English
Open in Telegram
AAthari (Bengali)

Athari (Bengali)

✅ High trust
@bENGALISALAFIPDF · channel · Education · indexed since 2026-07-04
2 104subscribers
203average post reach
9.6%ER — reach to subscribers
11posts in 30 days
Athari (Bengali)
কিছু সময়ের জন্য আপনার মোবাইলটা রেখে পরীক্ষা করে দেখুন। মোবাইলটা বন্ধ করে বিক্ষিপ্ততা থেকে মুক্ত হোন। এরপর পুরো সময়টা কুরআন পড়া, বই পড়া কিংবা কোনো লেকচার শুনে ব্যয় করুন। দেখবেন আপনার জীবন গড়ার মতো অঢেল সময় আছে, যা আপনি দেখতে পাচ্ছেন না। বই : প্রোডাক্টিভিটি লেসনস, পৃ. ৫৬
2 · 292 ·
জিন্নাহ ও নামাজ _______________________________________ ১৯৩৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর পাটনায় মাওলানা সাইয়্যিদ মুরতাজা হাসান চাঁদপুরী (রহিমাহুল্লাহ) এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল কায়েদে আজম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। প্রতিনিধিদলে ছিলেন মাওলানা মুফতি মুহাম্মাদ শফি, মাওলানা শাব্বির থানভী, মাওলানা আবদুল জব্বার আবু হারী, মাওলানা আবদুল গনী ফুলপুরী এবং মাওলানা মুআজ্জম হুসাইন আমরোহী (রহিমাহুমুল্লাহ)। দেওবন্দি আলেম মাওলানা শাব্বির থানভী কায়েদে আজম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহকে একজন মহান নেতা হিসেবে স্বীকার করতেন। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, জিন্নাহ নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করতেন না। তাই তিনি তাঁকে এ বিষয়ে নসিহত করার সিদ্ধান্ত নেন। যেহেতু তিনি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ছিলেন, তাই মাওলানা থানভী জিন্নাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগ পান এবং তাঁকে জিজ্ঞেস করেন: “আপনি আপনার সমাবেশগুলোতে মানুষকে ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি দিতে উৎসাহিত করেন কেন?” জিন্নাহ উত্তর দেন: “কুফরের শক্তিগুলোর অন্তরে ভয় সঞ্চার করার জন্য।” মাওলানা থানভী বললেন: “আমি কি এর চেয়েও উত্তম একটি বিষয় আপনাকে পরামর্শ দিতে পারি?” জিন্নাহ বললেন: “অবশ্যই, বলুন।” মাওলানা থানভী পরামর্শ দিলেন: “মানুষকে জামাতের সঙ্গে সালাত আদায় করতে বলুন।” জিন্নাহ ব্যাখ্যা করলেন: “এসব সমাবেশে বিভিন্ন মত ও মাযহাবের মানুষ রয়েছে যেমন বেরেলভি, দেওবন্দি ইত্যাদি। কেউ হয়তো আমার পেছনে সালাত আদায় করতে অস্বীকার করবে, আবার কেউ করবে। আমি যদি একজন ইমাম নিযুক্ত করি, তাহলে মাযহাবগত মতপার্থক্য সৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধার পরিবর্তে উপহাসের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।” মাওলানা থানভী বললেন: “আপনি চাইলে একাকী সালাত আদায় করতে পারেন। এতে কেউ আপত্তি করবে না।” জিন্নাহ বিনয়ের সঙ্গে বললেন: “আমি স্বীকার করি যে- আমি একজন গুনাহগার। কিন্তু আমাকে এ কথা বলার (নসিহত করার) অধিকার আপনাদের আছে।” এরপর তিনি প্রতিশ্রুতি দিলেন যে, তিনি এখন থেকে প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করবেন। পরবর্তীতে মাওলানা শাব্বির থানভী মন্তব্য করেন: “এটি ছিলো জিন্নাহর ওয়াদা, মামুলি কোনো ব্যক্তির ওয়াদা নয়। আর এই বিষয়টি কে অবশ্যই মূল্যায়ন করতে হবে।” জিন্নাহ নিজের বুকে হাত রেখে দৃঢ়তার সঙ্গে পুনরায় বললেন: “এটি জিন্নাহর ওয়াদা .. এটি জিন্নাহর ওয়াদা । আমি (জিন্নাহ) এ… Read in full →
3 · 378 ·
A
📌কেন এই 'আ-ফিয়াহ্' (নিরাপত্তা) এত গুরুত্বপূর্ণ? একবার হযরত আব্বাস (রা.) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বললেন, "ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে এমন একটি দোয়া শিখিয়ে দিন, যা আমি আল্লাহর কাছে চাইব।" রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, আল্লাহর কাছে 'আফিয়াহ' (নিরাপত্তা ও সুস্থতা) প্রার্থনা করুন।" কয়েকদিন পর তিনি আবার এসে একই প্রশ্ন করলেন।তখন নবীজি (সা.) তাকে বললেন, "হে আল্লাহর রাসূলের চাচা! আপনি দুনিয়া ও আখিরাতে আল্লাহর কাছে 'আফিয়াহ' চান।" (তিরমিজি: ৩৫১৪) : اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল 'আ-ফিয়াহ্।
3 · 334 ·
A
Athari (Bengali)
File
The-trouble-with-Jinnah_No-trouble-with-Jinnah.pdf · 419 KB · click to show
2 · 288 ·
A
Athari (Bengali)
প্রথম প্রজন্মের মুসলিমরা বিদ'আত সম্পর্কে যা বলেছেন তার কিছু বিবরণ: ১. ইবনু উমার রাদ্বি'আল্লাহু আনহু বলেন: " প্রত্যেক বিদ'আত ই পথভ্রষ্টতা যদিওবা লোকেরা সেটাকে ভালো নজরে দেখে " ২. হাসান আল বাসরী (জন্ম ২১ হিজরি) বলেন: "আল্লাহ তা'আলা কোনো বিদ'আতীর পক্ষ থেকে সাওম, সালাত, হজ্ব, উমরাহ কবুল করেন না, যতক্ষণ না সে তা (বিদ'আত) পরিত্যাগ করছে।" ৩. উমার বিন আব্দুল আযিয (জন্ম ৬১ হিজরি) বলেন: "আমি তোমাদেরকে আল্লাহকে ভয় করার, তাঁর বিষয়ে মধ্যমপন্থা অবলম্বন করার, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশের অনুসরণ করার এবং তার পরবর্তীতে আগত নব-উদ্ভাবনকারীদের উদ্ভাবিত বিষয় (বিদ'আত) ত্যাগ করার উপদেশ দিচ্ছি। ৪. আইয়ুব আস সাখতিয়ানি (জন্ম ৬৬ হিজরি) বলেন: " একজন বিদ'আতী (বিদ'আত প্রচারে) যত জোরালো প্রচেষ্টা চালায়, সে নিজেকে ততবেশি আল্লাহ থেকে দূরে সরিয়ে নেয়।" ৫. সুফইয়ান আস সাওরী (জন্ম ৯৭ হিজরি) বলেন: " বিদ'আত ইবলিশ এর নিকটে অন্য যেকোনো অবাধ্যতামূলক কাজের চেয়ে অধিক প্রিয় "
4 · 327 ·
A
Athari (Bengali)
আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আত-কে পরিত্রাণপ্রাপ্ত ও সাহায্যপ্রাপ্ত দলও বলা হয়। এ জামা‘আতের লোকদের পরস্পরের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য থাকলেও সামগ্রিকভাবে তাদের কিছু নিদর্শন আছে যা দিয়ে তাদেরকে চিহ্নিত করা যায়। নিম্নে তা বর্ণিত হলো: ১. আল্লাহর কিতাবের ব্যাপারে গুরুত্ব প্রদান: তারা কুরআন তিলাওয়াত, অধ্যয়ন ও গবেষণার মধ্যদিয়ে এটির গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। এমনিভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীসকে জেনে-বুঝে এবং সহীহ হাদীসকে দুর্বল হাদীস থেকে চিহ্নিত করে হাদীসের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। (এর কারণ হলো, কুরআন ও সুন্নাহ-ই তাদের জ্ঞানের মূল উৎস) এছাড়া তারা জ্ঞান অর্জন করে তা আমলে পরিণত করেন। ২. পরিপূর্ণভাবে দ্বীনের মধ্যে প্রবেশ করা: পুরো কু্রআনের ওপর বিশ্বাস করা। সুতরাং তারা কুরআনে আলোচিত ভালো ওয়াদা সম্পর্কিত আয়াতসমূহ এবং শাস্তির হুমকি সংক্রান্ত আয়াতসমূহের ওপর ঈমান আনে। যেমনিভাবে তারা আল্লাহর গুণাগুণ সাব্যস্তকারী আয়াতসমূহে ঈমান আনেন ও যে সমস্ত গুণাগুণ/বৈশিষ্ট্য থেকে আল্লাহ পবিত্র সেগুলো যেসব আয়াতে বর্ণিত হয়েছে তাতেও ঈমান রাখেন। আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত তাকদীরে ঈমান আনয়নের পাশাপাশি বান্দার জন্য ইচ্ছা, চাওয়া ও কার্যক্ষমতা সাব্যস্ত করেন। অনুরূপভাবে তারা সমন্বয় বজায় রাখেন ইলম ও ইবাদতে, শক্তি ও রহমতে, উপায় অবলম্বন করে কাজ করা ও পরহেযগারী হয়ে দুনিয়া বিমুখতায়। ৩.(নুসুসের) অনুসরণ করা ও বিদ‘আত পরিত্যাগ করা: তারা অনুসরণ করেন এবং বিদ‘আতকে পরিহার করেন, সংঘবদ্ধ জীবন যাপন করেন এবং দ্বীনের মধ্যে বিভেদ ও বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টিকারী সকল পথ বর্জন করেন। ৪. হিদায়াতের ন্যায়পরায়ণ ইমামদের অনুকরণ, অনুসরণ: তারা হিদায়াত পাওয়ার জন্য সাহাবায়ে কেরাম এবং যারা তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করেছেন, যারা ছিলেন ইলম, আমল ও দাওয়াতের ক্ষেত্রে অনুকরণীয় ও অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব এমন হিদায়াতের ধারক ও বাহক ইমামদের পথ অনুসরণ করেন এবং যারা উক্ত ইমামদের বিরোধিতা করে তাদেরকে পরিহার করেন। ৫. তারা মধ্যম পন্থা অবলম্বনকারী: অর্থাৎ আকীদাহ সংক্রান্ত বিষয়ে না তারা অতিরঞ্জিতকারীদের মতো, না এ বিষয়কে তুচ্ছ ও অবজ্ঞা পোষণকারীদের মতো। এভাবে সমস্ত কাজকর্ম এবং আচার-ব্যবহারে তারা "বাড়াবাড়ি ও কমতি" এ দু’য়ের মধ্যমপন্থা অবলম্বনকারী। ৬. সব সময় তারা মুসলিমদের সত্য পথে একত্রিত করতে সচেষ্ট থাকে। আর তারা… Read in full →
1 · 219 ·
A
Athari (Bengali)
সূরা কাফিরুন এবং সূরা ইখলাসের বিষয়বস্তু আলোচনা করতে গিয়ে ইবনুল কায়্যিম রহিমাহুল্লাহ বলেন, নবী ﷺ এই ২ সূরা তিলাওয়াত করতেন ফজরের সুন্নত এবং বিতরের স্বালাতে, যেগুলো হলো যেকোনো দিবসের শুরুর এবং শেষের আমল, যাতে করে তিনি দিন শুরু করতে পারতেন তাওহীদের মাধ্যমে এবং দিনের শেষও করতে পারতেন তাওহীদের মাধ্যমে। (ইজতিমাউল জুয়ুশ আল ইসলামিয়্যাহ, পৃষ্ঠা ৮৫-৮৬) كان النبي يقرأ بهاتين السورتين في سنة الفجر والوتر ، اللتين هما فاتحة العمل وخاتمته ، ليكون مبدأ النهار توحيدا وخاتمته توحيدا
3 · 193 ·
Athari (Bengali)
ইবনু উসাইমীন (রহিমাহুল্লাহ) ও শাইখ আবদুল্লাহ ইবনু আকীল (রহিমাহুল্লাহ)-এর একটি ঘটনা ইবনু উসাইমীন (রহিমাহুল্লাহ)-এর চাচা যখন ইন্তেকাল করেন, তখন আসরের সালাতের পর তাঁর জানাজার সালাত আদায় করা হয়। শাইখ আবদুল্লাহ ইবনু আকীল (রহিমাহুল্লাহ) অন্য স্থানে আসরের সালাত আদায় করার কারণে জানাজার সালাতে উপস্থিত হতে পারেননি। তিনি যখন কবরস্থানে পৌঁছালেন, ততক্ষণে মৃত ব্যক্তিকে দাফন করা হয়ে গেছে। এরপর ইবনু আকীল (রহিমাহুল্লাহ) ইবনু উসাইমীন (রহিমাহুল্লাহ)-কে জিজ্ঞাসা করলেন, এই মুহূর্তে তাঁর জানাজার সালাত আদায় করা উচিত কি না। ইবনু উসাইমীন (রহিমাহুল্লাহ) তাঁকে তা আদায় না করার পরামর্শ দিলেন। কারণ, নিষিদ্ধ সময়ে মৃত ব্যক্তির জানাজার সালাত আদায় করা যাবে কি না—এ বিষয়ে ফিকহি মতপার্থক্য রয়েছে। ইবনু আকীল (রহিমাহুল্লাহ) পরবর্তীতে উল্লেখ করেন যে, তিনি নিজে এই মতের অনুসারী না হওয়া সত্ত্বেও ইবনু উসাইমীন (রহিমাহুল্লাহ)-এর পরামর্শ মেনে নিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, সেই মুহূর্তে তাঁর পক্ষে ইবনু উসাইমীন (রহিমাহুল্লাহ)-এর বক্তব্যের বিরোধিতা করাকে সমীচীন মনে হয়নি। আল্লাহ শাইখ আবদুল্লাহ ইবনু আকীল (রহিমাহুল্লাহ)-এর প্রতি রহম করুন। তাঁর উত্তম আখলাক, আন্তরিকতা এবং মতপার্থক্যের ক্ষেত্রে আদববোধ সত্যিই প্রশংসনীয়।
1 · 189 ·
A
Athari (Bengali)
আবুল ওয়াফা ইবনে আকীল আল হাম্বলী বলেন, “জীবনের একটি ঘণ্টা সময় নষ্ট করাও আমার পক্ষে অসম্ভব। এমন যদি হয় যে আমার জিহ্বা পড়াশোনা কিংবা আলোচনায় ব্যবহৃত হচ্ছে না কিংবা আমার চোখগুলো বইয়ের পাতার উপর নেই,তবে সেই অবসর সময়টুকু ও বিশ্রামের সময়গুলোতেও আমার মাথায় নানা চিন্তা ঘুরতে থাকে। যখনই আমি ঘুম থেকে জাগি তখনই লেখালেখির প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমার মাথায় চলে আসে। আমার তো মনে হয় ২০ বছর বয়সে জ্ঞানার্জনে আমি যতটা আগ্রহী ছিলাম ৮০ বছর বয়সে আমার জ্ঞানস্পৃহা তার চেয়েও তীব্র। আমার খাবারের সময়টুকুও যতটা পারি কমিয়ে এনেছি। এমনকি রুটি চিবিয়ে খেতে গেলে কিছু সময় বেশি লাগবে দেখে আমি পানি দিয়ে রুটি গিলে ফেলি।” তার অন্যান্য কর্মের পাশাপাশি ৬০০ খণ্ডের বিখ্যাত কিতাব আল ফুনুন রচনা করেন। তারপরেও তিনি প্রায়ই বলতেন : “জীবনের একটি ঘণ্টা নষ্ট করাও আমার জন্য অনুমোদিত নয়।” [লিসানুল মিযান : ৪/২৪৩]
2 · 140 ·
A
মুহাম্মদ ইবনু হাসনুওয়াইহ বলেন, আমি আবু আব্দিল্লাহ আহমাদ ইবনু হাম্বল এর সাথে এক মজলিশে উপস্থিত ছিলাম এবং তখন খোরাসান থেকে একজন লোক তার কাছে এসে বললো," হে আবু আব্দিল্লাহ! আমি খোরাসান থেকে আপনার কাছে একটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে এসেছি। সুতরাং তিনি লোকটিকে বললেন," জিজ্ঞেস করো।" লোকটি জিজ্ঞেস করলো," কখন একজন বান্দা স্বস্তির স্বাদ খুঁজে পাবে? " তিনি জবাব দিলেন," জান্নাতে প্রথমবারের মতো তার পা ফেলার পর " قال محمّد بن حسنويه: "حضرتُ أبا عبدالله أحمدَ بن حنبلٍ،وجاءَه رجلٌ مِنْ أهلِ خُراسان،فقال: يا أبا عبدالله قَصدتُك مِنْ خُراسان أَسألُك عَنْ مسألةٍ. قال له: سَلْ،قال: مَتى يَجِدُ العبدُ طَعمَ الرَّاحةِ؟ قال:عند أوّلِ قَدمٍ يَضعُهَا في الجنّة" (المقصد الأرشد)(٢/ ٣٩٨)
102 ·
A
Athari (Bengali)
সমসাময়িক যুগের একজন হাদিস শাস্ত্রবিদ হলেন শাইখ আব্দুল মুহসিন আল আব্বাদ হাফিযাহুল্লাহ। বই লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ক্লাসে পাঠদানের মাধ্যমে তিনি হাদিসের প্রধান ৬ কিতাব অর্থাৎ কুতুবুস সিত্তাহ (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযি, আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনু মাজাহ) এর সমস্ত হাদিস ব্যাখ্যা করেছেন। এর জন্য তার যত সংখ্যক ক্লাস নিতে হয়েছে তার পরিসংখ্যান নিম্নরূপ: ১. সুনান আন নাসাঈ - ৬৯১ ক্লাস ২. সুনান ইবন মাজাহ - ৩১৮ ক্লাস ৩. সহিহ আল বুখারী - ৭৮৯ ক্লাস ৪. সহিহ মুসলিম - ৩৪১ ক্লাস ৫. সুনান আবু দাউদ- ৩৭৩ ক্লাস ৬. জামি আত তিরমিযি- ৪৩৪ ক্লাস সর্বমোট ক্লাস সংখ্যা = ২৯৪৬ টি। কোনো ব্যক্তি যদি দৈনিক একটি করে ক্লাসের অডিও শুনে তারপরও সবগুলো ক্লাসের পাঠ শেষ করতে তার সময় লাগবে খ্রিষ্টীয় ক্যালেন্ডারের হিসেবে প্রায় ৮ বছর এবং হিজরি বছরের হিসেবে ৮ বছর ৪ মাস। তাছাড়া সহিহ বুখারী এবং সহিহ মুসলিমের হাদিসগুলো ব্যাখ্যা করতে গিয়ে শাইখ আব্দুল মুহসিন আল আব্বাদ ইবনু হাজার আসকালানীর লেখা সহিহ বুখারীর ব্যাখ্যাগ্রন্থ "ফাতহুল বারী" এবং আবু যাকারিয়া ইয়াহইয়া আন নববীর লেখা সহিহ মুসলিমের ব্যাখ্যাগ্রন্থ "শারহু সহিহিল মুসলিম" পড়িয়েছেন। আপনি যদি শাইখের এই পাঠদান থেকে উপকৃত হতে পারেন তাহলে আর আপনাকে অতিরিক্তভাবে এই ২ ব্যাখ্যাগ্রন্থ পড়ার প্রয়োজন পড়বে না। তাহলে ভেবে দেখুন, একজন মানুষ কতখানি ইফোর্ট দিয়ে এই বড় বড় হাদিসগ্রন্থগুলোর জ্ঞান আয়ত্ত করেছেন, অত:পর সেগুলো অন্য মানুষকে শিখিয়েছেন। অথচ আজকাল আমাদের মধ্যে অনেকেই বই-পুস্তকনির্ভর জ্ঞান অর্জন করতে আগ্রহী নন, বরং বিভিন্ন ডিবেইট দেখে দীনের জ্ঞান অর্জন করতে চান। অথচ, তা জ্ঞান অর্জনের সঠিক পদ্ধতি নয়৷ ডিবেইট দেখে জ্ঞান অর্জনের মানসিকতা এতটুকুই প্রসার লাভ করেছে যে, টানা ৩ ঘণ্টার ডিবেইট দেখার আগ্রহ থাকলেও একটা বইয়ের ৫ পৃষ্ঠা পড়ে জ্ঞান অর্জনের আগ্রহ তৈরি হয় না। ফলে ডিবেইট দেখে সাময়িক প্রশান্তি পেলেও জ্ঞান অর্জনের নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতি থেকে দূরে থাকার কারণে জ্ঞান কখনো আমাদের অন্তর্নিহিত বিষয় হয়ে উঠতে পারে না, যার দরুণ চিন্তার উৎকর্ষ সাধিত হয় না।
1 · 59 ·
A
Athari (Bengali)
দৃঢ় মানসিকতা বিজয়ের অন্যতম শর্ত . কোনো এক নেককার ব্যক্তি যুদ্ধে যাওয়ার সময় তিন শ্রেণীর মানুষকে সঙ্গে না নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ১. যে ব্যক্তি সদ্য কোনো নারীকে বিয়ে করেছে, কিন্তু এখনো তার সঙ্গে দাম্পত্য সম্পর্ক স্থাপন করেনি। ২. যে ব্যক্তি কোনো ঘর নির্মাণ করেছে, কিন্তু এখনো তার ছাদ সম্পূর্ণ করেনি। ৩. যে ব্যক্তি গর্ভবতী ভেড়া/গবাদিপশু কিনেছে, এবং তার বাচ্চা প্রসবের অপেক্ষায় আছে। যে ব্যক্তি পেরেশানি আছে, যার মাঝে দৃঢ়তা নেই নিজেও কষ্ট ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করতে পারবে না এবং অন্যদেরকে মানসিকতা নষ্ট করবে। আপনি ইতিহাস পড়ে দেখুন, অল্প সংখ্যক সৈনিক দিয়েও বিজয় সম্ভব, যদি তারা দৃঢ় মানসিকতা ও মৃত্যুর ভয় ভুলে যায়। দুর্বল চিন্তা, ভোগবিলাসিতা প্রিয় ব্যক্তি দ্বারা জি+হা*দ বা দীনের ধারাবাহিক কঠিন কোনো কাজ সম্ভব না। ©️ আব্দুর রহমান (ঈষৎ পরিমার্জিত)
2 · 282 ·
A
Athari (Bengali)
"ভেঙে পড়ো না, নিরাশ হয়ো না, সাহায্য আসবেই" সুরা বাকারা, আয়াত ২১৪ "তোমরা নিরাশ হয়ো না এবং দুঃখ করো না। যদি তোমরা মুমিন হও তবে, তোমরাই জয়ী হবে." সুরা আল ইমরান, আয়াত ১৩৯ "আর তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না, কেননা কাফির কওম ছাড়া কেউই আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয় না." সুরা ইউসুফ, আয়াত ৮৭ "তুমি বিষণ্ণ হয়ো না, নিশ্চয় আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন" সুরা আত-তাওবাহ, আয়াত ৪০ "হে মুমিনগণ! তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো। নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন" সুরা আল-বাকারাহ, আয়াত ১৫৩ "আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য এবং অতি নিকটবর্তী বিজয়" সুরা আস-সাফ, আয়াত ১৩ "আর অবশ্যই তোমার জন্য পরবর্তী সময় (ভবিষ্যৎ) পূর্ববর্তী সময় (অতীত) অপেক্ষা শ্রেয়" সূরা আদ-দুহা, আয়াত ৪ "আর অচিরেই তোমার রব তোমাকে (এত নেয়ামত) দান করবেন, যার ফলে তুমি সন্তুষ্ট হয়ে যাবে" সূরা আদ-দুহা, আয়াত ৫
3 · 228 ·
Athari (Bengali)
প্রশ্ন (১২/৪৫২) : প্রভিডেন্ট ফান্ডের ব্যাপারে হানাফী মাযহাবের ফৎওয়া হ’ল, চাকুরী শেষে যা একবারে সরকার প্রদান করে থাকে তা হালাল। কিন্তু বর্তমান সরকারী চাকুরীর ক্ষেত্রে যা দেখা যাচ্ছে তা হ’ল- সরকার প্রতি মাসে কর্মচারীদের বেতন থেকে নির্দিষ্ট হারে একটি অংশ কেটে রাখে এবং তা সূদী ব্যবসায় খাটায়। অতঃপর চাকুরী শেষে মুনাফাসহ যে পরিমাণ টাকা জমা হয়, তা এককালীন অথবা গ্রাহক চাইলে মাসিক ভিত্তিতে প্রদান করে। উক্ত অর্থ গ্রহণ করা কি হালাল হবে? উত্তর : সরকারের পক্ষ থেকে নির্ধারিত বেতনের যে অংশ প্রতি মাসে কেটে নেওয়া হয়, চাকুরী শেষে শুধু সেই অর্থই গ্রহণ করা জায়েয হবে। আর বেতন থেকে সূদের অংশটি আলাদা করে সমাজ কল্যাণে ব্যয় করতে হবে। তবে তাতে নেকীর আশা করা যাবে না। যে কোন মূল্যে সূদ থেকে বেঁচে থাকা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য একান্ত কর্তব্য। কারণ হারাম রূযী দ্বারা পরিপুষ্ট দেহ কখনোই জান্নাতে যাবে না’ (বায়হাক্বী, মিশকাত হা/২৭৮৭; ছহীহাহ হা/২৬০৯)। উৎস: মাসিক আত তাহরিক পত্রিকা
1 · 197 ·
A
Athari (Bengali)
File
গালিগালাজ_ইসলামের_দৃষ্টিতে_.pdf · 338 KB · click to show
2 · 123 ·
A
Athari (Bengali)
“প্রত্যেক প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। আর কিয়ামতের দিনই তোমাদের প্রতিদান পূর্ণমাত্রায় দেওয়া হবে। যাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, সেই সফলকাম। আর পার্থিব জীবন তো প্রতারণার সামগ্রী ছাড়া কিছুই নয়।” — সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৮৫
1 · 28 ·
Athari (Bengali)
আল্লাহ তাআলা বলেন, “রাসূল তোমাদের যা দেন, তা গ্রহণ করো এবং যা থেকে তোমাদের নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাকো।” — সূরা আল-হাশর, আয়াত ৭ আল্লাহ তাআলা আরও বলেন, “মুমিনদের কথা তো কেবল এই যে, যখন তাদেরকে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকে আহ্বান করা হয়, যাতে তিনি তাদের মধ্যে ফয়সালা করেন, তখন তারা বলে, ‘আমরা শুনলাম ও আনুগত্য করলাম।’ আর তারাই সফলকাম।” — সূরা আন-নূর, আয়াত ৫১ আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, “যখন তোমার কাছে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কোনো হাদীস পৌঁছবে, তখন তা মেনে নেওয়ার জন্য বিনীত হও।” — ‘আকীদাতুস সালাফ ওয়া আসহাবিল হাদীস’, আস-সাবূনী।
❤2👍1
1 · 79 ·
A
আব্দুর রহিম বিন সুলাইমান আর রাযী বলেন: আমরা সুফইয়ান আস সাওরীর নিকটে উপস্থিত ছিলাম। যখনই কেউ তার কাছে ইল্ম অর্জনের উদ্দেশ্যে আসতো, তখন সুফইয়ান তাকে জিজ্ঞেস করতেন, " তোমার কি জীবিকা অর্জনের অবলম্বন আছে? " যদি উক্ত লোকের পক্ষ থেকে বলা হতো যে, তার কাছে জীবিকার যথেষ্ট অবলম্বন আছে, তিনি (সুফইয়ান) তাকে ইল্ম অর্জনের নির্দেশ দিতেন। আর যদি তার কাছে যথেষ্ট জীবিকা না থাকতো, তাহলে তিনি (সুফইয়ান) তাকে জীবিকা অন্বেষণের নির্দেশ দিতেন। আবু হাতিম আর রাযী, আয যুহদ, ১/৬৬ الرازي، أبو حاتم، الزهد ١/٦٦ #٧٥
😢2
1 · 53 ·

An open public feed from the search index ChatCrawler — “Google for public Telegram”; refreshed as the venue is crawled. Times are UTC.

Public content only, official Telegram API. About · FAQ · Index limits · Remove a page · Catalog · Search · How we count