ChatCrawlersearch across public Telegram Open the app

মুসাফির ✍ chat

1 693 members
19 July 2026
Фотография
click to show
প্রদর্শনী "নাস টেক্স" উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারার বক্তব্য: 📌 আমরা সামাজিক সম্প্রীতি, জাতীয় ঐক্য, ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি, নিরাপত্তাগত স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে আমাদের জাতির গল্প বুনছি—যাতে সিরিয়া আবারও সৃজনশীলতার উৎস, দক্ষ জনশক্তির রপ্তানিকারক এবং জ্ঞানী ও দক্ষ হাতের মানুষের আশ্রয়স্থল হিসেবে ফিরে আসে। 📌 সিরিয়া যেমন ধারালো দামেস্কি তলোয়ার তৈরির জন্য খ্যাত, তেমনি সূক্ষ্ম রেশম ও উন্নতমানের বস্ত্রশিল্পের জন্যও সুপরিচিত। কঠোরতা ও কোমলতার এই সমন্বয়ের মধ্যেই সিরিয়ার পররাষ্ট্রনীতির স্বভাব নিহিত—যেখানে প্রত্যেককে তার প্রাপ্য অধিকার প্রদান করা হয়। 📌 এখান থেকেই, সিরিয়া থেকে, আমরা আমাদের জনগণ ও বিশ্ববাসীকে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি—আমরা শান্তির নকশা বুনব, সমৃদ্ধি ও প্রাচুর্যের গালিচা বুনব, আর যারা আমাদের প্রতি আন্তরিক অনুভূতি ও সদিচ্ছা প্রদর্শন করবে, তাদের জন্য আমরা সৌহার্দ্যের কবিতা রচনা করব।
230 ·
শুরু] হাসিনার আমলে যখন প্রাইমারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে গোয়ালঘরে পরিণত করা হচ্ছিল, ডিম ভাজি থেকে শুরু করে সাইকেল চালানোর ‘ক্রিং ক্রিং’ শেখানো হচ্ছিল, ঠিক তখনই মানুষ ঢালাওভাবে প্রাইমারীর অলটারনেটিভ কওমির ‘নূরানী’ মাদ্রাসার দিকে ঝুঁকতে শুরু করে। . সেই সময় নূরানী শিক্ষা সত্যিই ভালো অবস্থায় ছিল। সিলেবাস ছিল অনেকটা আপডেটেড, বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং পড়াশোনার মানও ছিল উল্লেখযোগ্য। স্কুলের শরিফ-শরিফার গল্পে অভিভাবকরা বিরক্ত হয়ে পড়েছিলেন। ফলে নূরানী মাদ্রাসাগুলোতে অভিভাবকদের লাইন পড়ে যায়। [সমস্যা] তবুও নূরানী শিক্ষায় কিছু অপ্রয়োজনীয় ও পুরনো প্রথা অটুট ছিল। তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো মান্ধাতার আমলের ইংরেজি Copperplate script স্টাইলের লেখা শেখানো। বর্তমান যুগে এই লেখার কোনো ব্যবহারিক মূল্য নেই। শুধু সৌন্দর্যের জন্য বাচ্চাদের বছরের পর বছর সময় নষ্ট করানো হতো। . এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিশাল একটি বাণিজ্য। বিভিন্ন বোর্ডের পরীক্ষা, সিলেবাস, ট্রেনিং সবকিছু নিয়ে চলছে ব্যবসা। সর্বশেষ ইকরা বোর্ডের পরও আরও কয়েকটি বোর্ড গজিয়ে উঠেছে। [আবাসিক বিস্ফোরণ] একই সময়ে শহরে-বন্দরে আবাসিক মহিলা মাদ্রাসা ও হিফজখানাগুলো চুলের মতো গজিয়ে উঠতে থাকে। দুই রুমের একটা ভাড়া বাসাতেও কয়েকজন হুজুর মিলে মাদ্রাসা খুলতে থাকে। মাদ্রাসা থেকে বের হয়েই অনেকেই আবার নতুন মাদ্রাসা শুরু করে দিতেন। কেউ কেউ কিস্তি তুলে, ধার-দেনা করেও মাদ্রাসা বানিয়েছেন। . বোর্ডগুলো শুধু নিজেদের আন্ডারে মাদ্রাসা নেওয়ার জন্য দৌড়ঝাঁপ করত। কিন্তু মাদ্রাসা পরিচালনার জন্য কোনো শক্ত নিয়ম-কানুন, নীতিমালা বা তদারকির ব্যবস্থা ছিল না। এখনও পর্যন্ত সে অবস্থার তেমন পরিবর্তন হয়নি। [ফলাফল] যখন মাঝে মাঝে বিভিন্ন আবাসিক মাদ্রাসা থেকে ধর্ষণ ও বলাৎকারের ঘটনা বেরিয়ে আসতে থাকে, দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। কিন্তু বোর্ডের মুরুব্বিরা তখন চুপ করে থাকেন। উম্মাহর কল্যাণ নিয়ে এতই চিন্তিত তাঁরা যে, বর্তমান উম্মাহর স্পন্দনই আর বুঝতে পারেন না। . ফলে যা হওয়ার তা-ই হয়েছে। এখন সাধারণ মানুষ হুজুরদের বিরুদ্ধে ‘পায়ুকামি’ ট্যাগ দিচ্ছে, কওমি শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঘৃণা করতে শুরু করেছে, অভিভাবকরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। সংসদেও মাদ্রাসাগুলোতে সরকারি হস্তক্ষেপের আলোচনা উঠেছে। [সর্বশেষ] অর্থাৎ সামনের দিনগুলোতে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার উপর একটা বড় ধরনের খড়্গ নেমে আসতে চলেছে।
211 ·
*মাদ্রাসার সংস্কার নয়, মূল টার্গেট মাদ্রাসা ব্যবস্থাকেই আঘাত করা* অবক্ষয় শুধু আমাদের সমাজে নয়, সারা বিশ্বেই ব্যাপক আকারে বিস্তৃতি ঘটেছে। সমাজের অধঃপতনের প্রভাব থেকে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকও  মুক্ত নন। ফলে তাঁদের মধ্যেও কেউ কেউ নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছেন। সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনা লাইমলাইটে আসা ইতিবাচক মনে হয়। এর ফলে মাদ্রাসা ব্যবস্থার সংস্কার হবে। সমাজের নৈতিকতার অন্যতম কান্ডারি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো। সেগুলোর সঙ্গে যদি অনৈতিক কর্মকাণ্ড জড়িয়ে যায়, তবে এই অঞ্চলের মুসলিম পরিচয় এক সময় বিলীন হয়ে যাবে। আমার বিভিন্ন পোস্টের মন্তব্যসহ সোস্যাল মিডিয়ায় দেখছি, ইসলামবিরোধীরা এসব ব্যক্তিকেন্দ্রিক ঘটনাগুলোকে পুঁজি করে পুরো মাদ্রাসা ব্যবস্থাকেই বিলুপ্ত করতে মরিয়া। *তারা ব্যক্তির অপরাধকে পুরো ব্যবস্থার অপরাধ হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে।* সরকারি হিসাব অনুযায়ী দেশে কমপক্ষে *৩ লাখ ৫০ হাজার মসজিদ রয়েছে* । নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত মসজিদ, মাদ্রাসা, মক্তব, ইবতেদায়ি, খানকাসহ বিভিন্ন ধরনের ইসলামী প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে *এ সংখ্যা ৬–৭ লাখেরও বেশি* । *এর পাশাপাশি তাবলিগের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্কও রয়েছে।* এসব প্রতিষ্ঠানের একটি বড় অংশ কওমি মাদ্রাসা ধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত। যেভাবেই চেষ্টা করা হোক না কেন, দেশের ইসলামী প্রতিষ্ঠানগুলোকে  বিলুপ্ত করা সম্ভব নয়। এ দেশে ইসলাম আল্লাহর ইচ্ছায় এসেছে, ইনশাআল্লাহ ইসলাম থাকবে। চেষ্টা করা  হলে ৫ আগস্টের মতো আবার জেগে উঠবে। ভাবতে অবাক লাগে, *কিছু সমকামী অ্যাক্টিভিস্টও সমকামিতার* জন্য মাদ্রাসাকেই দায়ী করার চেষ্টা করছে! তারা এখন আবার সুফি-সাধুক সেজেছেন! মাদ্রাসা বা কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থেকে কি কখনো  এলজিবিটি অধিকার দাবি করা হয়েছে? বরং ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এ ধরনের আচরণকে গর্হিত হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। যারা সমকামিতার মতো বিকৃত আচরণে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং যারা শিশু যৌন অপরাধে জড়িত—তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের পক্ষে ব্যাপক আওয়াজ উঠলে কিন্তু কান্নাকাটির রোল পড়ে যাবে, কারোর কারোর  চিন্তা হবে, 'আব্বু' তথা পশ্চিমা দাতা দেশ বা সংস্থাগুলো  যদি মাইন্ড করে, আবার এনজিও সেক্টরের  অনেকে খাবো কি চিন্তায় অস্থির হয়ে উঠবেন... মুসলিম হিসেবে আমাদের প্রত্যাশা হওয়
236 ·
Видео
click to show
আর কিভাবে বললে বুঝবেন?
202 ·
সেন্টকম নিশ্চিত করছে যে গতকাল জর্ডানে ইরানের আক্রমণে দুই সৈন্য নিহত হইছে। মোহসেন রেজায়ী গতকাল দুইদিনের আলটিমেটাম দিছিল যে এই দুইদিন পার হইলে আর কোনো 'সীমান্ত' বিবেচনা করা হবে না। আক্রমণের ক্ষেত্রে কোনো বাছবিচার করা হবে না। বাট প্রশ্ন হইল এমনিতেই তো ইরান আঞ্চলিক ঘাটিগুলোতে আক্রমণ করে আসতেছে, তাইলে নতুন করে আবার কী করবে? আপনি যদি খেয়াল করেন তাইলে দেখবেন বিগত সময়ে ইরানি পালটা আক্রমণের মূল ফোকাস ছিল সামরিক অবকাঠামো। রাডার, ডিপো ইত্যাদি। ফলে এগুলো যে পরিমাণে ধ্বংস হইছে, সেই পরিমাণে বা আনুপাতিক হারেও কিন্তু মার্কিন 'সৈন্য' নিহত হয় নাই। কেন? কারণ ইরান ইনফ্রাস্ট্রাকচারেই ফোকাস করছে, পার্সোনাল না। তাই হতাহত হইছে কম। ধ্বংসযজ্ঞ হইছে বেশি। বাট মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সৈন্য আছে ৫০ হাজারের মত। যে অনুপাতে আমেরিকান অবকাঠামো ধ্বংস হইছে, সেই অনুপাতে সৈন্য মরলে অন্তত কয়েকশো মরার কথা। কিন্তু মরে নাই। কারণ ইরান তাদেরকে টার্গেট করে নাই। ডিপ্লোম্যাসি এবং ডি-এস্কেলেশনের পথ খোলা রাখতে। এবার আর সেটা করবে না। সরাসরি সৈন্যদের উপর আক্রমণ হবে। প্রচুর হতাহত হবে। আমেরিকাও হরমুজগান, কেশম দ্বীপ, এগুলোর সাথে সংযোগকারী যত ব্রিজ বা অন্যান্য যোগাযোগ ব্যবস্থা আছে, সেগুলো ধ্বংস করে দিচ্ছে। এবং হরমুজকে ঘিরে দক্ষিণ ইরানে সৈন্য নামানোর প্ল্যান থাকতে পারে। এই অঞ্চলগুলোর অনেকগুলোই সুন্নি আরব অধ্যুষিত। ফলে শিয়া পারসিয়ান ইরান থেকে তাদেরকে স্বাধীনতার জন্য উস্কানি দেওয়া হচ্ছে। লেয়ারে লেয়ারে রাজনীতি, লেয়ারে লেয়ারে জটিলতা। - রাকিবুল হাসান
223 ·
আমেরিকার বিগত ২০ বছরের ইতিহাসে ইরান যুদ্ধ সবচেয়ে বড় ফরেন পলিসি ডিজাস্টার। ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের পর এই-ই প্রথম আমেরিকা তার কোনো অভিযানে কোনো মিত্র পায় নাই। স্পেশালি ইউরোপিয়ান মিত্রদের। ইরাক যুদ্ধের মত অবৈধ যুদ্ধেও ইউরোপিয়ানরা আমেরিকার সঙ্গ দিছে। কারণ দীর্ঘ সময় ধরে এর পক্ষে তারা জনমত ও ন্যারেটিভ উৎপাদন করছে। কিন্তু ট্রাম্প যেহেতু এসবের ধার ধারে না, তাই সে গায়ের জোরে, হুমকিধামকি দিয়ে ইউরোপিয়ানদের ভিড়াইতে চাইছিল, পারে নাই। এই সম্ভাবনা আরও বেশি নাই হয়ে গেছে সাম্প্রতিক ঢালাও ও নির্বিচার বোমা হামলার পর, যেখানে সামরিক অবকাঠামোর পরিবর্তে এমনসব বেসামরিক অবকাঠামোতে আক্রমণ চালাচ্ছে, যেগুলো সরাসরি যুদ্ধাপরাধ। বিষয়টা এমন না যে ইউরোপিয়ানরা যুদ্ধাপরাধ নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত। নেতানিয়াহুর বিগত ৩ দশকের যুদ্ধাপরাধের সামনে ইউরোপিয়ানরা বালিতে মুখ গুজে ঝিম মেরে আছে। ইউরোপিয়ানদের চিন্তার মূল জায়গাটা হল এই যুদ্ধ একটা লস প্রজেক্ট। সো এরকম লস প্রজেক্টের যুদ্ধাপরাধে তারা আবার যুক্ত হবে না। - রাকিবুল হাসান
228 ·
অন্যের ইজ্জতের উপর অন্যায়ভাবে হামলে পড়া খুবই মারাত্মক জিনিস। কতোটা মারাত্মক সেটা বুঝার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, বিদায় হজ্বের ভাষণে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে কয়টা বিষয়ে উম্মতকে সতর্ক করেছেন তার মধ্যে একটা হলো অন্যায়ভাবে অন্যের ইজ্জতহানি করা।
215 ·
Фотография
click to show
বাহরাইনের আমেরিকান "Battleco" এআই ও ডাটা কোম্পানির C&C সেন্টারে চালানো স্ট্রাইক ও কাতারের Al-Udeid বেইসের সেন্ট্রাল লজিস্টিক ডিপোতে চালানো স্ট্রাইকের হাই কোয়ালিটি স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করেছে ইরান
220 ·
Фотография
click to show
যে আমার আনুগত্য করলো সে আল্লাহরই আনুগত্য করলো। যে আমার অবাধ্য হলো, সে আল্লাহরই অবাধ্য হলো। যে আমীরের আনুগত্য করলো, সে আমার আনুগত্য করলো। আর যে আমীরের আদেশ অমান্য করলো, সে প্রকৃতপক্ষে আমারই আদেশ অমান্য করলো। (বুখারি : ২৭৩৭)
253 ·
20 July 2026
H
রসূলুল্লহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ডান কাতে শোয়ার মধ্যে রহস্য | ইবনুল কাইয়িম রহিমাহুল্লহ। • রসূলুল্লহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ডান কাতে শোয়ার মধ্যে একটি রহস্য নিহিত রয়েছে; আর তা হলো, হৃদপিণ্ড শরীরের বাম দিকে ঝুলে থাকে। ফলে মানুষ যখন বাম কাতে শোয়, তখন তার ঘুম গভীর ও ভারী হয়ে যায়, কারণ সে তখন পূর্ণ স্বস্তি ও বিশ্রামে থাকে। কিন্তু যখন সে ডান কাতে শোয়, তখন সে কিছুটা অস্থির থাকে এবং তার ঘুম খুব গভীর হয় না; কারণ হৃদপিণ্ড তখন স্থির থাকে না বরং তার নির্দিষ্ট স্থান খোঁজে এবং সেদিকে ঝুঁকে থাকে। এই কারণেই চিকিৎসকরা পূর্ণ বিশ্রাম ও আরামদায়ক ঘুমের জন্য বাম কাতে শোয়াকে পছন্দনীয় মনে করেন। কিন্তু শরীয়ত প্রণেতা নাবী ﷺ ডান কাতে শোয়াকে পছন্দ করেছেন যাতে ঘুম খুব গভীর না হয়ে যায় এবং মানুষ রাতের ইবাদাতে তথা কিয়ামুল লাইলে দাঁড়াতে ভুলে না যায়। সুতরাং ডান কাতে শোয়া হৃদপিণ্ডের জন্য বেশি উপকারী এবং বাম কাতে শোয়া শরীরের জন্য বেশি আরামদায়ক। আর আল্লাহই ভালো জানেন। সূত্র: জাদুল মাআদ ফী হাদয়ি খয়িরিল ইবাদ, খণ্ড:১ পৃষ্ঠা: ৩১১। #salihalgazi
257 ·
Видео
click to show
১-০ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ফুটবল বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন। বিজয়ী দল বিশ্বকাপ উচিয়ে ধরার সময় দলের সাথেই দাঁড়িয়ে থাকেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যিনি কিছুদিন আগেই ইরান যুদ্ধে সহায়তা না করার জন্য স্পেনের সাথে সব ধরণের বাণিজ্য বন্ধ করার হুমকি দিয়েছিলেন!
242 ·
খেলাফত অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু খেলাফতই দ্বীন না। এমনকি দ্বীনের ভিত্তিও না। বড়জোর সেটা জাহেরি শরিয়াত বাস্তবায়নের ভিত্তি। যেসব নবি খেলাফত কায়েম করতে পারেন নাই তারা ব্যার্থ না। আবার খোদ নবি (সা) মদিনায় রাষ্ট্রীয় ভিত্তি স্থাপনের পূর্বেও দ্বীন ছিলো৷ বাদশা নাজ্জাশি ইমান এনেছিলেন। কিন্তু রাসুলুল্লাহ (সা) মদিনায় ইমারত কায়েমের পরেও নাজ্জাশি সেই রাষ্ট্রে হিজরত করেননি। জাফর তৈয়ার (রা) ইয়াসরিব মদিনা হওয়ার পরের দিন হিজরত করেন নাই। অপারগতাবশত আবু জান্দাল (রা) এবং তাঁর সাথিরা অনেকে খেলাফতের অংশ হতে পারেন নাই। কিন্তু তাঁরা আল্লাহ এবং তাঁর রাসুলের ইমান এনেছিলেন। কোন সন্দেহ নাই খেলাফত কায়েম করা উম্মাহর জন্য ওয়াজিব। ওয়াজিবে কেফায়া। কিন্তু তার মানে এটা না যে প্রত্যেক টম ডিক অ্যান্ড হ্যারি খেলাফত কায়েমের জন্য প্রচেষ্টা চালাবে। খোদ হিজব সিরাত থেকে যা আহরন করেছে সেই ঘটনা লক্ষ্য করলে দেখবেন এই খেলাফত কায়েমে প্রক্রিয়ার রাসুলুল্লাহ (সা) এবং কয়েকজন সাহাবা জড়িত ছিলেন। প্রত্যেক সাহাবা জড়িত ছিলেন তা নয়। বেলাল (রা) কি মানুষদের খেলাফতের দাওয়াত দিয়ে বেড়িয়েছেন?সুমাইয়া (রা)? আমাদের যুগে কিছু মানুষ খেলাফত কায়েমের চেষ্টা করবে এটাতো ঠিক আছে। কারও পক্ষে এজন্য অবদান রাখার যৌক্তিক সামর্থ্য থাকলে তারও সেটা করা উচিৎ। কিন্তু প্রত্যেক মুসলমান দ্বীনের সকল কাজ ছেড়ে কেবল খেলাফতের জন্য চেষ্টা করবে এমন দাবি চূড়ান্ত মাত্রায় অযৌক্তিক এবং অবাস্তব। এমন কাজ সত্যিই করা হলে সেটা বরং খেলাফত  কায়েমের বাস্তব প্রচেষ্টাকে আরও পিছিয়ে দিবে, আরও দুর্বল করে দিবে। বরং অপারগ অবস্থায় যখন খেলাফত নাই তখন দ্বীনের প্রত্যেক অংশকে টিকিয়ে রাখার জন্য উম্মাহ সামষ্টিকভাবে ব্যাক্তিগত ও সামাজিক পর্যায়ে টিকিয়ে রাখবে যেনো উম্মাহর খেলাফতের আকাঙ্ক্ষা টিকে থাকে এবং বাস্তবেই খেলাফত কায়েমের সম্ভাবনা তৈরি হলে উম্মাহ সর্বাত্মক সহায়তা করে। যদি আল্লাহ সত্যিই এমন কিছু দিয়েও দেন তবে তার সংরক্ষণ ও প্রতিরক্ষায় নিজেদের জান মাল সর্বস্ব উৎসর্গ করে। তারা উম্মাহর মাযুরিয়াতকে অস্বীকার করে এবং উম্মাহর উপর এমন বোঝা এমনভাবে চাপিয়ে দিতে চায় যার ওজন বাস্তবে বহন করতে না পেরে উম্মাহর এই আকাঙ্ক্ষারই এক সময় মৃত্যু হবে। এ যেনো একটা শিশুর উপর একটা পূর্ব বয়স্ক মানুষের সামর্থ্য অনুযায়ী বোঝা চাপিয়ে দেওয়া যাতে সে হয়তো মারা পরবে অথবা তার মেরুদণ্ড ভেঙে যাবে। অথচ সে যদি ধীরে
291 ·
I
রাসূল (সাঃ) বলেন, যে দুনিয়াতে কোনো বান্দার দোষ গোপন রাখে, আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন তার দোষ গোপন রাখবেন। [সহীহ মুসলিম : ২৫৯০]
282 ·
⚡⚡⚡⚡⚡ 🇮🇷🇰🇼🇧🇭🇯🇴 উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করছে, আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি 🔺 কুয়েত, বাহরাইন এবং জর্ডান বর্তমানে ইরানের চলমান হামলার প্রধান প্রভাব বহন করছে। অঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হচ্ছে। 🔺 কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা বর্তমানে একাধিক ইরানি ড্রোন হামলা প্রতিহত করছে এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে। 🔺 বাহরাইনে সকালজুড়ে সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে চলেছে। দেশটিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস সতর্ক করেছে যে, ইরান রাজধানী মানামাকে লক্ষ্য করে হামলার পরিকল্পনা করতে পারে এবং মার্কিন নাগরিকদের বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। 🔺 জর্ডানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা অন্তত 3টি ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করেছে। আরও 1টি ক্ষেপণাস্ত্র খোলা এলাকায় আঘাত হেনেছে। 🔺 এর আগে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) দাবি করে যে, তারা কুয়েতে একটি গোলাবারুদ ডিপো এবং একটি বিমান প্রতিরক্ষা রাডার সিস্টেমকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। 🔺 তবে কুয়েত এখন পর্যন্ত এই দাবির কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ দেয়নি। দেশটি বর্তমানে বিদ্যুৎ ও পানি লবণমুক্তকরণ (Desalination) প্ল্যান্টে হওয়া হামলার ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় মনোযোগ দিচ্ছে। 🔺 কুয়েতের ওই অবকাঠামোতে হামলার ঘটনাটি অঞ্চলজুড়ে বিভিন্ন দেশের পক্ষ থেকে নিন্দার মুখে পড়েছে। 𝐂𝐡𝐚𝐧𝐧𝐞𝐥 : @WorldWarReport 𝐂𝐡𝐚𝐭: @WorldWarReport1
447 ·
H
ত্বকের জন্য চাল ধোয়া পানির উপকারিতা যুগে যুগে ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে বা একজিমার মতো সমস্যা উপশমে ত্বকে চাল ধোয়া পানির ব্যবহার দেখা গেছে। চাল ধোয়া পানি মূলত চাল ভিজিয়ে রাখার বা সেদ্ধ করার পর অবশিষ্ট শ্বেতসারযুক্ত তরল। যে কেউ বাড়িতেই এটি তৈরি করতে পারেন। এই লেখায় ত্বকের জন্য চালের পানির উপকারিতা, এটি কীভাবে তৈরি করতে হয় এবং এর ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করা হবে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চালে ইনোসিটলের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি র‍্যাডিকেলের ক্ষতিকর প্রভাবের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। ফ্রি র‍্যাডিকেল হলো উদ্বায়ী অণু যা শরীরের কোষের ক্ষতি করে। ২০১৮ সালে ১২ জন অংশগ্রহণকারীর ওপর পরিচালিত একটি ছোট গবেষণায় ২৮ দিনের জন্য ত্বকে রাইস ওয়াটার জেল পরীক্ষা করা হয়। গবেষকরা দেখতে পান যে, এই চালে অ্যাসকরবিক অ্যাসিড বা ভিটামিন সি-এর মতোই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কার্যকর রয়েছে। ত্বকের বার্ধক্য কমানো চাল ধোয়া পানি ত্বকের বার্ধক্য কমাতে বা ধীর করতে পারে। ২০১৮ সালের ওই গবেষণায় আরও দেখা গেছে যে, চাল ধোয়া পানি ইলাস্টেসের (elastase) কার্যকলাপ কমিয়ে দেয়। এটি এমন একটি এনজাইম যা ত্বকের বার্ধক্যের জন্য দায়ী। এটি ইঙ্গিত দেয় যে চাল ধোয়া পানি ত্বকে বলিরেখা এবং ভাঁজ পড়ার হার কমাতে সাহায্য করতে পারে। ২০০১ সালের একটি গবেষণা অনুযায়ী, ইনোসিটল ত্বকের বিদ্যমান বলিরেখাকে মসৃণ করতে পারে। গবেষকরা ৭ সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন বয়সের নারীদের ওপর ১-২% ইনোসিটল ময়েশ্চারাইজার পরীক্ষা করেছিলেন। গবেষণার শেষে গবেষকরা দেখতে পান যে, ইনোসিটল বলিরেখার আকার ১২.৪% হ্রাস করেছে এবং ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা ১৭% বৃদ্ধি করেছে। ত্বকের জ্বালাপোড়া কমানো ২০০২ সালে, গবেষকরা দুটি দলের ওপর চালের শ্বেতসারযুক্ত পানিতে গোসল করার প্রভাব পরীক্ষা করেন: একটি দল ছিল অ্যাটোপিক একজিমা আক্রান্তদের এবং অন্যটি যাদের ত্বক সোডিয়াম লরিল সালফেট (SLS) দ্বারা ইরিটেটেড বা জ্বালাপোড়া করছিল। তারা দেখতে পান যে SLS ইরিটেশন থাকা ব্যক্তিদের ত্বকের নিরাময় ক্ষমতা ২০% উন্নত হয়েছে। প্রতিদিন দুবার ১৫ মিনিট করে চালের শ্বেতসারের মিশ্রণে গোসল করার পর এই ফলাফল পাওয়া যায়। অ্যাটোপিক একজিমা আক্রান্ত ব্যক্তিদের ত্বকের সুরক্ষাও এই চিকিৎসায় উন্নত হয়েছে। খুশকি দূর করা প্রাথমিক গবেষণা থেকে জানা যায় যে, গাঁজানো চালের পানি নির্দিষ্ট কিছু ছ
106 ·
🇮🇱🇵🇸 ইসরায়েলি হামলায় হামাসের একাধিক অস্ত্র স্থাপনা ধ্বংসের দাবি আইডিএফের ❖ ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (IDF) জানিয়েছে, রাতভর পরিচালিত হামলায় হামাসের একাধিক অস্ত্র স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে। ❖ আইডিএফের দাবি অনুযায়ী, গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় একটি অস্ত্র গুদাম, একটি অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র এবং একটি রকেট উৎক্ষেপণ অবস্থানে হামলা চালানো হয়েছে। ❖ আইডিএফ আরও জানায়, এসব অস্ত্র গাজায় মোতায়েন ইসরায়েলি সেনা সদস্য ও ইসরায়েলি বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল। ❖ সামরিক বাহিনীর ভাষ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য হুমকি দূর করার উদ্দেশ্যে এসব স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে। 𝐂𝐡𝐚𝐧𝐧𝐞𝐥 : @WorldWarReport 𝐂𝐡𝐚𝐭: @WorldWarReport1
425 ·
Фотография
click to show
দুইদিন আগে নারায়ণ_গঞ্জে এক হিন্ডুর সাথে দুই মু_সলিম মেয়ে আট_ক হলো! আজ পঞ্চগড় সিএনডি মোড়ে হিন্ডু যুব_কের সাথে দুইজন মুসলিম মেয়ের সাথে অনৈতিক কাজ করার সময় ধরেছে জনতা। দেশে ভাগ_ওয়া লাভের মহামারী চলতেছে!
231 ·
🎶 ⚡️ LIVE WAR ZONE ALERT ⚡️ 🎶 🌍 ইরান | ইসরায়েল | আমেরিকা | রাশিয়া | ইউক্রেন | মধ্যবাচ্য |পাকিস্তান | আফগানিস্তান 💥 সব যুদ্ধ ও সংঘর্ষের লাইভ আপডেট এক জায়গায়! 🔥 লাইভ কভারেজ অন্তর্ভুক্ত: 🌟🌟 রকেট & ড্রোন হামলা – মুহূর্তে খবর 🪖 সেনা চলাচল & গুরুত্বপূর্ণ সংঘর্ষ 📰 বিশ্লেষণ, রিপোর্ট & সামরিক তথ্য 📌 Stay Ahead – মিস করবেন না! 🔴 আজই যোগ দিন এবং সব খবর পান লাইভ! 🚫 💬 যুদ্ধের হট নিউজ পেতে, এখানে ক্লিক করুন ➡️ [JOIN NOW] ▄︻デ𝐅𝐨𝐥𝐥𝐨𝐰 • 𝐒𝐡𝐚𝐫𝐞 • 𝐒𝐮𝐩𝐩𝐨𝐫𝐭 𝐖𝐖𝐑 ═━一 🎶𝐂𝐡𝐚𝐧𝐧𝐞𝐥 : @WorldWarReport 🤔𝐂𝐡𝐚𝐭: @WorldWarReport1
13.5K ·
⚡️⚡️⚡️⚡️⚡️⚡️ ⚡🇵🇸 — হামাস আনুষ্ঠানিকভাবে প্রয়াত ইয়াহিয়া সিনওয়ারের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে খালেদ আল-হায়াকে আন্দোলনের নতুন নেতা নির্বাচিত করার ঘোষণা দিয়েছে। @WorldWarReport @WorldWarReport1
341 ·
🇺🇸🇱🇧🇮🇱 দক্ষিণ লেবাননে ৩টি পাইলট জোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র 🔺 মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের Froun, Srifa এবং Zawtar Al-Gharbiya গ্রামে পাইলট জোন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। 🔺 এই পরিকল্পনার আওতায় সংশ্লিষ্ট এলাকা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর প্রত্যাহার এবং তাদের স্থানে লেবাননের সেনাবাহিনীর মোতায়েনের কথা রয়েছে। 🔺 যুক্তরাষ্ট্রের মতে, এই কার্যক্রম ত্রিপক্ষীয় কাঠামোর (Trilateral Framework) অধীনে এবং লেবাননের জন্য সামরিক সমন্বয় গ্রুপের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। 🔺 মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, গত সপ্তাহে রোমে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনার সরাসরি ফলাফল হিসেবে এই পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হয়েছে। 🔺 যুক্তরাষ্ট্র আরও জানিয়েছে যে, তারা উভয় পক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাবে যাতে এই কাঠামোর সফল বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা যায়। @WorldWarReport @WorldWarReport1
345 ·
I
[১] ধিক্কার! শতবার ধিক্কার এই মেরুদণ্ডহীন, গোলাম মানসিকতার পরজীবী জাতিকে। যাদের নিজেদের বলতে কিচ্ছু নাই, তারা অন্যের অর্জনের উচ্ছিষ্ট কুড়িয়ে নিয়ে নিজেদের ধন্য মনে করে। [২] যে জাতির রক্তে লেখা ছিল হাজার বছরের সমৃদ্ধ ইতিহাস, যাদের ছিল শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি আর বীরত্বের নিজস্ব রাজত্ব, তারা আজ পরিণত হইছে  মানসিকভাবে পঙ্গু, বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধী এক খাঁচার পশুতে। বিজাতীয় শাসনের শৃঙ্খল হয়তো একসময় ভাঙছে কিন্তু মস্তিষ্কের ভেতরের দাসত্বকে এরা আপন কইরা নিছে। [৩] বিদেশি কিছু খেলোয়াড়ের জয়ে রাস্তায় কাদামাটিতে গড়াগড়ি খেয়ে কান্না, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, এমনকি প্রাণহানি কিছুই বাদ যাইনি এই সোনার দেশে। নিজের জন্মদাতা বাবার চেয়ে বিদেশি ফুটবলারকে ‘আব্বা’ ডাইকা আত্মপ্রসাদ পাওয়ার চেয়ে বড় জিল্লতি, এর চেয়ে বড় কুৎসিত দেউলিয়াপনা আর কি হইতে পারে ভাই। এটা স্রেফ কোনো আবেগ নয়, এটা একটা জাতির আত্মপরিচয়ের চূড়ান্ত মৃত্যুঘণ্টা। এটা বিকৃত, দেউলিয়াপনা এক পারভার্টেড মানসিকতার পরিচয়। [৪] আমরা নিজেদের গৌরবান্বিত ইতিহাসকে ডাস্টবিনে ছুইড়া ফেলছি। তাই আজ অন্যের সাফল্যে বিনা বেতনের মাগনা কামলা খাটছি। নিজেদের কোনো অস্তিত্ব নেই, নিজস্ব কোনো অর্জন নেই, স্বকীয়তার মাফকাঠি শূন্য। অথচ মেকি উন্মাদনায় আমরা নাকি বিশ্বজয়ী। [৫] এই দাসত্ব, এই মেকি আবেগ আর এই আত্মপরিচয়হীন মানসিকতার মুখে থুথু দেওয়া উচিত। নিজেদের ইতিহাস ভুলে যারা অন্যের সস্তা বিনোদনের বলির পাঠা হয়, তারা কোনো জাতি নয়, তারা কেবল একদল দিকবিদিকশূন্য, পরিচয়হীন ভবঘুরে শোয়ারের পাল। - সুমন আহমাদ
144 ·
Архив по месяцам
Open in Telegram Каталог площадок Искать в ChatCrawler

A snapshot of an open public feed from the search index ChatCrawler — “Google for public Telegram”; refreshed as the venue is crawled. Times are UTC.

Public content only, official Telegram API. About · FAQ · What we do not do · Remove a page · Catalog