বুয়েটের "ক্রাশ অ্যান্ড কনফেশন" পেজের সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং অংশ কনফেশন না, কমেন্ট সেকশন!আমি লাস্ট কয়েকমাস পর্যবেক্ষণ করে এরকম চিত্র পেয়েছি!
ধরুন, বুয়েটের কোনো ছেলে বা মেয়ে কাউকে নিয়ে কনফেশন দিল। ভাববেন বুয়েটিয়ানরা কমেন্টে ভরে ফেলবে? আরে ভাই সেরকম কিছুই হয় না!
সেখানে ১% কমেন্ট করে বুয়েটের মানুষ, আর বাকি ৯৯% হাজির—হাড়িয়াভাঙা ডিগ্রি কলেজের বদরুল, আলামডাঙা ডিগ্রি কলেজের জোবেদা এই টাইপের মানুষজন!
কোনো এক কনফেশন পোস্টে বদরুল লিখে,
— "ছেলেদের ভালোবাসা আসলেই সুন্দর!"
জোবেদা রিপ্লাই দেয়,
— "বর্তমান যুগের ছেলেরা হচ্ছে খেলা বালক। 😒"
তারপর শুরু হয় ৬৯ মিনিটের রিপ্লাইয়ের Bangladesh vs Myanmar যুদ্ধ যেটার একচুয়াল ফলাফল হচ্ছে চোদনামি!
"আপু, সব ছেলে এক না!"-বদরুল
"ভাইয়া, মেয়েরাও কম না!"-জোবেদা
এভাবে ঝগড়া গড়ায় ইনবক্সে।
ইনবক্স থেকে খুনসুটি।
খুনসুটি থেকে "খেয়েছো?"
তারপর "ঘুমাইছো?"
শেষমেশ "তোমাকে ছাড়া জীবন কল্পনা করতে পারি না!"
এদিকে যার কনফেশন নিয়ে এত কাণ্ড, সেই বুয়েটের ছেলে-মেয়ে হয়তো গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে অস্ট্রেলিয়ায়, কানাডায় বা ইউরোপে নিজের জীবন নিয়ে ব্যস্ত।
আর বদরুল-জোবেদা?
১০ টাকার বাদাম আর ২০ টাকার চা দিয়ে আলমডাঙ্গা ডিগ্রি কলেজের ৯ একর ক্যাম্পাসেই পরে থাকে!
ডেট থেকে একদিন তারা কমিটমেন্টে যায়!
তারপর বিয়ে।
তারপর সংসার।
তারপর সন্তানের স্কুলের ফি নিয়ে দুশ্চিন্তা।এদের সন্তানও সেম সাইকেল কন্টিনিউ করে!
এরপর একদিন ফেসবুকে সেই বুয়েটিয়ান দম্পতির লাস ভেগাসের কাপল রিলস দেখে বদরুল শেয়ার দিয়ে ক্যাপশন দেয়—
"One day...! ❤️🥺"
আর এই শেয়ার দেখে জোবেদা রাতেই বদরুলের কানে কানে বলে "শাউয়া "
ইসলামের বিজয় হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। এ বিজয় মুসলমানের। বিশ্বকাপ জিতে এখন থেকে সারাবিশ্বে ইসলাম কায়েম হয়ে গেলো। মুসলমানদের উপর আর গনহত্যা চালানোর সাহস কেউ পাবেনা। কারণ, মুসলমানদের হাতে এখন বিশ্বকাপ। এখন আমাদের সাহসই আলাদা। আমরা ট্রাম্পের সাথে এখন মুসাফাও করিনা।
মুসলমানরা জিততে চাইলে ফুটবলে লাথি দিয়েই জিততে পারে, যুদ্ধ করা লাগে না। যুদ্ধ করা ভালো না। যুদ্ধ করে জঙ্গিবাদ। যারা যুদ্ধ করে, তারা ভালো না। ইসলামে যুদ্ধ নাই। ইসলাম মানে শান্তি। ইসলাম শান্তির ধর্ম।
এই বিজয় ছিনিয়ে এনেছে স্পেনের তারিক বিন যিয়াদ এর lite version লামিন ইয়ামাল🐸
খুলনা যাচ্ছি। কমলাপুরে ট্রেনের অপেক্ষায়। পাশেই বসা এক মেয়ে জিজ্ঞেস করলো, আচ্ছা আপনার প্রফেশনটা কী জানতে পারি?
বললাম, আমি খুবই সাধারণ একজন।
: দেখে তো তা মনে হয় না। সত্যি করে বলেন না।
: আমি ৪৩ বিসিএসের প্রিলি ফেল।
হে যুবক! টিশার্ট, জিন্স পরে তুমি কী প্রমাণ করতে চাইছো? মনে রেখো, প্রাইভেট ভার্সিটিতে পড়ুয়া বেপর্দা ছেলেরা হোটেলের বিছানাতেই সুন্দর। কোন ধার্মিক নারী এদের স্বামীর মর্যাদা দেয় না। বরঞ্চ স্বামীর সাথে ঝগড়া হলে এরা তোমাকে ব্যবহার করে বাজারের ভোগ্যপণ্যের ন্যায়। তারপর? ছুড়ে ফেলে দেয় শেষ হয়ে যাওয়া গোল্ডলিফের পাছার মতো
আমি একদিন রাত ১২ টার সময় বউকে নুডুলস খাওয়ার ঐকান্তিক ইচ্ছা প্রকাশ করলাম। এরপর বউ নুডুলস আমার এমন এক জায়গা দিয়ে ভরে দিতে, চাইলো যেটা মনে হলে এখনও গায়ে ১০২° জ্বর চলে আসে।
বিয়ের আগে পোংটামি করে, বুঝলাম!
কিন্তু, বিয়ের পরে বিবাহিত পুরুষদের প্রতি মহিলা থুক্কু মেয়ে মানুষের কিসের এতো আকর্ষণ!!! 🙂🙂
মানে, আশেপাশের কয়েকটা ভাই-ব্রাদারদের সংসারে আগুন লেগে গেছে বিয়ের পরের প্রেমিকা-জনিত কারনে!!
বিয়ের পরে ছেলেদের মধ্যে এমন কি ম্যাজিক আসে সেজন্য মেয়েরা হুমড়ি খেয়ে পড়ে? জানার ইচ্ছা আমার।
আবার অনেক অবিবাহিত ছেলেরাও দেখি বিবাহিত মহিলা নিয়ে পালায়!!!
এ কেমন ভালোবাসা ভাই 🫤