English
Open in Telegram
দদ্বীনি - বার্তা

দ্বীনি - বার্তা

@deene_berta · channel · indexed since 2026-07-19
268subscribers
19average post reach
2posts in 30 days
176posts in the index
দ
দ্বীনি - বার্তা
“যখন তুমি দেখবে কোন বান্দার গুনাহ ও অবাধ্যতা সত্ত্বেও আল্লাহ তাকে দুনিয়া ও তার প্রিয় বস্তুসমূহ প্রদান করেছেন, তখন বুঝে নাও যে, মূলত এটা অবকাশ মাত্র, তিনি দেখছেন এভাবে সে কতদুর যেতে পারে।” [মুসনাদে আহমাদ ১৭৩৪৯; মিশকাত ৫২০১]
417 ·
দ
দ্বীনি - বার্তা
হাসান আল-বাসরী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন: الدُّنْيَا ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ: أمَّا أَمْسٍ فَقَدْ ذَهَبَ بِمَا فِيهِ، وَأمَّا غَدٍ فَلَعَلَّكَ أَنْ لَا تُدْرِكَهُ، فَاليَوْمُ لَكَ فَاعْمَلْ فِيه “দুনিয়া হলো তিনটি দিনের সমষ্টি। গতকাল- তা তো তার ভেতরে যা ছিল সব নিয়ে চলে গেছে। আগামীকাল- হয়তো তুমি পাবে না, অতএব আজ তোমার জন্য, সুতরাং আজকের দিনে আমল করো।” 📖 ইমাম বায়হাকী (রাহিমাহুল্লাহ) -এর "আয-যুহদ আল-কাবীর" পৃষ্ঠা ১৯৬
303 ·
দ
দ্বীনি - বার্তা
দুশ্চিন্তা পরিহার করুন : দুঃখিত হবেন না, কেননা আপনার প্রতিপালক বলেন:- “(হে মুহাম্মদ), আমি কি আপনার বক্ষ আপনার কল্যাণে প্রশস্ত করে দেইনি?” [৯৪-সূরা আল ইনশিরাহ : আয়াত-১] এ আয়াতের সংবাদ যারা হক্বপন্থী, যারা নূরের পথে চলে এবং যারা হিদায়াতের পথে চলে তাদের সবার জন্য প্রযােজ্য। “যার অন্তর আল্লাহ ইসলামের জন্য প্রশস্ত করে দিয়েছেন, ফলে সে তার প্রভুর নূরের পথে চলে তবে কি সে ব্যক্তি (কাফেরের মতাে)? অতএব, সে সব কঠোর আত্মার ললাকেরা অভিশপ্ত-যারা আল্লাহর জিকিরে, বিমুখ।” [৩৯-সূরা আয যুমার : আয়াত-২২] সুতরাং, এমন সত্য বিষয় আছে, যা অন্তরকে প্রশস্ত করে এবং এমন অসত্য বিষয় আছে, যা অন্তরকে কঠোর করে। “আর আল্লাহ যাকে হিদায়াত করতে চান, তার অন্তরকে তিনি ইসলামের জন্য প্রশস্ত করে দেন।” [৬-সূরা আল আন’আম : আয়াত-১২৫] অতএব, এ ধর্ম গ্রহণ করা ও এর উপর প্রতিষ্ঠিত থাকা এক কাঙ্ক্ষিত ও বাঞ্ছিত বিষয়, যা অনুগ্রহপ্রাপ্ত ও ধন্য লােক ছাড়া অন্য কেউ লাভ করতে পারে না। “দুশ্চিন্তা, দুর্ভাবনা ও ভয় করাে না, নিশ্চয় আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন।” [৯-সূরা তাওবা : আয়াত-৪০] “যে সব (ঈমানদার) লোেকদেরকে (কাফের) লােকেরা বলেছিল, অবশ্যই (কাফের) লােকেরা তােমাদের (বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার) জন্য জমায়েত হয়েছে, অতএব, তােমরা মুমিনগণ) সেই (কাফের) লােকদেরকে ভয় কর। এতে তাদের ঈমান আরাে বৃদ্ধি পেল এবং তারা বলল, আমাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট এবং তিনি কতইনা উত্তম কর্মবিধায়ক!” [৩-সূরা আলে ইমরান : আয়াত-১৭৩] আল্লাহর রক্ষণাবেক্ষণ, অভিভাবকত্ব ও করুণাতে যাদের ঈমান বা বিশ্বাস আছে তারা (উপরােক্ত) এই আয়াতের এই কথা (আমাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট এবং তিনি কতইনা উত্তম কর্মবিধায়ক!) বলে। আমাদের পক্ষে তার যথেষ্ট হওয়া আমাদেরকে অন্যদের উপর নির্ভর করা থেকে মুক্তি দেয় এবং তার অভিভাবকত্ব আমাদেরকে রক্ষা করে। “হে নবী মুহাম্মদ), আপনার জন্য এবং যেসব মুমিন আপনাকে অনুসরণ-অনুকরণ করে ও আপনাদের আনুগত্য করে তাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট।” [৮-সূরা আনফাল : আয়াত-৬৪] “এবং সেই চিরঞ্জীবের উপর নির্ভর (তাওয়াক্কুল) কর, যিনি মৃত্যুবরণ করবেন না।” [২৫-সূরা আল ফুরকান : আয়াত-৫৮] “এবং (হে মুহাম্মদ) ধৈর্য ধরুন, আর আল্লাহর সাহায্য ছাড়া আপনার ধৈর্য ধরা সম্ভব নয় এবং তাদের নিয়ে দুঃখ করবেন না। আর তারা যে চক্রান্ত করে তাতে কষ্ট পাবেন না। অবশ্যই আল্লাহ মুত্তাকী এবং সঙ্
2 · 491 ·
দ
দ্বীনি - বার্তা
মানুষের হিসাব নিকাশের সময় আসন্ন, অথচ তারা উদাসীনতায় মুখ ফিরিয়ে রয়েছে। — সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত : ১
380 ·
দ
দ্বীনি - বার্তা
"যে ব্যক্তি নিয়মিত নামাজ আদায় করে না, নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত করে না, সে কখনো আত্মিক প্রশান্তি লাভ করে না। মানুষ সাধারণত তখনই ডিপ্রেশনে পড়ে, যখন সে মনে করে, তার কষ্টের কথা শোনার মতো কেউ নেই।কেউ নেই তার মাথায় একটু হাত বুলিয়ে দেবে। কেউ নেই তাকে একটু সান্ত্বনার বাণী শোনাবে। কেউ নেই তাকে বলবে, আছি তোমার পাশে। চিন্তা নেই তোমার। তখনই সে ডিপ্রেশনে পড়ে যায়। অথচ আল্লাহ তাআলা তাকে আগে থেকেই সান্ত্বনা দিয়ে রেখেছেন, *اَلَیۡسَ اللّٰہُ بِکَافٍ عَبۡدَہٗ* (আল্লাহ কি তাঁর বান্দার জন্য যথেষ্ট নন?) সূরা যুমার, আয়াত : ৩৬ এই আয়াত পড়ার পর কে ডিপ্রেশনে পড়বে? কে বলবে তার পাশে কেউ নেই। কে বলবে তার কষ্টের কথা কেউ শোনে না? দুনিয়ার কেউ না শুনলেও আল্লাহ তাআলা তো শোনেন। দুনিয়াতে নাহয় মা-বাবা, বন্ধু-বান্ধব সরে গেল আপনার কাছ থেকে। কিন্তু যেই রব আমাদের সৃষ্টি করেছেন, যিনি আমাদের জন্ম থেকে নিয়ে এতটা বছর বাঁচিয়ে রাখছেন, তিনি তো ভোলেননি আমাদের! তিনি নিজেই বলছেন, বান্দা! তোমার সবকিছুর জন্য আমি কি যথেষ্ট নই? তোমার সব বিপদ দূর করতে আমি কি যথেষ্ট নই? তুমি তো একটাবারের জন্যও আমাকে বলোনি সবকিছু। শেষ কবে দু-হাত তুলে আমার দরবারে কেঁদে বুক ভাসিয়েছ বলতে পারবে? বরং তুমি তো আমাকে ভুলেই গিয়েছো। বই : দ্বীনের পথে যাত্রা লেখক : মাওলানা তানজীল আরেফীন আদনান পৃষ্ঠা : ৯৫
524 ·
দ
দ্বীনি - বার্তা
‘তিনি সেই সত্তা যিনি তাঁর রাসুলকে পথ-নির্দেশ ও সত্য দ্বীনসহ পাঠিয়েছেন সব দ্বীনের ওপর এই দ্বীনকে বিজয়ী করার জন্য, যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে।’ [ সুরা আত-তাওবাহ, ৯ : ৩৩ ]
1 · 947 ·
দ
দ্বীনি - বার্তা
সেদিন মানুষ পালিয়ে যাবে– তার ভাই থেকে, তার মা ও বাবা থেকে, তার স্ত্রী ও সন্তান থেকে। সেদিন প্রত্যেকেরই এমন অবস্থা হবে যা তাকে ব্যস্ত করে রাখবে। — সূরা আবাসা, আয়াত : ৩৪-৩৭
348 ·
দ
দ্বীনি - বার্তা
“বান্দা রবের কাছে যত বেশি কাকুতি-মিনতির সাথে চায়, আল্লাহ তাকে ততই ভালোবাসেন, ততই তাকে কাছে টেনে নেন এবং দান করেন।” . — ইমাম ইবনুল কাইয়িম রাহিমাহুল্লাহ [ হাদিউল আরওয়াহ: পৃ. ৯১ ]
315 ·
দ
দ্বীনি - বার্তা
যে পুরুষ ভুল জায়গায় দৃষ্টি দিয়ে তৃপ্তি খুঁজে ফেরে, দুনিয়ার কোনো কিছুই তাকে তৃপ্ত করতে পারে না। যে নারী নিজের সৌন্দর্যকে ভুল চোখের সামনে প্রকাশিত রাখতে চায়, দুনিয়ার কোনো পোশাকই তার সৌন্দর্যকে ঢাকতে পারে না। অন্যের দোষ খুঁজে, দেখে, দোষারোপ করাটা যত সোজা, নিজের ভেতরের গাদা করে রাখা ময়লাগুলোকে দেখে, বুঝে, সাফ করাটা ততটাই কঠিন। ~ Mohammed Touaha Akbar
1 · 904 ·
দ
দ্বীনি - বার্তা
কোরআন-হাদিসের আলোকে আল্লাহর রহমত পাওয়ার ১০টি উপায় বর্ণনা করা হয়েছে, যা প্রতিটি মুমিনের জানা প্রয়োজন। ১. সৃষ্টির প্রতি দয়া দেখানো রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘দয়াশীলদের ওপর আল্লাহ দয়া করেন। তোমরা পৃথিবীবাসীর প্রতি দয়া করো, যাতে আকাশের মালিকও তোমাদের প্রতি দয়া করেন’ (আবু দাউদ: ৪৯৪১)। একটি পিপাসার্ত কুকুরকে পানি পান করালে আল্লাহ ক্ষমা করেন—এমন উদাহরণও হাদিসে রয়েছে। ২. ফরজ ইবাদত পালন নামাজ, রোজা, জাকাতের মতো ফরজ কাজগুলো আল্লাহর দয়া পাওয়ার মূল চাবিকাঠি। সূরা নুরে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা নামাজ কায়েম করো, জাকাত দাও এবং রাসুলের আনুগত্য করো, যাতে তোমরা অনুগ্রহভাজন হতে পারো।’ (আয়াত: ৫৬) ৩.  ইহসান বা আন্তরিকতার সঙ্গে আমল নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করলে আল্লাহ খুশি হন। সুরা আরাফে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহর অনুগ্রহ সৎকর্মপরায়ণদের নিকটবর্তী।’ (আয়াত: ৫৬) ৪. তাকওয়া অবলম্বন আল্লাহভীরু ব্যক্তিরাই তাঁর রহমতের বেশি হকদার। সূরা আরাফে ইরশাদ হয়েছে, ‘আমার দয়া- তা তো প্রত্যেক বস্তুকে ঘিরে রয়েছে। কাজেই আমি তা লিখে দেব তাদের জন্য যারা তাকওয়া অবলম্বন করে, ঈমান আনে।’ (আয়াত: ১৫৬) ৫. কোরআন তেলাওয়াত ও চর্চা কোরআন শুনলে, পড়লে এবং বুঝে আমল করলে আল্লাহর রহমত নেমে আসে। সূরা আনআমে বলা হয়েছে, কোরআনের অনুসরণ করলে দয়া করা হবে।’ (আয়াত: ১৫৫) ৬. কোরআন শ্রবণ মনোযোগ দিয়ে কোরআন তেলাওয়াত শোনা দয়ার পথ খুলে দেয়। ইরশাদ হয়েছে, ‘যখন কোরআন পাঠ করা হয়, তখন তা মনোযোগ দিয়ে শোন এবং চুপ থাক, যাতে তোমরা রহমত লাভ কর।’ (সুরা আরাফ: ২০৪) ৭. দ্বীনি কাজে কষ্ট স্বীকার হিজরত ও জিহাদের পথ বেছে নেওয়া মুমিনদের জন্য বিশেষ অনুগ্রহের প্রতিশ্রুতি বহন করে। (সুরা বাকারা: ২১৮) ৮. সুন্নাহর অনুসরণে রহমত মেলে আল্লাহ বলছেন- ‘তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আনুগত্য করো, যাতে তোমরা দয়া লাভ করতে পারো।’ (সুরা আলে ইমরান: ১৩২) ৯. ইস্তেগফার বা ক্ষমা প্রার্থনা ইস্তেগফার আল্লাহর দয়ার দরজা খুলে দেয়। সূরা নামলে নবী সালেহ (আ.) তাঁর সম্প্রদায়কে বলেছিলেন, ‘কেন তোমরা আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছ না যেন তোমাদেরকে রহমত করা হয়?’ (আয়াত: ৪৬) ১০. রহমত লাভের দোয়া সুরা কাহফের দোয়া— رَبَّنَاۤ اٰتِنَا مِنۡ لَّدُنۡكَ رَحۡمَۃً ‘হে আমাদের রব! আমাদেরকে আপনার পক্ষ থেকে রহমত দান করুন’ (আয়াত: ১০)—প্রতিদিন পড়ুন।
1 · 305 ·
দ
দ্বীনি - বার্তা
ইয়া রব আমি দুর্বল, আমার ঈমান দুর্বল, আমার আমল দুর্বল , বারবার  আমার ঈমানের ও আমলের  পদস্খলন ঘটে, আবার ফিরে আসি, নিজেকে গুনাহ মুক্ত রাখার চেষ্টা করি। আমি জানি আপনার রহমত অসীম, আর এই ভরসাতেই  টিকে আছি।  ইয়া রব আপনি আমাদের এই ফিতনা যুক্ত সমাজের মধ্যে একজন   مُوَحِّد হিসাবে কবুল করুন।
2 · 1.8K ·
দ্বীনি - বার্তা
فَإِنَّ اللَّهَ يُضِلُّ مَن يَشَاءُ وَيَهْدِي مَن يَشَاءُ “অতএব, আল্লাহ যাকে ইচ্ছা বিভ্রান্ত করেন এবং যাকে ইচ্ছা সৎপথে পরিচালিত করেন।” সূরা ফাতির:৮
193 ·
দ
*আদব আখলাক (পর্ব: ০৬)* হুদহুদ পাখির নাম অনেকেই শুনেছেন। সে নবি সুলাইমান (আ.)-এর অনুগত থাকতো। আর সুলাইমান (আ.) ছিলেন সেই ব্যক্তি, যাঁকে পশু-পাখি ও জিনের ভাষা বুঝার এবং তাঁকে আনুগত্য করার মহান নিয়ামত প্রদান করা হয়েছিলো। তো, একদিন তিনি হুদহুদকে দেখতে না পেয়ে বলেন— مَا لِي لاَ أرىٰ الهُدٌهُد ‘‘আমার কী হলো যে, আমি হুদহুদকে দেখছি না যে!’’ [সুরা নামাল, আয়াত: ২০] তিনি এভাবে বলেননি যে, ‘‘হুদহুদের কী হলো? তাকে দেখছি না কেন?’’ বরং অন্যকে দোষারোপ করার আগে তিনি নিজেকেই সম্বোধন করেছেন যে, ‘‘আমার কী হলো যে, আমি হুদহুদকে দেখছি না!’’ বিশিষ্ট মুফাসসির আলিমগণ বলেন, সুলাইমান (আ.) যখন হুদহুদ পাখির নিয়ামতকে হারিয়ে ফেলেন, তখন তাঁর মনে হয়েছিলো, তিনি হয়তো এই নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করতে গিয়ে কমতি করে ফেলছেন। তাই তিনি বলেছেন, ‘‘আমার কী হলো?’’ অর্থাৎ, এটা তাঁর উৎকৃষ্ট গুণ ও আত্মসমালোচনার একটি চমৎকার দৃষ্টান্ত! নেককার ব্যক্তিরা সবসময় নিজের ভুল নিয়ে তটস্থ থাকতেন এবং যেকোনো কিছুর জন্য নিজেকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাতেন। তাঁদের কোনো সমস্যা হলে ভাবতেন, এটি গুনাহের কারণেই হয়েছে। ইমাম আবু দাউদ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, কারয আল-হারিসি (রাহিমাহুল্লাহ)-এর নিকট প্রবেশ করে আমি তাকে কান্নারত অবস্থায় পেলাম। আমি বললাম, ‘আপনি কাঁদছেন কেন?’ তিনি বললেন, ‘কুরআনের নির্ধারিত অংশটুকু গত রাতে আমি পড়তে পারিনি। আমার ধারণা—আমি হয়তো কোনো গুনাহ করেছি, যার ফলে এমনটি ঘটেছে।’ [ইমাম আবু নু‘আইম, হিলয়াতুল আউলিয়া: ৫/৭৯] ‘‘কুরআনের নির্ধারিত অংশ’’ বলতে, তাঁরা প্রতিদিন কুরআনের নির্ধারিত একটা অংশ (যেমন: এক পারা অথবা ৫ রুকু ইত্যাদি) পড়া নিজের জন্য রুটিন বানিয়ে নিতেন। কোনোদিন এই পরিমাণ তিলাওয়াত মিস করতেন না। এটাকে অনেকে ‘ওযিফা’ বলেন, অনেকে ‘হিযব’ বলেন। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘মুমিন ব্যক্তি তার গুনাহগুলোকে এমন (ভয়াবহ) মনে করে, যেন সে একটি পাহাড়ের নীচে উপবিষ্ট আছে, আর সে আশঙ্কা করছে—পাহাড়টি (যেকোনো সময়) তার উপর ধ্বসে পড়বে। আর, পাপিষ্ঠ ব্যক্তি তার গুনাহগুলোকে মাছির মত মনে করে, যা তার নাকের উপর দিয়ে চলে যায়।’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৬৩০৮; ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ২৪৯৭] পূর্বসূরি নেককারগণ নিজেদের ভুলের ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন থাকতেন। তাঁরা জীবনে কোনো বিষয়ে অসংগতি পেলে সেটিকে নিজেদের পাপের ফলাফল সাব্যস্ত করতেন। মা
213 ·
দ
দ্বীনি - বার্তা
Video
1.3 MB · click to show
জান্নাতে যাওয়ার শর্ত ৪ টি - ডা. জাকির নায়েক
207 ·
দ
দ্বীনি - বার্তা
জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন— (খন্দক যু*দ্ধের প্রাক্কালে) পরিখা খোড়ার সময় আমি রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)- এর দেহে ক্ষুধার যন্ত্রণা লক্ষ্য করলাম। অতঃপর আমার সহধর্মিণীর নিকট ফিরে এসে তাকে বললাম, তোমার কাছে কিছু আছে কি? কেননা, আমি রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)- কে চরম ক্ষুধার্ত অবস্থায় দেখেছি। অতঃপর সে একটি চামড়ার ব্যাগ বের করলো, যার মধ্যে এক সা’ পরিমাণ (প্রায় তিন কেজি) যব ছিলো। আর আমাদের একটা গৃহপালিত বকরী ছিল। আমি ওটা য*বেহ করলাম, আর স্ত্রী যবগুলো ভালভাবে পিষে নিল। আমার কাজ সম্পাদনের সঙ্গে সঙ্গে সেও তার কাজ শেষ করলো। আমি (রান্নার জন্য) মাংস কে*টে ডেগচিতে রাখলাম। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে ফিরে এলাম। (যাওয়ার সময়) আমার স্ত্রী আমাকে বলল, রসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও তার সাথীদের দিয়ে তুমি আমাকে লাঞ্ছিত করো না। (অর্থাৎ খাবার যেহেতু কম, তাই অল্প কয়েকজনকে এনো।)
192 ·
দ্বীনি - বার্তা
Video
1.3 MB · click to show
⚡“তোমরা (মুমিনগণ) তাদের (কাফিরদের) মোকাবেলায় তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী শক্তি ও অশ্ব (প্রস্তুত) করে রাখ, যা দ্বারা তোমরা আল্লাহর শত্রু ও তোমাদের শত্রুদের এবং এছাড়াও যাদেরকে তোমরা জানো না, আল্লাহ যাদেরকে জানেন তাদেরকে ভীত-সন্ত্রস্ত করবে। আর তোমরা আল্লাহর পথে যা কিছু ব্যয় করবে, তার প্রতিফল তোমাদেরকে পরিপূর্ণভাবে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি কোন জুলুম করা হবে না।”। - সূরা আনফাল, আয়াত : ৬০ এই আয়াতের মূল বিষয়বস্তু হল, মুসলিমদের শত্রুদের মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত থাকতে উৎসাহিত করা হয়েছে। এখানে শক্তি বলতে শারীরিক শক্তি, সামরিক সরঞ্জাম, এবং যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু বোঝানো হয়েছে। অশ্ব বলতে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ঘোড়া বা যানবাহন বোঝানো হয়েছে। এই আয়াতে আরও বলা হয়েছে যে, আল্লাহর পথে যারা সম্পদ ব্যয় করবে, তাদের প্রতিদান আল্লাহ পরিপূর্ণভাবে দেবেন এবং তাদের উপর কোন জুলুম করা হবে না। এই আয়াতের প্রেক্ষাপট হল, বদর যুদ্ধের পর মুসলিমরা তাদের শক্তি ও সামর্থ্য সম্পর্কে ধারণা লাভ করে এবং আল্লাহ তাদের শত্রুদের মোকাবিলা করার জন্য প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেন। চ্যানেল : 🔗@worldnewsBangla1
239 ·
দ
তোমাকে একের পর এক পরীক্ষার মধ্যে ফেলা হবে, দুনিয়ার সব কষ্ট যেন তোমাকে নিংড়ে দেবে— ঋণ তোমাকে চাপে ফেলবে, দুশ্চিন্তা তোমার ঘুম কেড়ে নেবে, প্রিয়জন হারানোর ব্যথা তোমাকে ভেঙে দেবে। আর এমন এক দুঃখ আসবে যার কোনো কারণই তুমি খুঁজে পাবে না। দুনিয়া তোমার সামনে অন্ধকার হয়ে যাবে— তুমি কারও সঙ্গ সহ্য করতে পারবে না, কোনো কথায় শান্তি পাবে না। তখন তুমি অসন্তুষ্ট হতে পারো, বিরক্ত হতে পারো— কিন্তু (শেষ পর্যন্ত) তোমার রবের রহমতে তুমি জান্নাতে প্রবেশ করবে। সেখানে তোমাকে জিজ্ঞেস করা হবে: “তোমার জীবনে কি কখনো কোনো কষ্ট এসেছিল?” তখন তুমি বলবে: “আল্লাহর কসম, আমি কখনো কোনো দুঃখ দেখিনি।” এটা সেই মানুষের জন্য, যে ধৈর্য ধরেছে এবং তার রবের কাছে সওয়াবের আশা রেখেছে। “আর এই গুণ কেবল তারাই লাভ করে যারা ধৈর্যশীল, আর কেবল মহান ভাগ্যবানরাই তা লাভ করে।” অতএব, ধৈর্য ধরো, সওয়াবের আশা রাখো এবং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার মুক্তির ওপরই পূর্ণ আস্থা রাখো—তাঁকে ছাড়া আর কারও ওপর নয়। -শায়খ মাহমুদ আল হাসানাত হাফি.
336 ·
দ
দ্বীনি - বার্তা
শায়খ উমর আবদুল কাফি বলেন: যে ঘরে রাতের নামাজ (কিয়ামুল লাইল) আদায় করা হয়, সে ঘর থেকে এমন নূর বের হয় যা আকাশবাসীরা দেখতে পায়। যেমন আমরা রাতে আকাশে তারার আলো দেখি, তেমনি ফেরেশতারা পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে নামাজে আলোকিত ঘরগুলো দেখে। আর আশ্চর্যের বিষয় হলো—যদি ফেরেশতারা প্রতিদিন তোমার ঘরের আলো দেখে অভ্যস্ত হয়ে যায়, আর কোনো একদিন সেই আলো না দেখে, তারা জিজ্ঞেস করে। তখন বলা হয়: সে অসুস্থ, দুঃখী বা কোনো সমস্যায় আছে। তখন ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করতে থাকে—শিফা, প্রশান্তি ও সাহায্যের জন্য। অনেকে তাহাজ্জুদের মাধ্যমে সফল হয়েছে, অনেকে বিবাহ পেয়েছে, অনেকে সন্তান লাভ করেছে, অনেকে চাকরি পেয়েছে, অনেকে রোগমুক্ত হয়েছে। আল্লাহর কসম! তাহাজ্জুদের দোয়া অলৌকিক পরিবর্তন ঘটায়। হে আল্লাহ! আমাদের রাতের ইবাদতকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন। — সংগৃহিত
3 · 1.2K ·
দ
দ্বীনি - বার্তা
বিয়ে ও রিযিকের কুরআনি দুআ নবুওয়ত লাভেরও বহু আগের কথা। যৌবনে মূসা আলাইহিস সালাম যখন এক্সিডেন্টালি জনৈক কিবতিকে ঘুসি দিয়ে মেরে ফেললেন, ফেরাউন সভাসদে এ নিয়ে তুলকালাম বেঁধে গেল। সিদ্ধান্ত হলো—কিবতি হত্যার দায়ে মূসাকে মেরে ফেলতে হবে। এ-সময় মূসা আলাইহিসালামের জনৈক হিতাকাঙ্ক্ষী শহরের অপর প্রান্ত থেকে দৌড়ে এসে খবর দিলেন—মূসা, তুমি এক্ষুনি মিশর ছেড়ে চলে যাও। মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে—তোমাকে মেরে ফেলবে। মূসা আলাইহিসসালাম প্রাণ বাঁচাতে ভয়ে ভয়ে ছুটলেন মাদায়েনের দিকে। মাদায়েনের নবী তখন শুআইব আলাইহিস সালাম। রিক্ত, নিঃস্ব, আশ্রয়হীন মূসা মাদায়েন পৌঁছে দেখলেন, একদল লোক পানির উৎস থেকে নিজ নিজ পশুপালকে পানি খাওয়াচ্ছে। তাদের পেছনে দুজন মেয়ে নিজেদের পশুপালকে সামলে রাখছে। পানি খাওয়াতে পারছে না। মূসা আলাইহিসসালাম বিস্তারিত জেনে পশুগুলোকে পানি পান করিয়ে দিলেন। মূসা মাদায়েন এসেছেন ঠিক, কিন্তু কোথায় এসেছেন, কার কাছে এসেছেন—কোনো সুনির্দিষ্ট গন্তব্য নেই। দীর্ঘ সফরে ক্লান্ত, শ্রান্ত, রিক্ত, নিঃস্ব, আশ্রয় ও সম্বলহীন। অবসাদগ্রস্ত দেহ নিয়ে একটি গাছের ছায়ায় বসলেন বিশ্রাম নিতে। বসে একান্তমনে আল্লাহ তায়ালার কাছে একটি দুআ করলেন। এই এক দুআয় খুলে গেল তার বিয়ে, রিযিক ও আশ্রয়—সবকিছুর দুয়ার। তিনি দুআ করলেন— رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ. "হে আমার রব, আপনি আমার প্রতি যে কল্যাণই নাযিল করবেন, আমি তার ভিখারি।" সূরা কাসাস : ২৪ এই এক দুআর বরকতে শুআইব আলাইহিসসালাম তাকে নিজের মেয়ে বিয়ে দিলেন, সাত থেকে দশ বছরের জন্য কাজ দিলেন। বিয়ে হলো, রিযিকের উপায় হলো, সঙ্গে জুটল আশ্রয়। বিয়েশাদি, রিযিক, ঘরবাড়ি—সকলেই আমরা পেরেশানিতে আছি। কেউ কম, কেউ বেশি। রমজানের শেষ দশকে বিয়েশাদি, রিযিক ও ঘরবাড়ির পেরেশানি কাটাতে বেশি বেশি এই দুআর আমল করতে পারি, ইনশাআল্লাহ। সংগৃহীত..
6 · 1.1K ·
দ
দ্বীনি - বার্তা
Video
2.8 MB · click to show
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ... 💚
1 · 204 ·
দ
দ্বীনি - বার্তা
এক যুবক গেছে বিয়ের জন্য পাত্রী দেখতে। ড্রইংরুমে পাত্রীর বাবা ও যুবক বসে আসে। একটু পর পাত্রী চা নিয়ে প্রবেশ করলো। পাত্রীর মুখ নেকাবে ঢাকা। যুবক চা শেষ না করতেই পাত্রী উঠে ভেতরে চলে গেলো। যুবক হতাশ কণ্ঠে পাত্রীর বাবাকে বললো : পাত্রী দেখতে আসলাম; আপনার মেয়ে তো মুখের নেকাবই খুললো না। যুবক বলল "রু'ইয়া শারয়্যিয়াহ" এর তো সুযোগ আছে। মেয়ের বাবা: আসলে আমার মেয়ে বলেছিলো, পাত্র পছন্দ না হলে মুখ দেখাবে না 🫤 তির্যক : যুবক মনে করছে রু'ইয়া শারয়্যিয়াহ এর অধিকার শুধু তারই আছে , মেয়েদেরও অধিকার আছে "খিয়ারুর রু'ইয়া" এর রু'ইয়া শারয়্যিয়াহ : বিবাহপূর্ব পাত্রী দেখার বৈধতা। খিয়ারুর রু'ইয়া : পণ্য দেখার পর পছন্দ না হইলে বিক্রয়চুক্তি বাতিল করার পূর্বঅধিকার। - আরবী_থেকে অনুবাদ
35 ·
দ
দ্বীনি - বার্তা
Photo
click to show
3 ·

An open public feed from the search index ChatCrawler — “Google for public Telegram”; refreshed as the venue is crawled. Times are UTC.

Public content only, official Telegram API. About · FAQ · Index limits · Remove a page · Catalog · Search · How we count