English
Open in Telegram
HHope Study

Hope Study

@HopeStudy24hours · channel · Education · indexed since 2026-05-25
793subscribers
614average post reach
77.4%ER — reach to subscribers
15posts in 30 days
H
Hope Study
আত-তুরাস সিরাত ক্র্যাশ কোর্স-০১ | খুলাসাতুস সিরাহ আমাদের মধ্যে অনেকেই আল্লাহর রাসূল ﷺ-এর সিরাত বা জীবনচরিত পড়তে চান, কিন্তু ঠিক কোথা থেকে এবং কোন বই দিয়ে শুরু করবেন—তা বুঝতে পারেন না। আবার কেউ কেউ সিরাতের বিচ্ছিন্ন বিভিন্ন ঘটনা বা যুদ্ধ সম্পর্কে জানলেও, পুরো জীবনচিত্রটিকে একটি ধারাবাহিক কাঠামোয় একসাথে মেলাতে পারেন না। সিরাত আয়ত্ত করার সর্বোত্তম পন্থা হলো—প্রথমে সংক্ষেপে পুরো সিরাতটাকে একটি ‘ড্রোন ভিউ’-এর মতো করে ওপর থেকে দেখা। সিরাতের সম্পূর্ণ স্ট্রাকচার বা রূপরেখাটি একবার মাথায় গেঁথে ফেললে, পরবর্তীতে পয়েন্ট ধরে ধরে বিস্তারিত জানা অত্যন্ত সহজ হয়ে যায়। এই মৌলিক প্রয়োজনকে সামনে রেখেই আত-তুরাস একাডেমির বিশেষ আয়োজন “খুলাসাতুস সিরাহ”। মাত্র দুটি বিশেষায়িত ও ইন-ডেপথ সেশনের মাধ্যমে মক্কা থেকে মদিনা পর্যন্ত নবী ﷺ-এর জীবনের ধারাবাহিক রূপরেখা, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাপ্রবাহ এবং সিরাতের সামগ্রিক কাঠামো তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। link- https://turathedu.com/courses/khulasatus-sirah-crash-course# 🌸হোপ: কোর্সটা করে দেখতে পারেন, যাদের সীরাহ নিয়ে ভালোভাবে জানার আগ্রহ আছে। ওয়েবসাইটের ফোনের ইন্টারফেস টা একটু সমস্যা জনক মনে হলো। ল্যান্ডস্ক্যাপ মোডে ট্রাই করলে সহজ হবার কথা। (আমাদের নিজস্ব কোর্স নয়, এবং এটা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে) @HopeStudy24hours
2 · 605 ·
H
ReplyPhoto
২০১২ সালের ৯ অক্টোবর, সেদিন মালালা ইউসুফজাই পাকিস্তানের সোয়াত অঞ্চলে তেহরিক-ই তালিবান নামের একটি বিচ্ছিন্ন গোষ্ঠীর হাতে গুলিবিদ্ধ হন। সারা পৃথিবী জুড়ে হৈ চৈ শুরু হয়।নারীবাদী সংগঠনগুলো দৌড়ঝাঁপ শুরু করে।মালালার পৃথিবীর সেরা সব চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা হয়। জার্মান পত্রিকা ডয়চে ভেলে ২০১৩ সালে লিখে,মালালা পৃথিবীর সবচেয়ে নামকরা কিশোরী। তেহরিক-ই তালেবানের বিরুদ্ধে তার লেখা,অ্যাক্টিভিজম ইত্যাদি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে।সবার কাছেই বাহবা পেয়েছেন। মালালা পরবর্তীতে নোবেল পুরষ্কারও পেয়েছেন। সময়ের পৃষ্ঠা উল্টে ২০২৬ সালে আসি। ২০২৬ সালের মার্চ মাসের ঠিক কোনদিনে লেবানিজ সাংবাদিক ফাতিমা ফুতুনি মারা গেছেন,সেটা আমরা কেউ বলতে পারবো না।ফাতিমা ফুতুনি ৯/১০ বছর ধরে লেবানন ও গাজ্জায় ইসরাইলের গনহত্যার লাইভ ফুটেজ পৃথিবীকে দেখিয়েছেন। আল মায়াদিন সংবাদমাধ্যমের হয়ে কাজ করতেন। শেষ পর্যন্ত ইসরায়েল তাকে হত্যা করেছে।মালালার মতো বেঁচে যাননি। তবুও,নারীবাদী সংগঠনগুলো ফাতিমার জন্য আওয়াজ তোলেনি। ফাতিমাকে হত্যার জন্য দায়ী করে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার জন্য নিজ দেশের কাছে কোনো দাবী জানায়নি। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলের হাতে নিহত ৪৭ হাজার নারী ও শিশুর জন্য এই নারীবাদী সংগঠনগুলো দাঁড়ায়নি। প্রশ্ন উঠে,এই নারীবাদী সংগঠনগুলোর দ্বিচারিতার কারন কী? কেবল কর্পোরেট কোম্পানিগুলোর দাসত্বই ওদের একমাত্র কাজ? - কপিড
619 ·
H
Hope Study
Video
569.1 MB · click to show
বাংলাদেশে সম*কামিতা ছড়ানোর মাস্টারমাইন্ড কারা? সংকট রোধে সমাজ, পরিবার ও রাষ্ট্রের করণীয়! জুন মাস আসলেই এক শ্রেণির বিকৃত চিন্তার মানুষদের দৌড়ঝাঁপ চোখে পড়ে। স্লো পয়জনের মতো করে তারা সমাজে বিস্তার লাভ করছে। কিন্তু কিভাবে… যে প্রশ্নগুলো আমরা অনেকেই করতে চাই, কিন্তু উত্তর জানি না— স*মকা*মিতা, রূপা*ন্তর*কামিতা, রাষ্ট্রীয় নীতি, ব্র্যাক এবং সন্তানদের সুরক্ষা নিয়ে ড. মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন স্যারের একটি ব্যতিক্রমী আলোচনা। মূল লিংক: https://www.facebook.com/reel/1286344923299484/?app=fbl
4 · 689 ·
H
Hope Study
Video
459.9 MB · click to show
নিউ ইয়র্কে বসবাস করা হাসিদিক সম্প্রদায়ের ইহুদিদের নিয়ে বানানো রুহি সেনেটের দীর্ঘ ডকুমেন্টারি @HopeStudy24hours
44 · 2.4K ·
H
Hope Study
Replyনিউ ইয়র্কে বসবাস করা হাসিদিক সম্প্রদায়ের ইহুদিদের নিয়ে বানানো রুহি সেনেটের দীর্ঘ ডকুমেন্টারি @HopeStudy24hours
নি|উ|ইয়র্ক শহরে বসবাসরত ই|হু|দি হাসেদি সম্প্রদায়ের বিবাহিত নারীকে চুল কেটে ফেলতে হয় তাই বাহিরে বের হলে তারা মাথা ঢেকে রাখে।এমনকি বাড়িতে স্বামীর সামনেও চুল ঢেকে রাখতে হয়।তারা একাধিক সন্তান( ১০-১৫) নেয়।নারীদের সন্তান নেওয়ার বিরতি নেওয়ার আগে একজন রা|বাই এর থেকে পরামর্শ নিতে হয়। শালীনতা টহল টিম নামে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন থেকে বাহিরে নারীদের নজরদারি করা হয় তারা সঠিক পোশাক পড়েছে কিনা। নিউইয়র্ক শহরে বসবাসরত ই|হু|দি হাসেদি সম্প্রদায়ের ভিন্ন জীবনযাপনের দৃশ্য তুলে ধরেছে রুহি সিনেট।এভাবেই তারা আ*মে*রিকার মূল শহরের মতো জায়গায় থেকেও প|শ্চিমা নীতির বাহিরেই নিজেদের রীতিনীতিতে নি|উ|ই|য়র্কে বসবাস করছ। তাহলে প্রশ্ন হলো আ|ফগা|নিস্তানে নারী স্বাধীনতা ক্ষুন্ন হওয়ার কথা বলে আমারিকার বিভিন্ন সময় হস্তক্ষেপ দেখা যায়, মিডিয়ার মিথ্যাচার দেখা যায়। তারা কেন নিজেদের দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে ই|হু|দি নারীদের ওপর আরোপকৃত এসব কঠোর বিধানের বিষয়ে নিরব?এমনকি এই ই|হু|দি সম্প্রদায়ের সেখানে আলাদা বিচারকার্য পরিচালনা করার জন্য ধর্মীয় আদালত রয়েছে, পুলিশের মতো টহল বাহিনী রয়েছে। তারা চাইলে তাদের বিচারিক ক্ষমতাবলে কাউকে আটকে রাখতেও পারে।নিরাপত্তা বিবেচনায় তাদের এসব বিষয়ে অনুমতিও দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশী হলুদ মিডিয়া কি ই|হু|দি নারীদের ওপর নি|র্যা|তনের বিষয়ে নিউজ করে তাদের রক্ষায় এগিয়ে আসবেনা?ই|হু|দি|দের এসব পশ্চাৎপদ জীবনযাপন নিয়ে উদ্বিগ্ন হবেনা তাদের পশ্চিমা আলোয় ফিরিয়ে আনতে?নাকি আ|ফ|গা|নিস্তান নিয়ে মি|থ্যাচার করলে তাদের বিদেশি প্রভুদের নজর পাওয়া যায় কিন্তু ই°হু°দিদের নিয়ে নিউজ করলে তারা অসন্তুষ্ট হবে!দেখা যাক তাদের কি ভূমিকা দৃশ্যমান হয়। এই ভিডিওতে রুহি সিনেটকে জাঝাকাল্লাহ ফি|লি|স্তি|নের অসহায় শিশুদের কথা তুলে ধরার জন্য। এই ভিডিওটি কতদিন রাখতে পারবে সেটা বিষ্ময়ের।যেকোন সময় এটি সরিয়ে দিতে পারে! link- https://t.me/HopeStudy24hours/124
6 · 2K ·
H
Hope Study
সন্তান জন্মগ্রহণ করলে খরচাপাতি আছে। হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করলে হাসপাতালের বিল দিতে হয়, ওষুধপত্র কিনতে হয়, ৬ মাস হলে বাজার থেকে দুধ, সেরেলাক, ডায়পার কিনতে হয়। নবজাতকের জন্য আলাদাভাবে খরচ করাটা সব যুগেই ছিলো। মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো সন্তান জন্মের আনন্দে যেমন খুশি হয়, তেমনি খরচের কথা মনে পড়লে কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়ে। বাবাকে তখন ‘ওভারটাইম’ কাজ করতে হয়। যারা আগে থেকে টাকা জমিয়েছে, তারা তখন টাকা তুলে খরচ করে। ইসলামের স্বর্ণযুগে সন্তানের মা-বাবাকে এমন চিন্তা করতে হতো না। তখন প্রত্যেক নবজাতকের জন্য অর্থ বরাদ্দ ছিলো। শুধু ‘অর্থমন্ত্রণালয়ে’ (বায়তুল মাল) জানাতে হতো। বাড়িতে ‘ভাতা’ চলে আসতো। উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুর সময় একেকজন নবজাতকের জন্য ১০০ দিরহাম বরাদ্দ ছিলো। নবজাতকের বাবা সাহাবী-তাবেয়ীগণ এই ১০০ দিরহাম দিয়ে চাইলে ৮ টি ভেড়া কিনতে পারতেন। সেই অনুসারেও যদি বর্তমানে এই প্রথাটা চালু হতো, তাহলে প্রত্যেক নবজাতক দুনিয়াতে আসার সাথে সাথে অন্তত ৮০,০০০ টাকা পেতো! খিলাফত, ইসলামি রাষ্ট্র মানেই শুধু চোরের হাত কাটা নয়। ইসলামের স্বর্ণালী যুগে রাষ্ট্রের জনকল্যাণমুখী দিকগুলো এতো বিস্তৃত ছিলো, এতো চমৎকার ছিলো, বর্তমান সময়ে তথাকথিত অনেক রাষ্ট্রে এমন সুবিধা নেই। - Copied
2 · 699 ·
H
Hope Study
“মুসলিমরা যখন স্পেনের কর্ডোভায় শাসন করতো সে সময়গুলোতে সুর্যাস্তের পর সরকারি বাতির আলো ব্যবহার করেই একজন মানুষ দশ মাইল পথ সোজাসুজি হাঁটতে পারত; অথচ লন্ডনের রাস্তায় তখন একটি সরকারি বাতিও ছিল না, আর প্যারিসে পরবর্তী শতাব্দীগুলোতেও বৃষ্টির দিনে ঘর থেকে বের হলেই মানুষ হাঁটু পর্যন্ত কাদায় ডুবে যেত।” — জন ডব্লিউ ড্রেপার, এ হিস্ট্রি অব ইন্টেলেকচুয়াল ডেভেলপমেন্ট অব ইউরোপ, ১৯১০
1 · 507 ·
Hope Study
Video
গাদ্দাফির_১৪৪_টন_স্বর্ণ_কোথায়_গেল_আদ্যোপান্ত_Gaddafi’s_Lost · 127.4 MB · click to show
গাদ্দাফির ১৪৪ টন স্বর্ণ কোথায় গেল | আদ্যোপান্ত | Gaddafi’s Lost Gold Mystery @HopeStudy24hours
12 · 1.4K ·
H
Video
38.9 MB · click to show
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিন্নাহর দেয়া সেই পুরো ভাষণ শুনুন বাংলায় | Jinnah Speech | Dhaka University | Jugantor @HopeStudy24hours
17 · 1.5K ·
H
ReplyPhoto
কাশ - মিরে হাজারও নারীকে dhorষণ করেছে ইন্ডিয়ান সেনারা। এমনও হয়েছে একদিনেই ৫০০/৬০০ মুসলিম নারীকে ভারতিয় সেনা ক্যাম্পে তুলে নিয়ে রেই- ,প করে হttan করেছে। সে সঙ্ক্রান্ত অনেক তথ্য আছে ওপেন সোর্সে। সেখানে স্বাধীনতা আন্দোলন দমনে ভারতের অন্যতম প্রধান একটি অস্ত্র হলো এই রেই- ,প। কয়েক বছর আগেও আসিফা বানু নামে এক ৮ বছরের বাচ্চাকে ১১ জন ইন্দু মিলে রেই- ,প করে হttan করে। সব গুলো জানোয়ার ছিলো ইন্ডিয়ান সরকারী কর্মকর্তা! আর সেই ইন্ডিয়ার সাথে তালেবালের পিতলা খাতিরকে যারা মেনে নেয় তারা আর যাই হোক মুসলিম হতে পারে না! আই ডোন্ট বিলিভ দিস! কয়েকটি লিংক দিলাম, পড়ে নিজের জ্ঞান বাড়াতে পারেন! - কাশ- মিরে ইন্ডিয়ান বাহিনীর একদিনে ১০০০ মুসলিম নারীকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে রে, ইপ করার ন্যাক্কারজনক ইতিহাস। যদিও পশ্চিমা মানবাধিকার সংস্থা গুলো ৬০০-৬৫০ হিসেব করে কিন্তু আসলে তা ১০০০+ ছিলো। এখানে পড়ুন 👇 https://www.bbc.com/news/world-asia-41268906 ৮ বছর বয়সী আসিফা বানুকে অপ,হ, রণ করে নিয়ে কাশ- মিরে নিযুক্ত ১১টা হিন্দু ইন্ডিয়ান কর্মকর্তা ড্রা- গা খাইয়ে রে, ই-প করে হ, ট্যাঁ করে। আর সেই ডান্ডিয়ার সাথে তালেবাল পিরীতি মারায়। https://www.bbc.com/news/world-asia-india-43722714 উইকিপিডিয়ার এই আর্টিকেলে সবচেয়ে কম রে, ই-পের ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। বলতে পারেন ৮০-৮৫% ই হাপিশ করে ফেলেছে তবুও কাশ-মিরে ইন্ডিয়ান বাহিনীর ন্যাক্কারজনক রে, ই-পের ঘটনা লুকাতে পারেনি! এদের জন্য তালেবালের মায়া নেই? এরা মুসলিম না? https://en.wikipedia.org/wiki/Rape_during_the_Kashmir_conflict ভারতজুড়ে কিভাবে সিস্টেম্যাটিক্লি মুসলিমদের দমন করা হচ্ছে তার একটি সদ্য উদাহরণ পশ্চিমবঙ্গ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল ক্ষমতা হারানো মাত্রই বিজেপি কি শুরু করেছে দেখুন! https://www.dailyamardesh.com/world/india/amd4b1qndt3o6. @HopeStudy24hours
10 · 1.1K ·
H
Hope Study
Video
150.6 MB · click to show
ঢাকা স্ট্রিম-বাংলা স্ট্রিম: ইসলামবিদ্বেষের নতুন ঠিকানা (নতুন প্রথম আলো-ডেইলিস টার) . ভিডিওটি সবাই শেয়ার করে সত্যের সাথে থাকুন। @HopeStudy24hours
15 · 1.8K ·
H
Hope Study
Video
39.8 MB · click to show
প্রোপাগান্ডা মুভি বানিয়ে কীভাবে নিজ দেশের একটি গোষ্ঠীকে ‘আদারিং’ করে তাদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ও বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে? কীভাবে বছরের পর বছর ধরে তৈরি করা এই ন্যারেটিভ শেষ পর্যন্ত তাদের ওপর নির্যাতনকেও বৈধতা দেওয়ার পরিবেশ তৈরি করছে? আজ মুসলিমদের বিরুদ্ধে যে ঘৃণা, বৈষম্য ও নির্যাতন আমরা দেখছি, তা হঠাৎ করে তৈরি হয়নি। বছরের পর বছর ধরে চলা মুসলিমবিরোধী প্রোপাগান্ডা, সিনেমা, মিডিয়া ন্যারেটিভ ও ঘৃণার রাজনীতিতে বিনিয়োগের ফলেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ভারতের মুসলিমদের প্রতিনিয়ত নিজেদের প্রমাণ করতে হয় তারা ভারতের নাগরিক, তারা দেশকে ভালোবাসে, তারা এই দেশেরই অংশ। এই ভিডিওতে দেখিয়েছি, কীভাবে প্রোপাগান্ডা মুভি মানুষের চিন্তা ও অনুভূতিকে প্রভাবিত করে, একটি গোষ্ঠীকে ‘অন্য’ হিসেবে উপস্থাপন করে এবং ধীরে ধীরে তাদের বিরুদ্ধে ঘৃণাকে স্বাভাবিক করে তোলে। @HopeStudy24hours 🛑ওয়ার্নিং- মিউজিক ও নারী
5 · 392 ·
H
Hope Study
Video
3.0 MB · click to show
ভিডিওতে যে দৃশ্য দেখানো হয়েছে সেটা কোনো এআই নয়। বরং ২০০০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর আল আকসা প্রাঙ্গণে ঠিক এভাবেই দখলদার ইসরাইলি বাহিনী তাদের ঘিরে ফেলে এবং পিতার বাহুর নিচে আশ্রয় নিয়ে বাঁচতে চেষ্টা করা আল দুররাকে হত্যা করে। এবার আপনি বলুন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরেই শুরু হয়েছিলো সব?
😢10
3 · 270 ·
Hope Study
বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু হয় ১৭৯৩ সালে। ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস রাষ্ট্রীয়ভাবে এই সিদ্ধান্ত নেন। এর ফলে তিনটা স্তর তৈরি হয়েছিল—রাষ্ট্র, ভূমিপ্রভু বা জমিদার, ভূমিদাস বা কৃষক। চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে সরকার তালিকাভুক্ত জমিদারদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব আদায় করত। কৃষকদের কাছে গিয়ে খাজনা আদায়ের ঝামেলা ছিল না। রাষ্ট্রের প্যারা নেই। চিল! নতুন বন্দোবস্তে জমিদাররা তাদের মনমতো খাজনা আদায় করত প্রান্তিক কৃষকদের থেকে। কারোর এতে বাধা দেওয়ার অধিকার ছিল না। জমিদারদের ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর নির্ভর করত খাজনার হার। আইনি কোনো বাধ্যবাধকতা তো ছিলই না, উপরন্তু সরকার জমিদারদেরকে ভূমির ওপর গুরুত্বপূর্ণ স্বত্ব ও যেকোনো হারে রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা প্রদান করত। খাজনা অপরিশোধিত থাকলে জমি থেকে উচ্ছেদ করা হত। প্রথম দিকে ফলানো ফসল দ্বারা খাজনা আদায়ের নিয়ম থাকলেও সেটা গভীর ষড়যন্ত্রে বাতিল হয়। কাঁচা টাকা ছাড়া খাজনা দেওয়া যেত না। কৃষকদের হাতে নগদ টাকা থাকত না। রাষ্ট্রের বে-ইনসাফি এবং জমিদারদের অসহনীয় শোষণে তারা প্রায়ই রিক্তহস্ত থাকত। মাঠে ফসল ফললেই তাদের মুখে এক চিমটি হাসি ফুটত। অন্যথায় রাজ্যসমান দুঃখকষ্ট চেপে ধরত ক্ষীণকায় কৃষকদেরকে। অদৃশ্য হায়েনার এই আক্রমণ থেকে বাঁচতে তখন তারা সুদী ঋণ নিত। সেই ঋণও দিত জমাদার মহাজনরা। এখানে একটা মজার নুক্তা আছে। ঠাকুর পক্ষের লোকরা বলেন যে, নওগাঁ জেলায় 'পতিসর কৃষি সমবায় ব্যাংক' স্থাপন করে রবিন্দ্রনাথ মানবিক উদারতার পরিচয় দিয়েছিলেন তখন। অথচ তিনি যে নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্য অর্থাৎ ১ লাখ ৮ হাজার টাকার পুরোটা এই কৃষি সমবায় ব্যাংকে বিনিয়োগ করার পাশাপাশি তার বইয়ের রয়্যালটি এবং আমেরিকায় বক্তৃতা দিয়ে প্রাপ্ত অর্থ থেকে আরও ৯ হাজার টাকা এই ব্যাংকে জমা দিয়ে মূলধন বাড়িয়ে তা থেকে ১২.৫% সুদে যে কৃষকদের মাঝে ঋণ দিতেন, সেই কথা তারা কখনো বলেন না। ঠাকুরও সুদী ব্যবসা করতেন। কুড়িয়ে-গুছিয়ে সব টাকা মূলধন বানিয়ে সুদী ব্যবসাকে ব্যাংকের চাদরে মুড়িয়ে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ তিনি দিয়েছিলেন। অন্যান্য মহাজনদের সাথে তার পার্থক্য গ্রামীনফোন-বাংলালিংকের মতো। দুটো কোম্পানিই ব্যবসায়ী। জাস্ট পলিসি ম্যাকিং-এ চালাকি করেছে মাত্র। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরিবারও এই জমিদারি কাঠামোর রাজসিক অংশ ছিল। তার পিতামহ দ্বারকানাথ ঠাকুর ও পিতা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সময় থেকেই পরিবারের জমিদারি স্
👍1
9 · 1.5K ·
কয়েক বছর আগে নায়িকা পরিমনিকে যখন গ্রেফতার করা হয়, তিনি বলেছিলেন—আল্লাহ এসব সহ্য করবেন না! তারও আগে সাফা কবির নামে একজন অভিনেত্রী বলেছিলেন, তিনি পরকালে বিশ্বাস করেন না। অতঃপর তার ভক্তকুলের গালিগালাজ শুরু হওয়ার পর তিনি যে আল্লাহকে বিশ্বাস করেন না, সেই আল্লাহর কাছে বিচার দিলেন। লেখাটি পরিমনি বা সাফা কবিরকে নিয়ে নয়, তবে তাদের সারাবছর আল্লাহর অবাধ্যতা এবং বিপদে পড়ে আল্লাহকে, ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার এই পক্রিয়াটি আবহমান কাল ধরে চলে আসা এবং চলমান বাঙালি ধর্মবিশ্বাসের সার সংক্ষেপ বলা যায়। ধর্ম বলে আমাদের মধ্যে যেটা আছে সেটা হলো ধর্মীয় কিছু আচার অনুষ্ঠান এবং এই ধর্মের প্রতি আমাদের আবেগ। কিন্তু এই আবেগ আবার নিজের ধর্মের অবাধ্যতাকে নিজের কাছে এবং মানুষের কাছে বৈধতা দেয়া, এবং একই সাথে নিজেকে প্রবোধ দেওয়ার মতো। এই আবেগী ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে আল্লাহর অস্তিত্বটা অনেকটা আলাদিনের চেরাগের মতো। প্রতিনিয়ত সে নিজের খেয়ালখুশিমতো জীবন চালিয়ে যাবে, অতঃপর যখন বিপদে পড়বে, আলাদিনের চেরাগ তো আছেই—ঘষা দিলেই যা চাইব তা হাজির হয়ে যাবে! মানুষের এই আবেগের ভয়েই অভিনেত্রী ধর্মের প্রতি আবেগ দেখায়। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অবমাননায় ফ্রান্সের ব্র্যান্ডের ঘড়ি ভাঙচুর করে তার ভক্তদের দেখায়, কিন্তু সেই একই অভিনেত্রী সারাটা জীবন ধরে আল্লাহ-রাসূলের অবাধ্যতা করে যাচ্ছে, সেটা নিয়ে সেই অভিনেত্রী কিংবা তার আবেগী ভক্তিকুল কারও সমস্যা নেই। ভক্তকুল আবার অভিনেত্রীরা ফেসবুকে বেপর্দা ছবি দিলে সেখানে পর্দা করার নসিহত দেবে। ধর্মপ্রাণ ভক্ত চায় অভিনেত্রী নাটক-সিনেমা করবে, আইটেম গানে নাচবে, আবার পর্দা করে ফেসবুকে ছবিও দেবে, দুই চারটা আল্লাহ-রাসূলের কথাবার্তা বলবে, যেন সে মাশাআল্লাহ, সুবহানআল্লাহ কমেন্ট করে আসতে পারে এবং নিজের এই লুইচ্চামিতে একটু ধর্মীয় ফ্লেভার এড করতে পারে! ইউটিউবে প্রচুর ভিডিও পাবেন যেখানে এডিট করে ছবি দেওয়া হয়, একটা বাচ্চা কুরআন তিলাওয়াত করছে বা গজল গাইছে, আর পাশেই শাহরুখ খান, সালমান খান বা তাদের পছন্দের কোনো নায়ক নায়িকার এডিট করা কান্নার ছবি। কিংবা কোনো জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো এর বিচারকের ছবি। ভক্তকুল জাহিলিয়াতও ছাড়তে পারে না, আবার ধর্মের প্রতি যে আবেগ সেটাকেও মুছে ফেলতে পারে না। জাহিলিয়াতের কারণে অপরাধবোধ থেকেও তারা জাহিলিয়াত আর ধর্মীয় আবেগের মিশেলে এই হাস্যকর খিচুড়ি তৈরি করে।
❤5
2 · 253 ·
H
ইসলামকে ভালোবাসা আর ইসলামের সাথে জীবন যাপন করা এক জিনিস নয়। যে আল্লাহর জন্য কিছু ছাড়তে জানেনি, সে কোনোদিনও উপলব্ধি করতে পারবে না ঈমান কী, আখিরাতের পুরস্কার কেমন! - সংগৃহীত
❤4
1 · 219 ·
ReplyPhoto
স্কুলের ফটকে দাঁড়িয়ে কাঁদছে ছোট্ট মেয়েটা। পিঠে নীল রঙের ব্যাগ। মাথায় সাদা হিজাব বাঁধা। দারোয়ান তাকে ভেতরে ঢুকতে দিচ্ছে না। আরেক শ্রেণিকক্ষে একদল শিশু তাদের প্রিয় শিক্ষিকাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছে। শিক্ষিকা মাথা থেকে হিজাব খুলতে রাজি হননি। তাই আজ থেকে তার স্কুলে আসা নিষিদ্ধ। দৃশ্যটা ফ্রান্স কিংবা ইউরোপের কোনো শহরের নয়। এটা ঘটছে আজারবাইজানে। তেলসমৃদ্ধ এ দেশটির পঁচানব্বই ভাগ মানুষই মুসলমান। কাস্পিয়ান সাগরের তীর ও ককেশাসের উঁচু পাহাড়ের কোল ঘেঁষে গড়ে উঠেছে আজারবাইজান। প্রাচীন গ্রন্থে এ অঞ্চল পরিচিত ছিল আররান ও শিরওয়ান নামে। হিজরি প্রথম শতাব্দীতেই এখানে ইসলামের আগমন ঘটে। ২২ হিজরি মোতাবেক ৬৪৩ খ্রিস্টাব্দে খলিফা উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) এর শাসনামলে মুসলিম বাহিনী এ অঞ্চলে প্রথম প্রবেশ করে। সেনাপতি সুরাকা ইবনে আমর, হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা) এবং বুকাইর ইবনে আবদুল্লাহর হাত ধরে এখানকার মাটিতে উড়ে তাওহিদের পতাকা। পরবর্তী সময়ে উসমান ইবনু আফফান (রা) এর যুগে হাবিব ইবনে মাসলামা আল ফিহরি ও সালমান ইবনে রাবিআ আল বাহিলির অভিযানের মাধ্যমে অঞ্চলটি খিলাফতের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়। ৭৪৩ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত শামাখির প্রাচীন জামে মসজিদ এবং দেশটির উত্তর সীমান্তে দারবান্দে অবস্থিত কিরখলার বা চল্লিশ শহীদের কবরস্থান আজও সাহাবি ও ইসলাম পরবর্তী যুগের মুজাহিদদের স্মৃতি বহন করে চলেছে। খিলাফতের ছায়ায় আজারবাইজান একসময় হয়ে উঠেছিল জ্ঞান, বিজ্ঞান, দর্শন ও সাহিত্যের অন্যতম কেন্দ্র। ৮৬১ থেকে ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় সাতশ বছর এখানে শাসন করেছে মুসলিম শিরওয়ানশাহ রাজবংশ। দ্বাদশ শতাব্দীতে আতাবাক শাসকদের সময়ে গানজা, নাখচিভান ও বাকু হয়ে উঠেছিল ইলম ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র। এই মাটিতেই জন্মেছিলেন কবি হাকিম জামালউদ্দিন নিজামি গঞ্জভি, ফালাকি শিরওয়ানি ও খাকানি শিরওয়ানি। এখানেই বেড়ে উঠেছেন ইশরাকি দর্শনের প্রবক্তা শিহাবউদ্দিন সোহরাওয়ার্দী এবং খালওয়াতিয়া তরিকার প্রসিদ্ধ সুফি সাইয়িদ ইয়াহইয়া শিরওয়ানি আল বাকুভি। উসমানি সালতানাত থেকে শুরু করে মুঘল ভারতবর্ষ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিল তার আধ্যাত্মিক প্রভাব। বাকুর শিরওয়ানশাহ প্রাসাদ প্রাঙ্গণে এখনো তার মাজার রয়েছে। শাফেয়ি ফিকহ ও উসুলের ইমাম আবু বকর আল বাযযাযি, মুফাসসির আবুল আব্বাস শিহাবউদ্দিন আহমাদ আল আরদাবিলি কিংবা জ্যোতির্বিজ্ঞানী ফজলুল্লাহ আশ শিরওয়ানির মতো মনীষীরাও ছিলেন এই অঞ্চলে
❤1
3 · 214 ·
ReplyPhoto
আজারবাইজানের শাসকগোষ্ঠীর আচরণে রয়েছে এক অদ্ভুত দ্বিমুখিতা। আর্মেনিয়ার সাথে কারাবাখের যুদ্ধ শুরু হলে ইলহাম আলিয়েভ সামরিক পোশাক পরে সামনে আসেন। তখন এই লড়াইকে তুলে ধরা হয় মুসলিম বিশ্বের মর্যাদা ও অস্তিত্বের লড়াই হিসেবে। সহযোগিতা চাওয়া হয় তুরস্ক, পাকিস্তানসহ পুরো মুসলিম বিশ্বের কাছে। অথচ সংকট কেটে গেলেই বদলে যায় দৃশ্যপট। গাজায় যখন হাজার হাজার মুসলিম শিশু নিহত হচ্ছে, তখন ইসরায়েলের মোট জ্বালানি তেলের প্রায় চল্লিশ শতাংশ যোগান দিয়ে যাচ্ছে আজারবাইজান। এমনকি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ইরানের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তৎপরতা চালানোর জন্য নিজেদের মাটিতে ইসরায়েলি বাহিনীকে ঘাঁটি করার সুযোগ দিয়েছে বাকু। বাইরে মুসলিম উম্মাহর আবেগকে ব্যবহার করে ভূরাজনৈতিক সুবিধা আদায়, গোপনে ইসরায়েলের যুদ্ধবিমানে জ্বালানির যোগান এবং দেশে ফিরে মুসলিম মেয়েদের মাথা থেকে হিজাব খুলে নেওয়া, এই হলো আজকের মুসলিম বিশ্বের সেক্যুলার জাতিরাষ্ট্রগুলোর আসল চেহারা। উম্মাহর রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে এরা পাহারা দেয় পশ্চিমা প্রভুদের স্বার্থ। কিন্তু ফেরাউনের প্রাসাদেও মূসা (আ) এর আওয়াজ ওঠে। হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান ও নিজামি গঞ্জভির উত্তরসূরি আজারবাইজানের তাওহিদি জনতা ও সাহসী কিশোরী বোনেরা আলিয়েভের এই জুলুমের সামনে মাথা নত করেনি। মচকে গেছে, কিন্তু ভেঙে পড়েনি। বাকু থেকে শুরু করে দেশের কোণায় কোণায় ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিবাদের দাবানল। হিজাবি সহপাঠীদের স্কুল থেকে বের করে দেয়ার প্রতিবাদে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ক্লাস বর্জন করে রাস্তায় নেমে এসেছে। জন্ম নিয়েছে এক অভূতপূর্ব জাগরণ। যেসব মেয়েরা সচরাচর হিজাব পরত না, তারাও আজ জালিম সরকারের মুখের ওপর জবাব দিতে মাথায় ওড়না ও স্কার্ফ বেঁধে হিজাবি বোনদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১০ সালেও একবার স্কুলে হিজাব নিষিদ্ধ করতে গিয়ে আজেরি মুসলমানদের প্রবল প্রতিরোধের মুখে পড়েছিল এই সরকার। জেল জুলুম আর পুলিশি নির্যাতন চালিয়েও সেদিন তারা ককেশাসের মানুষের দিল থেকে দ্বীনের প্রতি ভালোবাসা মুছতে পারেনি। আজও পারবে না। সত্তর বছরের সোভিয়েত লৌহযবনিকা যে ঈমানকে মাটির নিচে দাফন করতে পারেনি, কিছু পশ্চিমাপন্থী সেক্যুলার পুতুলের কাগুজে ফরমান সেই ঈমানকে নিভিয়ে দিতে পারবেনা, ইনশাআল্লাহ। আজারবাইজানের হিজাবি বোন ও মায়েদের এই লড়াই কেবল এক টুকরো কাপড়ের লড়াই নয়। এ লড়াই যুগের হুবাল ও তার স্থানীয় গোলামদে
❤2
8 · 298 ·
H
Photo
click to show
5-year-old Samar Hassan screaming and covered in her parents' blood after U.S. soldiers fired on her family's car in Tal Afar, Iraq, on January 18, 2005.
😭5
214 ·
H
Hope Study
Photo
click to show
ঢাকার মধ্যে কম খরচে ঝামেলা বিহীন বিভিন্ন পরীক্ষা করাতে চাইলে National Institute of Laboratory হাসপাতাল টি বেস্ট। যেই পরীক্ষা গুলো 2960 টাকায় করেছি সেগুলো পপুলারে বা বারাকাহ তে করতে গেলে প্রায় 12-14 হাজার টাকা লাগতো !! অনলাইনে টিকেট কেটে খুব সহজেই ঝামেলা ছাড়া টেস্ট করা যায় । - কপিড
❤3😢1
4 · 187 ·

An open public feed from the search index ChatCrawler — “Google for public Telegram”; refreshed as the venue is crawled. Times are UTC.

Public content only, official Telegram API. About · FAQ · Index limits · Remove a page · Catalog · Search · How we count