ReplyPhoto
ফিরাকে বাতেলে নিয়ে কাজ করতে গেলে সবচেয়ে কষ্টকর হলো, ওদের নিকৃষ্ট কু*ফ*রি ও বেদআতি আকিদা এবং সেগুলো প্রমাণে কুরআন-সুন্নাহের জঘন্যতম বিকৃতি দেখে ঈমানি গাইরাতকে নিয়ন্ত্রিত করা৷ এই বইয়ের লেখক এক্ষেত্রে খুবই চমৎকারভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন বলেই আমার মনে হয়েছে।
যেহেতু কু*ফ*রি সংগঠন হিযবুত তাওহিদ নোংরা আকিদাগুলো দলিলের আলোকে স্পষ্ট করা এই বইয়ের উদ্দেশ্য, তাই পুরো বইতে অযথা ট্যাগবাজি এবং রাগ-ক্ষোভকে নিয়ন্ত্রণ করে দলিলের আলোকেই আলোচনাগুলো চালিয়ে যাওয়া হয়েছে। এটা আমাদের সকলের জন্য একটি উসওয়াহ হতে পারে।
.
হিযবুত তাওহীদকে আমরা অনেক হালকাভাবে নেই। তাদের প্যান্ট-শার্ট আর অযথা কিছু কাজ দেখে ভাবি, এদের রদের জন্য আর বেশি পড়াশোনার দরকার আছে নাকি! কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমাদের এই পড়াশোনা না করাটাই একেকটি ফিরাকে বাতেলাকে শক্তিশালী করে। আমাদের আজাইরা রদ আর গলাবাজিগুলোকে দেখিয়েই ওরা মানুষদেরকে নিজেদের ভ্রান্ত মতের দিকে আহবান করে থাকে।
তাই, সকল স্তরের দায়ী ও আলেমদের হিযবুত তাওহিদ বিষয়ক সচ্ছধারণা অত্যন্ত জরুরি। আর এই একটিই বই হতে পারে আপনার জন্য এই বিষয়ক অসংখ্য বই পড়া থেকেও বেশি উপকারী।
.
এই বইটি হিযবুত তাওহিদের রদে লেখা হলেও সংশ্লিষ্ট অনেক বিষয়ে এত চমৎকার ইলমি আলোচনা সমৃদ্ধ। যেমন, মিউজিক সংক্রান্ত বিষয়, নারীর চেহারা পর্দার অন্তর্ভুক্ত কি না, ইলহামের মাধ্যমে কোনো বিষয় সাব্যস্ত হওয়া, ইত্যাদি বিভিন্ন ইলমি বিষয়ে চমৎকার মুদাল্লাল আলোচনা করেছেন। আলোচনাগুলো অনেক সমৃদ্ধ এবং ইলমি ফাওয়ায়েদে ভরপুর।
.
ওলামায়ে কেরামের কাছে এই কিতাবড়া থাকা উচিত। বিশেষ করে নোয়াখালী জেলার সকল আলেমের জন্য তো এটা সংগ্রহ করা ও বারবার পড়া আবশ্যক মনে করি।
5 · 1.2K · Abdullah bin bashir
শাহ ইসমাইল শহিদ রহিমাহুল্লাহ বলেন,
"সালতানাতে কুফর" বলতে কোনো ভূখণ্ডে কাফের শাসনকে বোঝানো হয়নি। বরং এর দ্বারা উদ্দেশ্য সেই সম্প্রদায়, যারা নিজেদেরকে মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত বলে দাবি করে। কিন্তু প্রকাশ্যে কুফর আবশ্যক করে এমন কাজকর্মে লিপ্ত থাকে। শরিয়তের বিধানের বিরোধিতা ও বিদ্বেষ তাদের মধ্যে এতটাই স্পষ্ট হয়ে উঠে যে, তাদের ওপর কুফর ও মুরতাদ হওয়ার হুকুম প্রযোজ্য হয়ে যায়।
যেমন কিছু মানুষের প্রকৃতিই হয় নাস্তিকতাপ্রবণ ও জিন্দিক স্বভাবের। যদিও তারা নিজেদের মুসলিম বলে পরিচয় দেয়; কিন্তু বাস্তবে তারা আল্লাহ ও রাসুল, দ্বীন ও ধর্ম এবং কিয়ামতের ওপর বিশ্বাস রাখে না। তারা দুনিয়ার উত্থান আর পতনকেই সৌভাগ্য ও দুর্ভাগ্যের মাপকাঠি মনে করে এবং জাঁকজমক, প্রতিপত্তি ও ধনসম্পদ অর্জনকেই আসল কৃতিত্ব গণ্য করে।
সূত্র: দারুল ইসলাম ও দারুল হারব
3 · 975 · Photo
click to show
click to show
ইনশাআল্লাহ, এই মেলাতেই আসবে। মোহতামিম সাহেবদের জন্যই বইটা বেশি দরকার, বাকি তারা কী পড়বে? যাইহোক, তারা না পড়ুক, মাদরাসার সাথে সম্পৃক্ত বা সম্পৃক্ত হতে চান, এমন সবার পড়া উচিত। মাদরাসায় আন্তরিকতার সাথে দান করেন, তাদেরও পড়া উচিত, এবং আদবের সাথে ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে সেগুলোর বিষয়ে কথা বলা উচিত।
.
মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান সাহেবের খাস শাগরেদ ও কাজের সহযোগী মাওলানা রেজা সাহেব প্রায় বিভিন্ন পিডিএফ আমাকে পাঠান। কিন্তু কখনোই কোনো পিডিএফ দিয়ে বলেননি, বইটা অনুবাদ হওয়া দরকার। কখনোই না। কিন্তু যেদিন আহকামে মাদারেসের পিডিএফটা দিলেন, সেদিন বললেন, মুফতি সাহেবের অনেক ইচ্ছে এই বইটা উপমহাদেশে বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ হোক। কারণ, মাদরাসাগুলোই যদি শরয়ি দিকনির্দেশনার আলোকে পরিচালিত হতে না পারে, তাহলে পুরো সমাজ কীভাবে পরিচালিত হবে?
সেদিনই নিয়ত করে ফেলেছিলাম, বইটিই আমিই অনুবাদ করবো। কিন্তু আমার গাফলতি আর গুনাহের কারণে মহান কাজটি আমার দ্বারা হলো না। তবে, আল্লাহর কাছে এতটুকু শুকরিয়া, অল্প হলেও কাজটির সাথে আমার একটা সম্পর্ক ও পরিশ্রম রয়েছে।
.
বইটি অনুবাদ করেছেন, আমাদের মাদরাসাতি আলী রা.-এর সাবেক ছাত্র মাওলানা জাহিদ। আল্লাহ তাকে কবুল করুন।
3 · 1K · Abdullah bin bashir
Link
click to show
click to show
এখন পর্যন্ত সিরাত নিয়ে ইমরান রাইহান তার সবচেয়ে সেরা আলোচনাটা করে ফেলেছেন।
সামনে হয়তো আরও ভালো আলোচনা আসবে। তবে এখন পর্যন্ত এটাই সবচেয়ে সেরা আলোচনা। আলেম, তালিবুল ইলম, জেনারেল—সবার জন্য অবশ্যই শোনার মতো আলাপ। এই আলোচনা গত ৩ বছরে তার সিরাতকেন্দ্রিক ট্রান্সফরমেশনের সুস্পষ্ট দলিল।
বারাকাল্লাহু ফিহ।
©মাহমুদ সিদ্দিকি
https://youtu.be/IoukQaxee04?si=voKO1pCdXOsTAg_X
16 · 1K · আমাদের মাঝে একটি ব্যাপক প্রচলিত হলো, ভারতবর্ষকে সর্বপ্রথম দারুল হা*ব ফতোয়া দেন শাহ আব্দুল আজিজ দেহলবি রহিমাহুল্লাহ। অর্থাৎ, ইংরেজরা ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল দখল করার পর। কিন্তু ভারতের বিখ্যাত মুহাক্কিক নুরুল হাসান রাশেদ কান্ধলবি হাফিজাহুল্লাহের তাহকিক মতে এই কথার কোনো ইলমি ভিত্তি নেই। তার মতে, ইংরেজরা ভারতবর্ষে আসারও বহু আগে শাহ ওলিউল্লাহ মুহাদ্দেসে দেহলবি ও সে সময়ের আলেমগণ ভারতের তৎকালীন পরিবেশ দেখে ভারতলে দারুল হা*ব ফতোয়া দেন। বিস্তারিত জানতে আমার অনূদিত ও সদ্য প্রকাশিত “দারুল ইসলাম ও দারুল হা*ব” বইটির প্রথম পরিশিষ্ট।
হযরত নুরুল হাসান রাশেদ কান্ধলবি সাহেব লেখেন,
//এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট করা প্রয়োজন। যখন আলেমদের ভারতকে দারুল হারব ঘোষণার প্রাথমিক ফতোয়াগুলো আলোচনা করা হয় এবং ভারতীয় উপমহাদেশের ধর্মীয়, বুদ্ধিবৃত্তিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসে সেগুলোর প্রভাব মূল্যায়ন করা হয়, তখন সাধারণত বলা হয় যে, তাদের এই সংগ্রাম ও প্রচেষ্টা ছিল কেবল ইংরেজদের বিরুদ্ধে এবং তাদের রাজনৈতিক চিন্তার মূল লক্ষ্যও ছিল ইংরেজ শাসনের বিরোধিতা। কিন্তু এ ধারণার পক্ষে কোনো শক্তিশালী ইলমি ভিত্তি নেই।
বাস্তবে তাদের ফতোয়াগুলো জারি হয়েছিল এমন সব ক্ষমতালোভী শক্তি এবং অত্যাচারী বলয়ের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের কারণে, যারা ইংরেজদের এ ভূখণ্ডে আগমনেরও আগে মুসলমানদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছিল। তাদের কারণে মুসলমানদের সম্মান, জীবন ও সম্পদ সর্বক্ষণ ছিল হুমকির মুখে। যে যখন ইচ্ছা মুসলমানদের হত্যা করত, তাদের নারীদের সম্ভ্রমহানি ঘটাত এবং তাদের ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করত।
আলেমদের প্রথম ও মৌলিক ফতোয়াগুলো মূলত এসব পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করেই প্রদান করা হয়েছিল। হজরত শাহ ওলিউল্লাহ ও হজরত মির্জা মাজহার জানেজানার রচনায় এ বিষয়ে সুস্পষ্ট বক্তব্য রয়েছে। হজরত শাহ আবদুল আজিজের ফতোয়াতেও এর ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তাই এসব ফতোয়াকে কেবল ইংরেজ শাসনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে দেখা ন্যায়সংগত নয়।//
3 · 1K · Photo
click to show
click to show
মাদরাসা প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা এবং সেখানে পঠন-পাঠন—দীনি শিক্ষার প্রসারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে বিষয়টি একই সঙ্গে বেশ স্পর্শকাতরও। এখানে সামান্য বিচ্যুতিও কখনো কখনো ডেকে আনতে পারে মারাত্মক সমস্যা।
বর্তমানে দীনি মাদরাসাগুলোর অগ্রযাত্রার পথে যে নানা প্রতিবন্ধকতা ও সংকট দেখা দিচ্ছে, তার অন্যতম কারণ হলো—মাদরাসা পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে শরিয়তের নির্দেশনাকে যথাযথ গুরুত্ব না দেওয়া। ফলে অনেক মাদরাসাই তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে।
তাই সময়ের প্রয়োজন ছিল, শরিয়তের আলোকে মাদরাসা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা তুলে ধরা।
‘আহকামে মাদারেস’ সেই প্রয়োজনকে সামনে রেখেই একটি প্রয়াস। মাদরাসার শিক্ষা, পরিচালনা, প্রশাসন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, দায়িত্ব-কর্তব্য ও ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে।
বই: আহকামে মাদারেস (মাদরাসা পরিচালনা সংকট, সমাধান ও শরয়ি নীতিমালা)
লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান
অনুবাদ: মাওলানা জাহিদ হাসান
প্রচ্ছদ মূল্য: ২৪০৳
প্রি-অর্ডার মূল্য: ১৬৮৳
বধাইয়ের ধরণ: পেপারব্যক
অর্ডার করতে চেতনার পেইজ অথবা যেকোনো অনলাইন শপে মেসেজ করুন।
5 · 1K · Video
11.8 MB · click to show
11.8 MB · click to show
চাঁদপুর তিনমোহনার পাড়ে মাটিতে শুয়ে আছি। সাথে আছে চাঁদ, মুগ্ধতায় ভরা বাতাস আর নাতে রাসুল।
2 · 1K · Abdullah bin bashir
উসমানি খেলাফতের শেষ সময়ের শাইখুল ইসলাম শায়খ মুস্তফা সবারি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু ১৩৭৩ হি.) তার জগৎবিখ্যাত "মাওকিফুল আকলি ওয়াল ইলমি" গ্রন্থের টীকায় লেখেন,
دار الإسلام في عرف الفقهاء تطلق على البلاد التي يحكم فيها بقوانين الإسلام، ويسمى خلافها دار الحرب موقف العقل و العلم والعالم ١/ ٣٦، ط. دار الكتب العلمية، الطبعة الأولى - ١٤٤٢ هـ)
ফকিহগণের পরিভাষামতে দারুল ইসলাম ওই দেশগুলোকে বলা হবে যা পরিচালিত হয় ইসলামি আইন অনুযায়ী। এর বিপরীত যা আছে সব দারুল হারব।
উক্ত কিতাবেরই অপর এক টীকায় তিনি লেখেন,
وقد قلنا في مقدمة الكتاب: إن مدار الفرق بين دار الإسلام، ودار الحرب على القانون الجاري أحكامه في تلك الديار، كما أن فصل الدين عن السياسة معناه أن لا تكون الحكومة مقيدة في قوانينها بقواعد الدين . (موقف العقل و العلم والعالم (٢٥٠/٤)
ভূমিকায় আমি যা বলেছি, দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের মাঝে পার্থক্যের মূল ভিত্তি হলো রাষ্ট্রসমূহের মাঝে বিদ্ধমান আইনকানুন। যেমন ধর্মকে রাষ্ট্র থেকে আলাদা করার অর্থই হলো রাষ্ট্রটি তার আইনকানুনে দ্বীনের বিধানমতে চলতে বাধ্য নয়।
...
সূত্র : দারুল ইসলাম ও দারুল হারব
7 · 851 · ইমাম ইবনে জামায়ার দৃষ্টিতে “শরীয়াহ” ও তা প্রয়োগ
.
এক.
ইমাম ইবনে জামায়াহ রহিমাহুল্লাহ তার জগত বিখ্যাত “তাহরিরুল আহকাম” গ্রন্থে রাষ্ট্রে শরীয়াহ বলতে কী বুঝায়, এবং তার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করেছেন। প্রথমে তিনি একটু দারুল ইসলামে খেলাফত, খলিফা, মন্ত্রী, ইমারাতে আম্মাহ, খাসসাহ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি ইমামের দায়িত্ব আলোচনায় লেখছেন, দারুল ইসলামে ইমামের প্রথম দায়িত্ব শরিয়াহ প্রতিষ্ঠা করা, এরপর স্বতন্ত্র একটি অধ্যায় কায়েম করে শরিয়াহ কী, এবং তার বাস্তবায়ন সমাজে কীভাবে তা নিয়ে আলাপ করেন।
.
ইবনে জামায়াহ রহিমাহুল্লাহ প্রথমে শরিয়ার পরিচয় তুলে ধরেন এভাবে,
الشريعة هي: المحجة التي جاء بها الرسول ﷺ وسنها، وأوجب اتباعها وصونها، وهي إلى الله أقصد سبيل؛ لأن مبناها على الوحي والتنزيل. والخير كله في اتباعها، والشر كله في ضياعها
শরিয়ত হলো সেই সুস্পষ্ট পথ, যা রাসুলুল্লাহ ﷺ নিয়ে এসেছেন, প্রতিষ্ঠা করেছেন, অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছেন এবং যার সংরক্ষণের দায়িত্ব দিয়েছেন। এটি আল্লাহর দিকে পৌঁছার পথ; কারণ এর ভিত্তি ওহি ও নাজিলকৃত বিধানের ওপর প্রতিষ্ঠিত। এর অনুসরণেই রয়েছে যাবতীয় কল্যাণ, আর এর বিনষ্টির মধ্যেই রয়েছে যাবতীয় অকল্যাণ।
শরিয়ার এই পরিচয় ভালো করে অনুধাবন করতে পারলে আমাদের সমাজে শরিয়াহের উপর করা বহু আপত্তির জবাব দেওয়া সম্ভব। এই পরিচয় থেকেই অনেক আপত্তির জবাব চলে আসে। আমরা রাষ্ট্রে শরিয়াহ চাই বলতে কী বুঝাই, তা ইবনে জামায়ার ইবারত থেকে স্পষ্ট।
.
দুই.
এরপর ইবনে জামায়াহ রহিমাহুল্লাহ আলোচনা করেছেন, দুনিয়াতে এই মহান শরিয়াহের রক্ষক কে তা নিয়ে। তিনি লেখেন,
وقد جعل لها حماة يقيمون منارها ، وحملة يحفظون شعارها ،
فحماتها الملوك والأمراء، وحفاظها هم الأئمة العلماء.
আল্লাহ শরিয়তের জন্য এমন কিছু রক্ষক নির্ধারণ করেছেন, যারা এর দীপশিখা প্রজ্বলিত রাখেন এবং এমন কিছু বাহক নির্ধারণ করেছেন, যারা এর নিদর্শন সংরক্ষণ করেন। এর রক্ষক হলেন রাজা ও শাসকগণ, আর এর সংরক্ষণ ও বহনের দায়িত্বে রয়েছেন আলেমগণ।
এটা থেকে স্পষ্ট শরিয়াহ রক্ষার দায়িত্ব শুধুই আলেমদের নয়। বরং মুসলিম শাসকগণও এর রক্ষক। এখান থেকে আরেকটি অর্থও চাইলে বের করা সম্ভব, শরিয়াহর রক্ষণাবেক্ষণের জন্য শুধু ইলমই যথেষ্ট নয়, শক্তিরও প্রয়োজন রয়েছে।
.
তিন.
দারুল ইসলামে শরিয়াহর আকাঙ্খা, শরিয়াহের মূল্যবান ও নিয়মকানুনগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন হবে, সে বিষয়ে ইবনে জাম
5 · 769 · বিশিষ্ট কালামি আলেম ড. সাইদ ফুদাহ হাফিজাহুল্লাহ লেখেন,
فكون الشعب في أغلبه مسلما، فاختار لذلك أحكامًا إسلامية، لا يكفي أن يجعل الدولة إسلامية أصلاً، ولا يحل مشكلة الدولة، ولا يجعل الطريقة الديمقراطية إسلامية في جوهرها، لأن أخذ الأحكام في الدولة ينبغي أن يكون باعتبار كونها ناشئة من الإسلام والشريعة الإسلامية، ولو حصل أن اتفق وجود دولة أحكامها غير مخالفة للشريعة الإسلامية، ولكنها لم تعتبر عدم المخالفة للإسلام شرطًا في أخذ أحكامها في الدستور، بل أجازت ذلك ولكن حصل أنها لم تخالفه في مدة معينة، لما كان ذلك كافيًا لوصف الدولة بأنها إسلامية، ولما صح أن يقال إن هؤلاء قد أقاموا دولة إسلامية، أو أنهم قاموا بالواجب عليهم من إقامة الدولة
জনসংখ্যার অধিকাংশ মুসলিম হওয়ায় যদি কোনো রাষ্ট্র ইসলামি কিছু বিধান গ্রহণও করে, তাতে রাষ্ট্রটি মূলত ইসলামি রাষ্ট্র হয়ে যায় না; রাষ্ট্রের সমস্যারও সমাধান হয় না। এমনকি এর ফলে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিটিও মৌলিকভাবে ইসলামি হয়ে যায় না। কারণ রাষ্ট্রে কোনো বিধান গ্রহণের ভিত্তি হতে হবে—উক্ত বিধানটি ইসলাম ও ইসলামি শরিয়তের থেকে সৃষ্ট, এই ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত কি না।
ধরা যাক, কোনো রাষ্ট্রের গৃহীত বিধানগুলো শরিয়তবিরোধী নয়; কিন্তু সংবিধানে বিধান গ্রহণের ক্ষেত্রে ইসলামবিরোধী না হওয়াকে শর্ত হিসেবে ধরা হলো না। বরং ইসলামবিরোধী বিধান গ্রহণেরও সুযোগ রাখা হলো। এখন একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বাস্তবে যদিও গৃহীত কোনো বিধানই ইসলামের বিরোধী না হয়, তবুও এটুকু রাষ্ট্রটিকে ইসলামি রাষ্ট্র হিসেবে আখ্যায়িত করার জন্য যথেষ্ট হবে না। এটাও বলা যাবে না যে, তারা ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছে কিংবা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার যে দায়িত্ব তাদের ওপর ছিল, তারা তা পালন করেছে।
5 · 667 · ড. সাইদ ফুদাহ আরো বলেন,
وإذا لم يكن عندنا القدرة على ذلك، لظروف عالمية معينة، ولضعفنا الظاهر، ولتكالب الناس علينا، فلا يصح لنا أن نحرف هذه المفاهيم لتكون قريبة إلى المفاهيم العلمانية، بما يؤدي إلى إسباغ صفات إسلامية على ما هو غير إسلامي.
ولا يشترط للمسلم لكي يعيش في دولة أن تكون الدولة إسلامية، فكثير من المسلمين يعيشون في دول غربية وشرقية، والجميع مطبق على أنها غير إسلامية. وكذلك لا يصح أن نقول على الدول العربية إنها دول إسلامية، واصفين النظام بالإسلامي مغالطين في ذلك لاعتمادنا على أن أكثر أفراد الشعب مسلمون ومن أين يأتي التلازم بالحكم على الدولة بالإسلامية المجرد كون أفرادها مسلمين، والحال أنها غير حاكمة بالإسلام، مصرحة بأنها تتخذ المناهج الغربية في الحكم في دستورها وقوانينها غير خالصة منها ما هو موافق للإسلام ومنها ما هو مخالف؟!
বৈশ্বিক পরিস্থিতি, আমাদের প্রকাশ্য দুর্বলতা এবং চারদিক থেকে আমাদের উপর শত্রুর আক্রমণ এসকল কারণে আমাদের যদি ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার সামর্থ্য না থাকে, তবুও আমাদের জন্য ইসলামি রাষ্ট্রের ধারণাকে এমনভাবে বিকৃত করা সঙ্গত নয়, যাতে তা ধর্মনিরপেক্ষ ধারণার কাছাকাছি চলে আসে। কারণ, এর ফলে যা ইসলামি নয়, তার ওপরও ইসলামি বৈশিষ্ট্য আরোপ করা হবে।
কোনো মুসলিম কোনো রাষ্ট্রে বসবাসের করলেই সেই রাষ্ট্র ইসলামি হওয়া আবশ্যক হয়ে যায় না। বহু মুসলিম পশ্চিমা ও প্রাচ্যের বিভিন্ন রাষ্ট্রে বসবাস করে, অথচ সেসব রাষ্ট্র ইসলামি নয়—এ বিষয়ে সবাই একমত।
একইভাবে, আরব রাষ্ট্রগুলোকে ইসলামি রাষ্ট্র বলাও সঠিক নয়। অধিকাংশ নাগরিক মুসলিম—এই যুক্তিতে সেখানকার রাষ্ট্রব্যবস্থাকে ইসলামি আখ্যা দেওয়া নিছক বিভ্রান্তি। জনগণ মুসলিম হলেই রাষ্ট্র ইসলামি, এটা কোনো অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক নয়। আর এসব রাষ্ট্র ইসলাম অনুযায়ী শাসিতও নয়; বরং তাদের সংবিধান ও আইনেই স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে তারা শাসনব্যবস্থায় পশ্চিমা পদ্ধতি অনুসরণ করে। আর এসব আইনও ইসলামের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়; এর কিছু বিধান ইসলামের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, আবার কিছু বিধান ইসলামের পরিপন্থী।
4 · 936 · ড. ফুদাহ লেখেন,
أن سماح الدولة لأفرادها المسلمين بأداء الشعائر أو بعض الأحكام الخاصة لا يجعل منها دولة موصوفة أنها إسلامية حقيقة أو ناشئة عن الإسلام واقعيا،
কোনো রাষ্ট্র তার মুসলিম নাগরিকদের ইবাদত-বন্দেগি বা কিছু ব্যক্তিগত শরয়ি বিধান পালনের সুযোগ দিলেই সেই রাষ্ট্রকে প্রকৃত অর্থে ‘ইসলামি রাষ্ট্র’ বলা যায় না, কিংবা বাস্তবিক অর্থে তাকে ইসলামের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রও বলা যায় না।
4 · 880 · Abdullah bin bashir
ড. সাইদ ফুদাহ বলেন,
طريقة إقامة الدولة الإسلامية المثلى التي أراها وأعتقد بها عن طريق الجهاد بتغيير قناعات نسبة لا بأس بها من البشر، ولا يشترط أن تتغير قناعات جميعهم. ثم بعد ذلك يتم العمل على إقامة النظام الإسلامي بطريقة عادلة لنا ولهم في تلك الرقعة من الأرض. وقد عبرت عن ذلك في كتابات لي متقدمة بأن الطريق إلى إقامة الدولة الإسلامية هي امتلاك القوة المادية والمعنوية، فأما المادية فأمر معلوم، ولكنه بعيد المنال في هذا الزمان، وأما المعنوية فإجماله بما ذكرت، ولكنه طريق طويل لأن شروطه الواقعية تستلزم هذا الطول. ويوجب على العاملين الالتزام والجدية الهائلة في العمل، وعدم الاضطراب وتغير القناعات كما نرى ذلك حاصلاً في كثير من العاملين لهذا الهدف في زماننا
আমার দৃষ্টিতে ও আমার বিশ্বাস অনুযায়ী ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আদর্শ পদ্ধতি হলো—জিহাদের মাধ্যমে মানুষের একটি উল্লেখযোগ্য অংশের চিন্তা ও বিশ্বাস পরিবর্তন করা। তবে সবার বিশ্বাস পরিবর্তন হওয়া শর্ত নয়। এরপর সেই ভূখণ্ডে ন্যায়সংগতভাবে—আমাদের জন্যও এবং তাদের জন্যও—ইসলামি ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কাজ করতে হবে।
আমার আগের কিছু লেখায় আমি বিষয়টি এভাবে ব্যক্ত করেছি যে, ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথ হলো বস্তুগত ও নৈতিক—উভয় ধরনের শক্তি অর্জন করা। বস্তুগত শক্তির বিষয়টি সুপরিচিত; তবে বর্তমান সময়ে তা অর্জন করা অনেক দূরের ব্যাপার। আর নৈতিক শক্তির সারকথা হলো, যা আমি ইতিমধ্যে উল্লেখ করেছি। তবে এ পথ দীর্ঘ; কারণ বাস্তব পরিস্থিতির দাবি অনুযায়ী এর জন্য দীর্ঘ সময় প্রয়োজন।
এ জন্য যারা এ লক্ষ্য অর্জনে কাজ করবেন, তাদের বিপুল নিষ্ঠা ও গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করে যেতে হবে। একই সঙ্গে তাদের অস্থিরতা পরিহার করতে হবে এবং নিজেদের বিশ্বাস ও অবস্থান বারবার পরিবর্তন করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অথচ আমাদের সময়ে এ লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা অনেকের মধ্যেই এর বিপরীত চিত্র দেখা যায়।
5 · 950 · ড. সাইদ ফুদাহ বলেন,
ولا يخفى أن أكثر الذين يتكلمون في هذه المسائل من أهل العصر متأثرون بالأفكار الغربية الليبرالية، ويحاولون قدر ما يستطيعون وما لا يستطيعون أن يصبغوا الإسلام بصبغة الليبرالية، وكثير منهم لضحالة فكرهم يعتقدون فعلا أن ما يقصدونه صحيح. ولكن مجرد الاعتقاد لا يكفي لتصحيح المراد .
সমকালীনদের মধ্যে যারা রাষ্ট্র ও রাজনীতি বিষয়ে কথা বলে থাকে, তাদের অধিকাংশই পশ্চিমা লিবারেল চিন্তাধারায় প্রভাবিত। তারা তাদের সাধ্য ও অসাধ্য, সবটুকু দিয়ে ইসলামকে লিবারেলিজমের রং রাঙিয়ে তোলার চেষ্টা করেন। তাদের অনেকেই চিন্তার অগভীরতার কারণে সত্যিই বিশ্বাস করেন যে, তারা যা বলতে চাইছেন, সেটিই সঠিক। কিন্তু কোনো কিছুকে শুধু সঠিক বলে বিশ্বাস করলেই তা বাস্তবে সঠিক হয়ে যায় না।
2 · 1K · Photo
click to show
3 · 987 · click to show
Abdullah bin bashir
ড. সাইদ ফুদার কলম থেকে ৪
.
বিশিষ্ট মুতাকাল্লিম আলেম ড. সাইদ ফুদা রাষ্ট্রের সংবিধান সংক্রান্ত একটি জরুরি বিষয়ের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। ড. সাইদ ফুদা সাহেবের দাবী হলো, বর্তমান আরব রাষ্ট্রগুলোকেও শরয়ি অর্থে ইসলামি রাষ্ট্র বলার সুযোগ নাই। এর উপর এই আপত্তি তোলা হয়, এই রাষ্ট্রগুলোতে ইসলামকে আইনের উৎস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তাহলে এগুলোকে কেনো ইসলামি রাষ্ট্র বলা হবে না?
সাইদ ফুদাহ সাহেব উত্তর দিচ্ছেন, ইসলামকেও আইনের উৎস মানা বা প্রধান উৎস মানা একজিনিস আর ইসলামকে একমাত্র উৎস বানানো সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিষ। একটি ভূখণ্ড দারুল ইসলাম বা ইসলামি রাষ্ট্র হওয়ার জন্য জরুরি হলো, সেখানের আইনের একমাত্র উৎস হবে ইসলাম। প্রধান বা সহযোগী উৎস নয়।
দ্বিতীয়ত, ইসলামকে আইনের উৎস মেনে তাকে সম্পূর্ণ অকার্যকর করে রেখে অন্য বিষয়গুলোকে আইনের উৎস বানানো, কার্যত অন্য উৎসগুলো থেকেই আইন নিয়ে পরিচালনা করা, এটাও একটি ভূখণ্ড দারুল ইসলাম হওয়ার পথে প্রতিবন্ধক।
ড. সাইদ ফুদা সাহেব লেখেন,
‘পশ্চিমা কিছু রাষ্ট্রেও তাদের নাগরিকদের বিভিন্ন মাত্রায় ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের সুযোগ দেওয়া হয়। আমরা দেখেছি, কিছু আরব রাষ্ট্র—যেমন সিরিয়া—নিজেদের সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করেছে এবং একই সঙ্গে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বলে উল্লেখ করেছে। আবার লেবাননের মতো কিছু আরব রাষ্ট্র কখনোই ঘোষণা করেনি যে তাদের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। তা সত্ত্বেও এসব রাষ্ট্রের নাগরিকদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন এবং ব্যক্তিগত বিষয়ে ধর্মীয় বিধান অনুসরণের সুযোগ রয়েছে।....
তবে এখানে একটি বিষয় লক্ষ করা জরুরি—যেসব সাংবিধানিক ধারার কথা আমরা বলছি, আরব রাষ্ট্রগুলোর অধিকাংশ সংবিধানে ইসলামকে আইনের একমাত্র উৎস বলা হয়নি। বরং অধিকাংশ সংবিধানে ইসলামি শরিয়তকে আইন প্রণয়নের প্রধান উৎস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন, বাহরাইনের সংবিধানে বলা হয়েছে, ইসলামি শরিয়ত আইন প্রণয়নের প্রধান উৎস। মিসরের সংবিধানে বলা হয়েছে, ইসলামি শরিয়তের মূলনীতিসমূহ আইন প্রণয়নের প্রধান উৎস। সিরিয়ার সংবিধানে বলা হয়েছে, ইসলামি ফিকহ আইন প্রণয়নের প্রধান উৎস। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংবিধানেও বলা হয়েছে, ইসলামি শরিয়ত আইন প্রণয়নের প্রধান উৎস। আবার কিছু আরব রাষ্ট্রে এ ধরনের কোনো কথাই বলা হয়নি। আর কোনো কোনো রাষ্ট্রে এমন কথা বলা হয়েছে যে, সেখানে ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো বিধান কার্যকর নয়; কিন্তু বাস্তব পরিস
4 · 1K · চরমোনাই পীর বা চরমোনাই পন্থী কারো তাহরিফ নিয়ে আমার এখন আর লেখতে আগ্রহ জাগে না৷ তাই এসব পোষ্টে মেনশন করবেন না দয়া করে৷ যারা চরমোনাইয়ের পীরদের কাচাকাচা তাহরিফ বুঝে না, তাদেরকে জিব্রিল এসে বুঝালেও হয়তো বুঝবে না।
রাজনীতির ময়দানে জামাত যেগুলো বদহজম করে বুমি করে, সেগুলোই চরমোনাই পায়েশ মনে করে খেয়ে নেয়। ভাবে নতুন কোনো ইলম পাইছে। কারযাবী আর গানুশিরে তাদের কেন্দ্রীয় মারুফরা এখন পীর সাহেবের মুখ দিয়ে বের করে আনতেছে। এটাই হলো আনন্দের! (একটা দল এত এত আলেমের তত্ত্বাবধানে প্রতিনিয়ত গোমরাহির দিকে দৌঁড়াচ্ছে তা দেখে আফসোস ছাড়া আর কিছুই করার নাই আমার আপাতত।)
যাইহোক, আমরা দেখতে থাকি, কারযাবি আর গানুশিকে মারুফরা চরমোনাইয়ের ঠিক কতটা ভিতরে প্রবেশ করিয়ে কোন লেভেলের গোমরাহ বানাইতে পারে, আর তাদের আলেম উইং সেটার উপর ঠিক কতটুকু চুপ থেকে ইসলাহ চালিয়ে যেতে পারে।
3 · 940 · Abdullah bin bashir
জামাতের কোটার এমপি মারদিয়ারে তসলিমার সাথে দেখি অনেকে তুলনা দিচ্ছেন। তুলনাটা ঠিক হচ্ছে কি না, সেটা বড় ইস্যু না৷ ইস্যু হলো, দ্বীন বিকৃতিতে এটাই হলো জামাতের আসল রূপ।
আসল রূপ বলতে, জামাতের সংবিধানে যাই থাকুক, প্রায়োগিকভাবে জামাত দ্বীনের বিজয়ের নামে দ্বীনের গলায় সর্বোচ্চ ছুরি চালায়। এটাই তাদের অভ্যাস। এটাই তাদের রাজনীতি।
জামাতকে চিনতে হলে নিকৃষ্ট নারীবাদের সফট ভার্সনের প্রচারক মারদিয়াকে দেখাই যথেষ্ট।
2 · 798 · ReplyPhoto
মুহতামিম হওয়ার যোগ্যতা ও মাপকাঠি
হানাফি ফুকাহায়ে কেরামের নিকট ওয়াকফের মুতাওয়াল্লি হওয়ার জন্য মৌলিকভাবে দুটি শর্ত-
১. আমানতদার ও বিশ্বস্ত হওয়া;
২. ওয়াকফের উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনগুলো ভালোভাবে বুঝে তা সর্বোত্তমভাবে সম্পাদন করার যোগ্যতা থাকা।
শর্ত দুটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যদি দুটি শর্তের কোনো একটি মুতাওয়াল্লির মাঝে অনুপস্থিত তাহলে তাকে দায়িত্ব দিয়ে ওয়াকফের কল্যাণ আশা করা বৃথা। বরং এতে উল্টো নানান ধরনের দীনি ও আখলাকি ক্ষতির আশংকা রয়েছে।
মুতাওয়াল্লি আমানতদার না হলে ওয়াকফের সম্পদে সে যে খিয়ানত করবে, তার ক্ষতি অবর্ণনীয়। আর যদি সে আমানতদার হয় ঠিক, তবে ওয়াকফের প্রয়োজন ও উদ্দেশ্যগুলো না বুঝে কিংবা বুঝে তবে সেগুলোকে বাস্তবায়ন করার যোগ্যতা না রাখে; তাহলে মুতাওয়াল্লি নিযুক্ত করার উদ্দেশ্যই অপূর্ণ থেকে যাবে। কারণ সে একটা অকার্যকর অঙ্গের মতো বেকার ও প্রভাবহীন হয়ে পড়ে থাকবে। ফলে এ ওয়াকফের কোনো উপকারিতা সমাজে পৌঁছোবে না। উল্টো ভবিষ্যতে ওয়াকফের এ ধারাবাহিকতা বন্ধ হয়ে যাওয়ারও সমূহ আশংকা রয়েছে।
তাই মাদরাসার মুহতামিম নিয়োগের ক্ষেত্রে এ দুটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। অর্থাৎ সে তার দৈনন্দিন যাপিত জীবন ও পারস্পরিক লেনদেনে আমানতদার হওয়া এবং জীবন চলার পথে কোনো প্রকার খিয়ানতের শিকার না হওয়া। তাহলে ভবিষ্যতে মাদরাসা সংক্রান্ত যেকেনো বিষয়ে তার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখা যাবে। পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে, মাদরাসা প্রতিষ্ঠা, পরিচালনা ও মাদরাসা সংক্রান্ত যাবতীয় অভ্যন্তরীন ও বহিরাগত মুআমালা বুঝে সঠিকভাবে আঞ্জাম দেওয়ার মতো যোগ্যতা যেন তার থাকে। কারণ কেবল দীনদারি ও সুনাম-সুখ্যাতির দ্বারা মাদরাসার উদ্দেশ্য পূর্ণ হবে না।
এখন প্রশ্ন হলো, মাদরাসার তাকাজা ও প্রয়োজনগুলো কী কী? এ প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন প্রথমত এ কারণে নেই যে, যুগ ও পরিবেশভেদে প্রয়োজন বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। তাই এক্ষেত্রে 'দুয়ে দুয়ে চার'-এর মতো স্পষ্ট ও সুনির্ধারিত কোনো মূলনীতি নির্ধারণ করা বেশ জটিল এবং অনুপযোগীও। দ্বিতীয়ত, তাত্ত্বিকভাবে এ প্রশ্নের উত্তর খোঁজার পরিবর্তে প্রয়োজনের মুহূর্তে সার্বিক অবস্থা অবগত করে স্থানীয় হকপন্থী আলিমদের
1 · 693 · File
আহকামে_মাদারেস_শর্ট_পিডিএফ.pdf · 5.1 MB · click to show
আহকামে_মাদারেস_শর্ট_পিডিএফ.pdf · 5.1 MB · click to show
আহকামে মাদারেসের শর্ট পিডিএফ। বইটা আপনারা অনেক অনেক প্রচার কইরেন। দরকার।
7 · 655 · জামাতের কোটার এমপি মারদিয়া বা ছাত্রী উইংয়ের যারা এই বিশ্বাস করেন, ইসলামে মুসলিম নারীদের জন্য পোষাকে কোনো বাধ্যবাধকতা নাই, এবং এগুলো বিশ্বাসের জায়গা থেকে প্রচার করেন, তাদের উচিত নিজের বিশ্বাসের শুধু মৌখিক প্রচারক না হয়ে আমলে জীবনে এর প্রয়োগ দেখানো।
এটা তো হয় না, আপনি নারীদের হাফপ্যান্ট পড়ার পক্ষে কথা বলবেন কিন্তু নিজেরা শালীন পোষাক পড়ে ঘুরবেন।
মারদিয়া আপুর তো আর হাফপ্যান্ট পড়ার বয়স নাই, কিন্তু হিজাব আর বোরকাটা খুলে শাড়ি বা থ্রিপিস পড়ে সংসদে যান, ফটোশুট করেন৷ তবে যদি আপু মনে করেন, এখনো উনার সেই বয়স ও খাহেশ আছে, তাহলে তো আরো ভালো। আপনার মুখ ও কর্মের মিল দেখিয়ে শাহবাগীদের মুখবন্ধ করে দিন।
আর অন্যরা হাফপ্যান্ট আর টাইট গ্যাঞ্জি বা অন্যকিছু পড়ে খেলাধুলা ইত্যাদি করেন। এতে আল্লাহকে খুশি করার সাথে শাহবাগীরাও খুশি হবে। আপনাদের ক্ষমতায় যাওয়ার পথ সুগম হবে কারণ আপনারা মুখে যতই বলেন, আমল করে যদি মেয়েদের যেকোনো পোশাক পড়ার অধিকার ইসলামে আছে, সেটা প্রমাণ ক্ক্রে জায়েযের পক্ষে অবস্থান না নেন, শাহবাগি আর এলিট শ্রেণীরা আপনাদের জীবনেও বিশ্বাস করবে না৷
3 · 638 · Abdullah bin bashir
গনতন্ত্রের প্রত্যেকটা শাখাকে ইনিয়েবিনিয়ে জায়েয বানানো হলো, স্পষ্ট ভাষায় বলা হলো, গণতন্ত্রের মধ্যে থেকেই দ্বীন কায়েমের চেষ্টা করতে হবে, ভিন্নকিছু ফিতনা, এই সবকিছু করার পর কওমীরা কেনো জামাতে যোগ দিচ্ছে, এই পেরেশানিটাই কাছে বেশ আজগবি লাগে!
গণতন্ত্রের সবই যদি বৈধই হয়, তাহলে ইসলামের নামে গণতন্ত্রের শিরোনামে সবচেয়ে সফল দল জামাতের প্রতি ঝুকবে না কেন পোলাপান?
গণতন্ত্রের নোংরামিতে হাত তো সুযোগ পেলে সবাই ময়লা করে, জামাত হয়তো তুলনামূলক বেশি করে, এতটুকুই তো? তাহলে কতক হুজুরদের লেখনী অনুযায়ী গণতন্ত্রের মাধ্যমে দ্বীন প্রতিষ্ঠা বা রাজনৈতিক দায়িত্বপালন করতে ইচ্ছুক তালেবে ইলমের জন্য উত্তম আদর্শ আসলে কোন ইসলামি দলে?
3 · 324 ·