📖 মাধ্যমিক পর্যন্ত গণিত আর ইংরেজি ছাড়া আর কোনও বিষয়েই টিউশন ছিল না। উচ্চমাধ্যমিকের সময় দুই দিদি তাকে পড়াত, কিন্তু তারা নিজেরাও তো লড়াই করছিল।
💡 তবে দারিদ্র্য কখনও তাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি।
🎯 ২০১৪ সালে মাধ্যমিকে ৭৯% নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হয়,
🎯 ২০১৬ সালে উচ্চমাধ্যমিকে ৭৫% পায়।
🎯 এরপর রানাঘাট কলেজে গণিত অনার্স নিয়ে ভর্তি হয়।
🌟 স্বপ্ন ছিল শিক্ষক হওয়ার, কিন্তু জীবন বাধা হয়ে দাঁড়াল
👩🏫 ছোট থেকেই পিয়ালির স্বপ্ন ছিল একজন শিক্ষক হবে, অন্যদের শেখাবে।
✅ ২০১৯ সালে গণিত অনার্সে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে,
✅ তারপর D.El.Ed সম্পন্ন করে,
✅ CTET Paper 1 & 2 এবং ২০২২ সালের TET পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়।
কিন্তু 😞 ২০২৩ সাল পর্যন্ত কোনও ইন্টারভিউর ডাক আসেনি। ভালো নম্বর থাকা সত্ত্বেও প্রায় এক বছর অপেক্ষার পরেও চাকরির কোনও খবর ছিল না।
🏠 বাড়ির অবস্থা তখনও আগের মতোই খারাপ।
👩👧 মা দিনের পর দিন দোকান চালিয়ে যাচ্ছেন নিজের জন্য নয়, শুধু মেয়েদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করে গেছেন।
🔥 নতুন যুদ্ধের শুরু
💪 ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পিয়ালি সিদ্ধান্ত নিল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য নতুন করে প্রস্তুতি নেবে!
🔍 অনলাইনে ভালো কোচিং সেন্টার খুঁজতে গিয়ে সে SGSCC এর দেখা পায়।
📍 প্রথমে কল্যাণীতে, তারপর রানাঘাটে গিয়ে নিয়মিত ক্লাস করা শুরু করে।
✨ এখানে এসে সে একটা নতুন আলোর সন্ধান পেল!
📌 কীভাবে দ্রুত প্রশ্ন সমাধান করতে হয়,
📌 কোন বইগুলো গুরুত্বপূর্ণ,
📌 কোন চ্যাপ্টারগুলো বেশি পড়তে হবে—সব কিছু বুঝতে পারল!
💯 দিনরাত কঠোর পরিশ্রম
📚 সকাল ৭টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত শুধু পড়াশোনায় ডুবে থাকত!
👩🏫 মাঝে মাঝে দোকানে মাকে সাহায্য করত, SGSCC তে পড়তে যেত ও সময় পেলেই বই খুলে বসত!
🧑🤝🧑তার বন্ধু ঐন্দ্রিলা ও রিয়া তাকে সবসময় অনুপ্রেরণা দিত। বলত, "তুই ঠিক একদিন একটা সরকারি চাকরি পাবি, আর কিছু না, শুধু সেটা নিয়েই ভাব!"
🔹 তবে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা পেয়েছিল তার মেজদিদির থেকে।
📌 মেজদিদি সবসময় বই, সিলেবাস, পরীক্ষার কৌশল বুঝিয়ে দিত।
📌 নিজের পড়ার পাশাপাশি পিয়ালিকে সাহায্য করত।
📌 তার কঠোর পরিশ্রম দেখে পিয়ালিও আরও বেশি অনুপ্রাণিত হত!
📌 আরেক দিদিও 2 বছর আগে পিএসসি ক্লার্কশিপ পেল, সেও পিয়ালিকে প্রচুর সাহায্য করত সবসময়
🏆 সাফল্যের কান্না
📢 অবশেষে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে MTS পরীক্ষার জন্য নিজেকে পিয়ালি সম্পূর্ণ উজাড় করে দিল!
⏳ প্রতি…
Read in full →