে পিপাসা মিটানোর জন্য নিজের ঝরেপড়া রক্ত পান করতে গেলে একটি অদৃশ্য হাত তার কপালে অনুভব করে।যেন কেউ তাকে পিছনে হেলান দিয়ে বসিয়ে দেয় ,তারপর তার পিপাসা এমনিই মিটে যায় ।
পরে সেখানেই মাটিতে পড়ে রয় আর উপর দিয়ে আগুনের মৌমাছির মত বুলেট ফায়ার হতেই থাকে।
প্রায় দুই ঘন্টা পর ফায়ারিং বন্ধ হয়ে যায়, তারপর সে বেহুঁ