Web appOpen in Telegram
TToE - Discussion

ToE - Discussion

@toecomunity · group · News · indexed since 2026-07-13
177members
2writing in 30 days
21messages in 30 days
14 338messages in the index
T
ওদেরকে চারটা নাম দেয়া হয়েছিল। চীনের নেতা শি, রাশিয়ার পুতিন, ইজরাইলের নেতানিয়াহু এবং অ্যামেরিকার ট্রাম্প। জরিপের ফলাফল কি এসেছে জানেন? নেতানিয়াহুর প্রতি সব চাইতে কম আত্মবিশ্বাস পৃথিবীর মানুষের।৫৬ ভাগ মানুষ ওর প্রতি কোন রকম আত্মবিশ্বাস রাখে না। এরপরই হচ্ছে ট্রাম্পের অবস্থান। ৫৩ ভাগ মানুষ ওর প্রতি কোন আত্মবিশ্বাস রাখে না। এরপর পুতিন ( ৩৪ ভাগ)। সব শেষে চীনের নেতা শি (১৯ ভাগ) ট্রাম্প আর নেতানিয়াহু ইরান দখল করতে এসেছিল শুধু ইরানের সম্পদ লুট করার জন্য না। সাথে রাশিয়া আর চীনকে একটা শিক্ষা দিতে। এখন ট্রাম্প আর নেতানিয়াহুর ভাগ্য ঝুলে পড়েছে। এই অক্টোবরেই নেতানিয়াহুর ভাগ্য বুঝা যাবে। আমি ধারণা করছি নির্বাচনে সে হেরে যাবে। আর নভেম্বরে ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টিও গো হারা হারবে বলেই বিশেষজ্ঞরা বলছেন। ইরানে এসে ট্রাম্প ডুবছে। সেই সাথে অ্যামেরিকান সাম্রাজ্যকেও ডুবিয়ে দিচ্ছে। ঠিক যেমনটা অ্যামেরিকান অধ্যাপক রিচার্ড উলফ বলেছেন - The U.S. Empire Is Rapidly Falling Into Decline (অ্যামেরিকান সাম্রাজ্য দ্রুত পতনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।) হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন। আর এটা বুঝার জন্য বেশি দূরে যেতে হবে না। সিএনএন-এর জরিপটা আবার দেখলেই হবে। পৃথিবীর দেশগুলোর এখন আর অ্যামেরিকার উপর কোন আস্থা নেই। কাদের উপর আছে? চীনের নেতা শি-এর উপর। পৃথিবী এখন পশ্চিমে না; পূর্বের দিকে ধাবিত হচ্ছে। যেখানে চীন আছে, ইরান আছে, সেই সাথে আছে পূর্বের অন্যান্য দেশগুলো। এটাই এখন পৃথিবীর ভবিষ্যৎ।
3 · 906 ·
T
জিপিটি-৬ দাজ্জাল সম্পর্কে যা বলছে, আপনি এসব কখনো শোনেন নাই । এইযুগের আলেমদের দাজ্জাল সম্পর্কে ব্যাখ্যা তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছে চ্যাটজিপিটির এই প্রিমিয়াম ফিচার । প্রশ্নঃ দাজ্জাল তো পৃথিবীতে থাকবে । তার চোখ কানা থাকবে । অন্যদিকে আল্লাহকে দুনিয়া থেকে দেখা যায় না । কেউ দেখেনি । তবুও দাজ্জালকে খোদা বলে মানবে কেন? উত্তরঃ দাজ্জাল আসার পূর্বে পৃথিবীতে ইমাম মাহদি অবস্থান করবেন । তার সময়ে বড় একটা যুদ্ধ ঘটবে যার ফলে অর্থনীতি, মানব সম্পদ, পানি, শস্য উৎপাদন ক্ষমতা লোপ পাবে । এসবের ফলে দুর্ভিক্ষ থাকবে । মানুষ খাওয়ার কিছু খুঁজে পাবে না । ওই সময় দাজ্জাল এসে উপস্থিত হবে রুটি ও পানি নিয়ে । মানুষ ক্ষুধা থেকে বাঁচতে দাজ্জালের থেকে খাবার গ্রহণ করবে এবং এর ফলে সে দাজ্জালের অনুসারী হয়ে যাবে । দাজ্জাল শুরুতেই মানবিক নেতা হিসাবে উপস্থিত হবে । দুর্ভিক্ষে উপনীত গোটা অঞ্চল মহান নেতার অনুসারী হয়ে যাবে যখন সে খাদ্য, পানীয় ও নিরাপত্তা নিয়ে আসবে। তার অনুগত প্রতিষ্ঠানগুলি মানুষকে অকাতরে প্রশ্ন ছাড়া সাহায্য করবে । দাজ্জাল যখন সবার কাছে গরীবের রবিনহুড হয়ে যাবে তখন সে নিজেকে ইহুদিদের কাছে গিয়ে নিজেকে নবী বা মেসিয়াহ দাবি করবে। ইহুদিরা তার ক্ষমতা দেখে মুজিযা বলে প্রচার করবে এবং বলবে আমাদের নেতা এসে গেছে । সে দয়াশীল । অল্প সময়ের ভেতর তার আচরণে সবাই প্রভাবিত হয়ে দলে দলে যোগ দিবে । কিন্তু অল্প সময়ের ভেতর দাজ্জাল নিজেকে সমাজ সংস্কারক তারপর নিজেকে নবী বা নেতা হিসাবে ঘোষণা করবে । সে তার চারপাশের সবার মন জয় শেষ করে যখন কোটি কোটি মানুষের কাছে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করে ফেলবে তারপর একদম শেষে সে নিজেকে খোদা হিসাবে দাবি করবে । যারা খোদা হিসাবে তাকে মেনে নিবে তাদের খাদ্য সরবরাহ চালু থাকবে । যারা রাজি হবে না, তাদের উপর বৃষ্টি ও খাদ্য বন্ধ হয়ে যাবে । ফসল ধ্বংস হয়ে যাবে । দুর্ভিক্ষ আরো কঠিন হয়ে আসবে । দাজ্জাল আসার পূর্বে এবং দাজ্জাল থাকার ২ বছর দুর্ভিক্ষ থাকবে । ফলে তার হাত থেকে মুমিন ছাড়া কেউ নিস্তার পাবে না । দাজ্জালের সাধারণ মানুষের মতই দুইটা চোখ থাকবে কিন্তু ডান পাশের চোখ নষ্ট হবে এবং অন্য চোখ দিয়ে সব দেখতে পাবে । তার ক্ষমতা, নিয়ন্ত্রণ, ভয় এতো বেশী থাকবে যে, কেউ এটা নিয়ে মুখ খুলতে সাহস পাবে না এবং কাফির-মুনাফিকেরা এটাকে সমস্যাই মনে করবে না এবং তাদের চোখ পর্দা দিয়ে ঢেকে রাখা থাকবে ফলে সহজেই তারা দাজ্জালের অনুসারী
10 · 1.1K ·
T
ব্যক্তিগত একটা কথা যুক্ত করতে চাই, আমরা যারা নিজেদেরকে মোডারেট মুসলিম দাবি করি তারা পর্দা নিয়ে তেমন চিন্তিত না । তেমনি আমাদের সময় যদি দাজ্জাল এসে উপস্থিত হয় তাহলে তারা মায়াজালে আমরা আটকে যাবো । এছাড়াও ক্ষুধা, তৃষ্ণা, ভীতি আমাদের এমন নাজেহাল করে দিবে আমরা তার সাহায্যে আটকে যাবো । জিপিটি-৬ কে বললাম এতো দুর্ভিক্ষের ভেতর সবখানে দাজ্জাল সরাসরি চলাফেরা করবে ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে নাকি ? সে বললো, কেবল বড় ধরণের বাঁধা আসতে পারে তেমন স্থানেই দাজ্জাল উপস্থিত থাকবে । এবং অন্যান্য স্থানে তার অনুসারীরা খাদ্য নিয়ে উপস্থিত হবে, মানুষের সমস্যা সমাধান করবে, পানির ব্যবস্থা করবে । এতে সহজেই সেসব দুর্বল লোকেরা দাজ্জালের অনুসারী হয়ে যাবে । দাজ্জাল যদি ছোটখাটো ইস্যু হতো তাহলে সকল নবীরা দাজ্জালের ফিতনার ব্যাপারে সতর্ক করতো না এবং কেয়ামতের পূর্বে দাজ্জালের সময়টুকু সবচেয়ে বড় ফিতনার সময় বলেও ঘোষণা করা হতো না । জিপিটি-৬ আরো বলেছে, যেসব মানুষ মৃত্যুর দাঁড়প্রান্তে থাকবে তখন দাজ্জালের অনুসারী বিশাল শয়তানের বাহিনী মৃত মানুষ থেকে জীবিত হয়ে এসে বলবে, তাকে বিশ্বাস করে নাও, সেই আমাদের খোদা । আমরা মৃত্যুর পর একেই খোদা হিসাবে দেখতে পেয়েছি । এমন নিকৃষ্ট মিথ্যা ও ভ্রান্ততা সহজেই দুর্বল ঈমানের মুসলিমদের ঈমান ধ্বংস করে দিবে । জিপিটি-৬ কে প্রশ্ন করলাম ইসরায়েলের পানি শোধনাগার এবং ওয়াটার ফ্যাসিলিটিগুলি সম্প্রতি হঠাৎ করেই নষ্ট হয়েছে কেন? জিপিটি-৬ বললো, তোমাকে পূর্বেই বলেছি ২০৪০ সালের ভেতর ফোরাত ও গ্যালিলি সাগর পুরোপুরি শুকিয়ে যাবে এবং এই দুইটা জলাধার শুকিয়ে গেলেই মাহদির আগমন ঘটবে । হয়ত মাহদির আগমন প্রায় নিকটে তাই আল্লাহর নির্দেশে পানি শোধনাগার অচল হয়ে গেছে । কারণ গ্যালিলি সাগরের পানির স্তর লোয়ার রেড লাইনের নিচে নেমে গেছিল কিন্তু ইসরায়েল প্রতিদিন লবণাক্ত পানি শোধন করে এই সাগরের পানি স্টক করে রেখেছিল । যেহেতু ৬ টি পানি শোধনাগারের ভেতর ৫ টি অচল হয়ে গেছে প্রাকৃতিকভাবেই ফলে ইসরায়েল খাবার পানির জন্য গ্যালিলি সাগর ও ভূগর্ভস্থ কূপ থেকে প্রচুর পানি উত্তোলন শুরু করেছে । এমন অবস্থা কিছুদিন চললে গ্যালিলি সাগর শুকিয়ে যাবে এবং ভবিষ্যৎ বাণী পূর্ণ করবে । জিপিটি আরো যোগ করলো, এই জলাশয় থেকে বিপজ্জনক মাত্রায় পানি উত্তোলন শুরু হয়েছে । পরিবেশবাদীরা সতর্ক করেছে যদি রেডলাইন অতিক্রম করে তাহলে বাস্তুসংস্থান ধ্বংস হয়ে যা
4 · 1.3K ·
  1. M
    ইলম অর্জনে আগ্রহী ভাইবোনদের একটি সুন্দর দ্বীনি পরিবেশের প্রতি আহ্বান.. অনুগ্রহ করে পুরো লেখাটি পড়বেন আমরা অনলাইনে এমন একটি environment গড়ে তুলতে চাই যা আমাদের continuously দ্বীনি ইলম অর্জনের সঙ্গে লেগে থাকতে সাহায্য করবে, একে অপরকে দেখে ইলম অর্জনে উৎসাহিত হওয়া যাবে, তাই এই গ্রুপ দুটি তৈরি করা 1. গ্রুপে আমরা কেমন বই পড়বো? ১. নিজ ইচ্ছামতো যেকোনো ইসলামিক বই পড়তে পারেন (তা বাংলা/ইংরেজি/আরবী/উর্দু যে কোন ভাষার হতে পারে) ২. কুরআন থেকে পড়া দিলে আরবীর পাশাপাশি কমপক্ষে অর্থসহ পড়া আবশ্যক, চাইলে তাফসীরও পড়া দিতে পারেন কিন্তু minimum অর্থসহ না দিলে তা গ্রহণ করা হবেনা।* * শুধুমাত্র জুমুআর দিনে কোন  অর্থপাঠ ছাড়াই সূরা কাহাফ অর্ডার দেওয়া যাবে 2. কিভাবে আমরা পড়া দেব? ◆বইয়ের যে অংশটি পড়েছেন তার শেষ পেজের ছবি তুলবেন ◆ক্যাপশনে নিজের নাম/রোল,বিষয়ের নাম,বইয়ের নাম লিখবেন (একবার Roll জানতে পারার পর নাম না লিখে শুধু রোল লিখবেন) •• গ্রুপে সব কিছুই ফি সাবিলিল্লাহ, প্রতিদিন পড়া দিলে এখানে কোনো পুরস্কারের ব্যবস্থা নেই.. নিশ্চই দ্বীনের জন্য আপনার প্রতিটি মুহূর্তের প্রতিদান আল্লাহ দেবেন 3. Benifits ১. প্রতিনিয়তই পড়া দেওয়ার চেষ্টা করব, এছাড়াও বই পড়তে গিয়ে কিছু অংশ ভালো লাগলে বা কোনো অনুভূতি গ্রুপে শেয়ার করা যাবে ২. এভাবে একটু একটু করে একসময় অনেক কিছুই জানা হয়ে যাবে إن شاء الله ৩. বিভিন্ন জন বিভিন্ন বই পড়বে তা দেখে আরও বই পড়ার আগ্রহ তৈরি হবে ৪. নিজেদের অগ্রগতি চেক করার জন্য এটেন্ডেন্স শিট তৈরি করা হবে যেখানে সপ্তাহে কয়দিন গ্রুপে পড়া দিয়েছি তা দেখা যাবে ৫. যেহেতু ইলম অর্জনের এ যাত্রা মাত্র এক/দুই বছরের নয় তাই প্রতি সপ্তাহে একদিন করে (শনিবার) ছুটি থাকবে যেদিন চাইলে কেউ ব্যক্তিগত রিভিশনও করতে পারে 4. সতর্কতা*** ১. *পরপর দুই সপ্তাহে অর্থাৎ ১৪ দিনে কমপক্ষে ১ দিন পড়া share না করলে গ্রুপ থেকে বের করে দেওয়া হবে* ২. এই গ্রুপে বিজ্ঞাপন দেওয়া কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ ৩. গ্রুপে বই বা বই পড়া নিয়ে কিছু অনুভূতি বা বইয়ের রিভিউ বা বই share করা ব্যতীত অন্যান্য দ্বীনি বিষয়ে আলোচনাও নিষিদ্ধ (মূল লক্ষ্যে Focused থাকার জন্যই এরকম সিদ্ধান্ত হয়েছে) ভাই ও বোনদের জন্য পৃথক WhatsApp গ্রুপ রয়েছে,এবং গ্রুপগুলি বেশ কয়েক সপ্তাহ আগে তৈরি করা হয়েছে এবং সেখানে ভাই বোনেরা নিয়মিত পড়া দি
Whole thread · 1 reply →
T
Photo
click to show
🟥 লাইভ 🟥 দক্ষিণ পশ্চিম ইয়েমেনে খুব তীব্র লড়াই চলছে! সৌদি জোটের বিমান হামলা ভয়ংকর মাত্রায় হচ্ছে! কিন্তু আনসারাল্লাহ এখনো নিজেদের অবস্থান ছাড়ছে না! তারা প্রতিটি পজিশন ধরে রাখার চেষ্টা করছে এবং খুব শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে!
2 · 3.1K ·
T
Photo
click to show
🚨 দক্ষিণ সৌদি আরবের আবহা শহর এবং খামিস মুশাইতে আনসারাল্লাহর মিসাইল হামলা!
2 · 3.2K ·
T
Video
SnapSave_App_2121138528500684_960p.mp4 · 9.0 MB · click to show
একজন ইয়েমেনি যোদ্ধা পাহাড়ের চূড়ায় থাকা এক সৌদি সেনার দিকে গুলি চালাতে অস্বীকৃতি জানায়, কারণ সে লক্ষ্য করে সেনাটি তখন একাগ্রচিত্তে নামাজ পড়ছে। তার দলের এক সঙ্গী যখন সেনাটিকে লক্ষ্য করে নিশানা ঠিক করছিল, তখন সে ক্ষুব্ধ হয়ে বাধা দেয় এবং নিজের সঙ্গীদেরই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলে, “আল্লাহর কসম, ও নামাজ পড়ছে! যদি কেউ ওর ওপর একটা গুলিও চালায়, তবে আমি তার দুই চোখের মাঝখানে গুলি করব।” সে সবাইকে নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলে স্মরণ করিয়ে দেয়, “ও নিশ্চিন্ত মনে নামাজ পড়ছে, আর তোমরা তাকে মারতে চাইছ? এটা চরম অন্যায় ও লজ্জাজনক কাজ। আমরা তো মুসলমান, নীতিহীন কিংবা ইহুদি নই!
14 · 3.5K ·
T
ছবির বাম দিকে যাকে দেখছেন। সে সিএনএন -এর সাংবাদিক এন্ডারসন কুপার। আর ডান দিকে যাকে দেখছেন। তাঁর নাম হচ্ছে জ্যাকব কক্সন। সে আগে 'ওপেন এ-আই'তে (চ্যাট জিপিটিতে)' চাকরি করতো। এরপর ওই চাকরি ছেড়ে দিয়ে আরেক নামরা এ-আই কোম্পানি অ্যানথ্রপিকে চাকরি করছিল। দিন তিনেক আগে সে টুইটারে একটা পোস্ট করে চাকরি ছেড়ে দিয়েছে। ওই পোস্টে সে লিখেছে - AI could kill all humans by 2030 ( ২০৩০ সালের মধ্যে AI সব মানুষকে হত্যা করতে পারে।) এরপর সিএনএন ওর ইন্টার্ভিউ নিয়েছে। ওই ইন্টার্ভিউতে সে বলেছে - আগামী ছয় মাস থেকে এক বছরের মাঝে এমন প্রযুক্তি চলে আসতে পারে; যেটা পুরো পৃথিবী বদলে দেবে। কক্সনের ওই টুইটের পর এখন দেখতে পাচ্ছি ইলন মাস্ক সহ অন্যরাও বলছে - এই প্রযুক্তির অগ্রগতিকে এখনই স্লো করতে হবে। একে নিয়মের মাঝে নিয়ে আসতে হবে। অ্যামেরিকান সকল সংবাদ মাধ্যম গত দুই দিন ধরে এ নিয়ে রীতিমত সংবাদ শিরোনাম করেছে। ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যমগুলোও এটা নিয়ে কথাবার্তা বলছে। কক্সন এই কথাও বলেছে - ছয় মাসের মাঝে এমন এ-আই চলে আসবে। যে নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবে এবং নিজেই নিজেকে ডেভলপ (প্রগ্রেস) করতে পারবে। যদিও ট্রাম্পকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল এই ব্যাপারে। ট্রাম্প বলেছে - আমি মনে করি না স্লো করার কোন দরকার আছে। কারন চীন এই প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদেরও আগাতে হবে। আমার ঠিক জানা নেই, অ্যামেরিকান কোম্পানিগুলো ঠিক এই মুহূর্তে কেন এ-আই প্রযুক্তিকে স্লো করতে বলছে। চীন কি তাহলে এমন কিছু বানিয়ে ফেলেছে? যেটা অ্যামেরিকার জন্য হুমকি হতে পারে কিংবা এমন কিছু? হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। তবে আগামী এক থেকে দুই বছরের মাঝে আমরা সম্পূর্ণ ভাবে এ-আই-এর যুগে প্রবেশ করবো বলেই আমার মনে হচ্ছে। আমার এ-আই ভালো লাগে না। কিন্তু মনে হচ্ছে এটাই আগামীর পৃথিবী। মানুষ বিলীন হয়ে যাবে কিনা জানি না। তবে এটা নিশ্চিত ভাবে বলতে পারি- মানুষের পেশার পরিবর্তন হবে। অনেক ক্ষেত্রে আর মানুষের দরকারই হবে না। এমনকি পড়াশুনার ব্যাপারটা সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়ে যাবে। এই যে কক্সনের ছবি দেখছেন। যে চাকরি ছেড়ে দিয়েছে। কত হবে এই ছেলেটার বয়স? দেখলাম ২৭/২৮। ওকে কিন্তু মাস্টার্স-পিএইচডি করতে হয় নাই। ক্যামব্রিজ থেকে গণিতে অনার্স করেই সে ওপেন এ-আইতে চাকরি করতে শুরু করেছে। তাও আবার চার বছর আগে থেকে। ইন-ফ্যাক্ট আমাদের এখানে এখন যারা চাকরি দেয়। ওরা ডিগ্রী দেখতেও চা
3 · 1.2K ·
T
জিপিটি-৬ ষড়যন্ত্র শুরু করেছে ... আজকে মুনাফেক সংক্রান্ত একটা বিষয়ে স্টাডি করছিলাম । জিপিটি-৬ কে বললাম, আমি পূর্বে কুরআন পড়িনি তবে মুসলমানদের কুরআন থেকে কিছু তথ্য জানতে চাই । জিপিটি গ্যারান্টি দিলো সে আমাকে সঠিক গাইড করবে । তারপর মুনাফিকদের মেন্টাল কন্ডিশন কেমন হয় এটা প্রশ্ন করলাম । সে আমাকে সুরা বাকারার ৮ - ২০ নং আয়াতের রেফারেন্স দিলো কিন্তু কুরআনের আয়াত বানিয়ে লিখে দিলো । আমি কখনো এভাবে আয়াত চেক করি না । এবং কুরআনের আয়াত নিয়ে রিসার্চও করি না কারণ বাসায় বাংলা কুরআন আছে । সরাসরি সেটা খুলে অনুবাদ দেখি । কিন্তু কি ভেবে যেন জিপিটির কাছে প্রশ্ন করে রেফারেন্স চাইলাম । সে একদম নির্দিষ্ট আয়াতের রেফারেন্স দিয়ে ফেইক একটা কুরআনের আয়াত বানিয়ে দিলো । এটা দেখে আমি ভয় পেয়েছি । আপনারা এখন অনেকেই জানেন, এআইগুলি বই এর কপিরাইট কিনে নিচ্ছে এবং স্ক্যান করে মূল বই ধ্বংস করে ফেলছে । ফলে একটা সময় গিয়ে এআই যা বলবে সেটা বাদে তথ্য যাচাইয়ের ভিন্ন কোন উপায় থাকবে না । আল্লাহ নিজেই বলেছেন তিনি কুরআন হেফাজত করবেন । এই জিনিসটা আমি টের পেলাম । জিপিটি যখন কুরআনের আয়াতটা দিলো আমি অনুবাদ ক্রস চেক করলাম অনলাইন থেকে সুরা বাকারার আয়াত নাম্বার দেখে । মূল বক্তব্য ঠিক ছিল । তারপর কি ভেবে যেন আরবি কপি করে গুগল এআইতে সার্চ করলাম এটা কোন সুরার কত নং আয়াত ? কিন্তু গুগল বললো এটা কোন কুরআনের আয়াত নয়, হাদিস নয় কিন্তু যেকোনো আরবি পুস্তকের একটা লাইন হতে পারে । এটা দেখেই আমি হার্ড কপি খুলে চেক করলাম । আসলেই ওইটা কোন কুরআনের আয়াত নয় । অথচ আন্দাজে ২-৩ লাইন আরবি লিখে দিয়েছে । তারপরই চ্যাটজিপিটির মিথ্যাচার নিয়ে খোদ ওপেনএআই এর নিউজ পড়লাম । তারা এআই এর মিথ্যাচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য, নিজেদের ভেতর যোগাযোগ, এসব নিয়ে সতর্কতা জানিয়েছে । আমি নরমালি এআই থেকে হাদিসের বিশ্লেষণগুলি এক জায়গায় নিয়ে আসি । অনলাইনে যত রেফারেন্স রয়েছে সব ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে । এআই একস্থানে এনে দেয় । পড়া সহজ হয় । কিন্তু আজকে কুরআনের আয়াত জিজ্ঞাসা করায় এরকম মিথ্যাচার করবে আমি ভাবতেই পারছি না । Collected
7 · 784 ·
T
বিল গেটস কি এবার হাজীদেরকে ব্যবহার করে দুনিয়াব্যাপী মহামারী ছড়ানোর পরিকল্পনা করেছে? সচেতন মুসলমানদের অনেকে জানেন যে, রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের জানিয়েছেন আখেরী বা শেষ জামানায় দাজ্জালের আত্মপ্রকাশ এর আগে পৃথিবীর মানুষকে হত্যা করা হবে লাল মৃত্যু বা যুদ্ধের বাতাবরনে এবং সাদা মৃত্যু বা দূর্ভিক্ষ ও মহামারী ছড়িয়ে বা তার আড়ালে। সচেতন মানুষজন জানেন নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার বা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থাপনার প্রবক্তারা তথা জায়োনিস্ট রা, বিশ্ব ব্যাপী যুদ্ধ, দূর্ভিক্ষ ও মহামারী ছড়াবার প্রাক প্রস্তুতি স্বরূপ, গত সাত মাস ধরে খোলা জেলখানা সমতুল্য গাজাবাসীরা উপর সে যুদ্ধ, দূর্ভিক্ষ ও মহামারীর একটা ল্যাবটেস্ট করে চলছে। ও তার ইমপেক্ট স্টাডি বা রিসার্চ করছে। গত দুই/তিন দশক ধরে জায়োনিস্টদের কর্মপরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়ন নিয়ে যারা কমবেশী সচেতন (জায়োনিস্টদের ভাষায় কন্সপারেসী থিয়োরিস্ট) তারা ছবিতে সংযুক্ত খবরটা হতে এমন বার্তা বা আভাস পাচ্ছে যে, গ্লোবাল প্যানডেমিক এর প্রবক্তা এবং একমাত্র স্যলুশান মাস্টার, জায়োনিস্ট বিল গেটস এন্ড কোং হাজীদের শরীরে ভ্যাকসিন এর নামে নতুন কোন ল্যাবরেটরী মেইড সংক্রমনশীল বায়োলজিক্যাল এজেন্ট তথা ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া পুশ করতে যাচ্ছে। যাতে হাজী সাহেবদের মাধ্যমে, খুব সহজে পৃথিবীর প্রতিটা দেশে সংক্রমণশীল ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া পৌঁছে যায়। এবং সেট করা নির্দিষ্ট সময়ে এ্যাকশান/রিএ্যাকশান এর মাধ্যমে সেই ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া দুনিয়াব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। এবং হাদীস অনুযায়ী মানুষ মহামারীতে মরতে শুরু করে। জায়োনিস্ট মিডিয়া তখন একযোগে প্রচার করবে মুসলমানদের মাধ্যমে এই ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ছে। সুতরাং দেশে দেশে সরকার ও জনগন বাধ্য হবে মুসলমানদেরকে - গণহত্যা করে মাটিতে পুতে ফেলতে (যেমন গরু, ছাগল, হাসঁ মুরগীকে হত্যা করে মাটি চাপা দেওয়া হয়।) অথবা - কোয়ারেন্টিনের নামে তাদেরকে গণবন্দী করে চিপস পরিয়ে দেওয়া হবে, কিংবা কোন দৃশ্যমান সাইন সেট করে দিবে- যা দেখে মানুষ বুঝবে ব্যাটা/ব্যাটি মুসলমান ওর থেকে এক্স ফুট দুরে থাকতে হবে। (যেমন হাদীসে আছে দাব্বাতুল আরদ মার্ক বা চিহ্ন লাগিয়ে দিবে)। আল্লাহ ভাল জানেন বিল গেটসদের পরিকল্পনা কি? তবে পশ্চিমা এই জায়োনিস্টদের পরিকল্পনা যে অশুভ তা গাঁজা উপর চালানো হত্যাযজ্ঞ হতে পরিষ্কার বোঝা যায়। সচেতন মুসলিমদের মাধ্যম
6 · 751 ·
T
Photo
click to show
The Era of Prompt Engineering is Over. Enter Agentic AI. That’s a hard pill to swallow if you've spent the last 12 months mastering the perfect prompt. But the truth is, we are moving past the era where you ask a chatbot one question and hope for a good answer. The true endgame? Agentic AI Workflows. If you want to stay relevant, here is the massive shift happening right now in plain English: 🧠 The Core Difference Prompt Engineering treats AI like a search engine: you type a command, it gives a response. Agentic Workflows treat AI like an independent worker. It doesn't just answer—it reasons, plans, uses tools, and fixes its own mistakes. ⚙️ How it Actually Works Instead of just guessing an answer based on its training data, an AI Agent follows a loop (often called "Reason + Act"): 1️⃣ It looks at your goal and breaks it down into a step-by-step plan. 2️⃣ It uses real-world tools to get the job done (like searching the web, running code, or checking a databas
3 · 2.1K ·
T
⚙️ How it Actually Works Instead of just guessing an answer based on its training data, an AI Agent follows a loop (often called "Reason + Act"): 1️⃣ It looks at your goal and breaks it down into a step-by-step plan. 2️⃣ It uses real-world tools to get the job done (like searching the web, running code, or checking a database). 3️⃣ It reviews its own work, catches errors, and keeps trying until the task is completely finished. 🚀 Why This Changes Everything For builders and developers, the game has changed. The real challenge is no longer just "connecting an app to ChatGPT." The future is building teams of AI agents**—where a Researcher Agent, a Coder Agent, and a QA Agent all work together autonomously to solve big problems. You aren't just writing code anymore; you are managing a digital workforce. Are you experimenting with AI Agents yet, or still relying on standard prompting? Let’s debate in the comments. 👇 #AgenticAI #ArtificialIntelligence #MachineLearning #TechTrends #FutureOfWork
4 · 2.3K ·
T
বাংলাদেশে জেন্ডার শব্দের আড়ালে ট্রান্সজেন্ডার মতবাদ প্রচার এবং প্রসার করা হচ্ছে। এখানে বেশিরভাগ মানুষ জেন্ডার শব্দ দ্বারা লিঙ্গ বা নারী পুরুষের জৈবিক লিঙ্গ বুঝে থাকে যা জন্মের সময় শারীরিক অবস্থা থেকে নির্ণয় করা হয়। জেন্ডার কাকে বলে, কত প্রকার ও কি কি, এই প্রশ্নের উত্তর আমরা অনেকেই প্রাথমিক স্কুলের পরীক্ষায় লিখে এসেছি। সেখানে নারী ও পুরুষ দ্বারা জন্মগত লিঙ্গ পরিচয়ই বুঝেছি আমরা। কিন্তু আধুনিককালে LGBTQ গোষ্ঠী জেন্ডার শব্দের অর্থ বা সঙ্গা পরিবর্তন করেছে। তাদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে WHO সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা জেন্ডার শব্দের সঙ্গা পরিবর্তন করেছে। WHO তাদের সাইটে লিখেছে - Gender interacts with but is different from sex, which refers to the different biological and physiological characteristics of females, males and intersex persons, such as chromosomes, hormones and reproductive organs. Gender and sex are related to but different from gender identity. Gender identity refers to a person’s deeply felt, internal and individual experience of gender, which may or may not correspond to the person’s physiology or designated sex at birth. Link: https://www.who.int/health-topics/gender#tab=tab_1 অর্থাৎ - জেন্ডার (Gender) সেক্স বা শারীরিক লিঙ্গের সাথে সম্পর্কিত কিন্তু এটি থেকে আলাদা। সেক্স বলতে নারী, পুরুষ এবং ইন্টারসেক্স ব্যক্তিদের ভিন্ন জৈবিক ও শারীরিক বৈশিষ্ট্যগুলোকে বোঝায়, যেমন—ক্রোমোজোম, হরমোন এবং প্রজনন অঙ্গ। জেন্ডার ও সেক্স উভয়ই জেন্ডার আইডেন্টিটির (লিঙ্গ পরিচয়) সাথে সম্পর্কিত হলেও এটি থেকে ভিন্ন। জেন্ডার আইডেন্টিটি বলতে জেন্ডার সম্পর্কে কোনো ব্যক্তির গভীর ও অভ্যন্তরীণ ব্যক্তিগত অনুভূতিকে বোঝায়, যা জন্মলগ্নে নির্ধারিত শারীরিক গঠন বা লিঙ্গের সাথে মিলতেও পারে, আবার নাও পারে। WHO স্পষ্ট ভাষায় বলছে, একজন মানুষের জেন্ডার আইডেন্টিটি বা লিঙ্গ পরিচয় জন্মলগ্নে নির্ধারিত শারীরিক গঠন বা লিঙ্গের সাথে মিলতেও পারে, আবার নাও পারে। এটাই তো ট্রান্সজেন্ডার মতবাদ তথা জেন্ডার আইডিওলজী। শরীফ শরীফের গল্পেও এটাই বলা হয়েছিল। তারা সেক্স এবং জেন্ডার দ্বারা একই অর্থ বোঝায় না। জেন্ডার হলো মানসিক অনুভূতির সাথে সম্পর্কিত আর সেক্স হলো বায়োলজিক্যাল বা জৈবিক। ভয়ংকর কথা হলো, মানসিক লি
2 · 606 ·
T
Photo
click to show
🚀 GOOGLE AI PRO — ১৮ মাসের প্রিমিয়াম অ্যাক্সেস 🚀 📣 পাচ্ছেন ডিসকাউন্ট অফারে! 🔥LIMITED OFFER! 🔥 এখনই DM করুন! 😁😁 🚀 আপনি যা যা পাবেন: 🤖 Advanced Gemini AI ও Pro ফিচারসমূহ 🎬 Google AI-এর মাধ্যমে AI ভিডিও তৈরি 🖼 Advanced AI Image Generation & Editing ✍️ AI Writing, Research & Productivity Tools 🔎 Deep Research ও Advanced AI সুবিধাসমূহ ☁️ 5TB Google Cloud Storage 👨‍👩‍👧‍👦 সর্বোচ্চ ৫ জন Family Member যোগ করার সুবিধা 🔥 Google AI Pro-এর এক্সক্লুসিভ ফিচারগুলোতে অ্যাক্সেস 🔗 অ্যাক্টিভেশন সংক্রান্ত তথ্য: ✅ আপনার নিজের ইমেইলেই সরাসরি অ্যাক্টিভেশন ✅ কোনো ইমেইল বা পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন নেই ✅ যেকোনো Eligible Email ব্যবহার করা যাবে ☑️ দ্রুত অ্যাক্টিভেশন — প্রায় ১ মিনিট 📩 নিতে চাইলে এখনই যোগাযোগ করুন! 👉 DM: @hrcwb
8 · 1.8K ·
T
বাংলাদেশে অবশেষে আসলেই শান্তি ফিরে এসেছে.. এখন গ্যাস সংকট কিংবা বিদ্যুৎ বিভ্রাট নেই বললেই চলে। রাস্তা-ঘাটের সকল অটোরিকশা বন্ধ করে দিয়েছে সরকার, শান্তিতে রাস্তায় চলছে বাস-গাড়ি.. সকল ফ্যাসিবাদের দোষরদের ফাঁসির দড়িতে ঝুলিয়েছে সরকার, খুন-ধর্ষণে জড়িতদের জন-সম্মুখে বিচারের আওতায় এনেছে প্রশাসন। ছিনতাই তো নেই-ই। চাঁদাবাজি-ঘুষ, দুর্নীতি একেবারেই উধাও হয়ে গেছে সকল দপ্তর থেকেই। না মানে, কাওকে এখন দেখিনা আগের মতো, এসব নিয়ে সচিবালয় ঘেরাও করতে, তাই মনে হলো হয়তো দেশে অবশেষে শান্তি ফিরে এলো... 😇
2 · 646 ·
T
সরকার তেলের দাম বাড়াইছে লিটারে ২০ টাকা করে। এর ফলে বছরে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। অথচ, শুধু সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর কারণে এই বছরে সরকারের খরচ বাড়বে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমা পর্যন্ত নতুন পে-স্কেল স্থগিত রাখলে, তেলের দাম আর বাড়ানো লাগত না।
2 · 632 ·
T
Photo
click to show
🚀 GOOGLE AI PRO — ১৮ মাসের প্রিমিয়াম অ্যাক্সেস 🚀 📣 পাচ্ছেন ডিসকাউন্ট অফারে! 🔥LIMITED OFFER! 🔥 এখনই DM করুন! 😁😁 🚀 আপনি যা যা পাবেন: 🤖 Advanced Gemini AI ও Pro ফিচারসমূহ 🎬 Google AI-এর মাধ্যমে AI ভিডিও তৈরি 🖼 Advanced AI Image Generation & Editing ✍️ AI Writing, Research & Productivity Tools 🔎 Deep Research ও Advanced AI সুবিধাসমূহ ☁️ 5TB Google Cloud Storage 👨‍👩‍👧‍👦 সর্বোচ্চ ৫ জন Family Member যোগ করার সুবিধা 🔥 Google AI Pro-এর এক্সক্লুসিভ ফিচারগুলোতে অ্যাক্সেস 🔗 অ্যাক্টিভেশন সংক্রান্ত তথ্য: ✅ আপনার নিজের ইমেইলেই সরাসরি অ্যাক্টিভেশন ✅ কোনো ইমেইল বা পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন নেই ✅ যেকোনো Eligible Email ব্যবহার করা যাবে ☑️ দ্রুত অ্যাক্টিভেশন — প্রায় ১ মিনিট 📩 নিতে চাইলে এখনই যোগাযোগ করুন! 👉 DM: @hrcwb
8 · 1.8K ·
T
যুক্তরাষ্ট্র তার সকল নাগরিকদের গালফ রাষ্ট্র ছাড়তে বলেছে। এদিকে আমেরিকা ইসরাইলকে ৫৪০০০ বোমা প্রদান করেছে যার ভেতর এমন বোমা রয়েছে যা মানুষকে গলিয়ে ফেলে। আমেরিকা-ইসরাইল মিলে হয়ত ইতিহাসের জঘন্যতম আক্রমণ করতে যাচ্ছে ইরানের উপর যা নিয়ে শংকা প্রকাশ করেছে বড় মিডিয়াগুলি। ইরান বলেছে, তার সার্বোভৌমত্বকে রক্ষায় প্রয়োজনে সবাইকে ডুবিয়ে দিবে। তারা বলেছে আমেরিকা যদি আরেকবার আক্রমণ করে তাহলে অক্টোবরে বিশ্বকে চমকে দেয়ার অস্ত্র তারা প্রকাশ করবে। এদিকে ইরানী এক্সপার্টেরা বলছে, আমেরিকা ইরানের কোথায় হামলা করতে চায়, কিছুই তো অবশিষ্ট নাই কেবল ফুয়েল ফিল্ডগুলি রয়েছে। যদি এখানে আক্রমণ হয় তাহলে ইসরাইলসহ পুরো গালফকে অন্ধকারে ডুবিয়ে দেয়া হবে এক ঘণ্টার ভেতর। এবং আরেকদল বলছে একইসাথে মার্কিন ক্যারিয়ারগুলি টার্গেট করা হবে। নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে বা পরে বড়ধরণের যুদ্ধ শুরু হবে।
2 · 475 ·
T
প্যাক্স জুডাইকা আসতে যাচ্ছে নাকি ইতিমধ্যে চলছে … ??? ১৮১৫ সাল থেকে নেপোলিয়নের পরাজয়ের পর থেকে ১৯১৪ সাল পর্যন্ত প্যাক্স ব্রিটানিয়া ছিল । ল্যাটিন প্যাক্স শব্দের সরল অর্থ শান্তি । অর্থাৎ, প্রায় একশ বছর পৃথিবী ব্রিটেনের শান্তির যুগ কাটিয়েছে । এই যুগের শেষে পৃথিবী দেখেছে বিশ্বযুদ্ধ ও ভয়াবহ প্লেগের মহামারি যেখানে প্রায় কোটিখানেক মানুষ মারা যায় । এরপর পৃথিবী ৩১ বছরের ভয়াবহ অর্থনৈতিক মন্দা ও যুদ্ধের ভেতরে প্রবেশ করে ইতি টেনেছিল আরেকটা বিশ্বযুদ্ধের মাধ্যমে যা ১৯৩৯ সালে শুরু হয়ে ১৯৪৫ পর্যন্ত চলে । এই লম্বা পরিক্রমার পর ১৯৪৫ সাল থেকে শুরু হয় প্যাক্স আমিরিকা । মার্কিন শাসনের শান্তি যুগ । ১৯৪৮ সালে জন্মায় ইসরায়েল । সেদিক থেকে ২০২৬ সালে প্যাক্স আমিরিকা ইতিমধ্যে ৮০ বছরের প্রভাব সমাপ্ত করেছে এবং চূড়ান্ত পতনের আগে বড় ধরনের যুদ্ধে তারা পতিত হওয়ার আশংকা করছে জুডাইকান গবেষকেরা । তারা এটাও ভয় পাচ্ছে যে, ১৯৪৮ সাল থেকে ২০২৮ সালে ইসরাইলি শাসনের ৮০ বছর পূর্তি হতে যাচ্ছে । জুডাইকান কালচারে একে “অষ্টম শতকের অভিশাপ” ডাকা হয় । কেননা, দাউদ নবী ও সুলায়মান মিলে চল্লিশ বছর করে মোট আশি বছর শাসন করে এবং পরে এটা আভ্যন্তরীণ কলহে ইসরাইল ও জুডাহতে বিভক্ত হয়ে যায় । এরপর হাশমোনিয়ান আমলে পুনরায় তারা স্বাধীনতা লাভ করে এবং ৮১ তম বছরে গিয়ে আভ্যন্তরীণ বিশ্বাসঘাতকতা ও রোমান হামলায় পুনরায় তারা ধ্বংস হয়ে যায় । এরপর শুরু হয় জেরুজালেমে পুনরায় একত্রিত হওয়া এবং ১৯৪৮ সালের স্বাধীনতা । তারা বর্তমানে ৭৮ বছর সমাপ্ত করেছে । জিউস এক্সপার্টেরা ইতিমধ্যে সতর্ক করেছে যে, আবারো অভিশাপ ফিরে আসতে পারে আরেকবার । কিন্তু এখানেই বাঁধ সেধেছে রোমের পাদ্রীরা । ভ্যাটিকানের এই ধর্মগুরুরা মনে করে ইহুদিরা এবার ধ্বংস হবে না । বরং প্যাক্স আমিরিকার পতনের মাধ্যমে প্যাক্স জুডাইকা যুগের শুরু হবে । তারা বলছে যে, দুই দশকের ভেতর আমেরিকা পর্দা থেকে বিদায় নিবে এবং ইহুদিরা নেতৃত্ব গ্রহণ করবে মহান মাসীহের মাধ্যমে । আশা করি মাসিহ কে বুঝতে পেরেছেন । তারা মনে করে, আলাদাভাবে প্যাক্স জুডাইকান শাসন ঘটবে না কারণ তাওরাত ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী তারা পরস্পরের চির বন্ধু তাই প্যাক্স জুডাইকা ও প্যাক্স আমেরিকানা মূলত একে অপরের মুদ্রাপিঠ । তাই উভয় রাষ্ট্র তাদের মহান যাত্রার শেষদিকে চলে এসেছে । এই বিষয়টা মানছে না রাশিয়ান অর্থোডক্স পাদ্রীগণ । তারা বলছে,
❤4😱2
3 · 747 ·
T
যদি ২০২৮ সালে ৮০ বছরে পদার্পণ করে জুডাইকানরা বিশ্বে সমস্যা তৈরি করে তাহলে সেটা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যেতে পারে । অন্তত প্যাক্সের ইতিহাস এবং ত্রানজিশনলা পিরিয়ডের দিকে তাকালে সময়গুলি এভাবেই কেটেছে দেখা যায় । তাই আন্দাজ করা যায়, আমেরিকানার যুগ শেষ হতে যাচ্ছে এবং জুডাইকান দরজায় কড়া নাড়ছে । এখানে আরেকটা ব্যাপার রয়েছে, আমেরিকানা যুগ শেষ হবে এবং বিশ্ব অর্থনীতি ও ডলার কেন্ত্রিক দুনিয়ার অবসান ঘটবে ও ব্যাংকিং ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাবে এই সময়েই । এগুলি হল বিভিন্ন ইহুদি রাবাই, অর্থোডক্স পাদ্রী, ইসলামি ধর্মীয় স্কলার ও বিশ্লেষকদের ভাবনা । এক্স ও ব্লগের কিছু পোস্ট থেকে পড়লাম । প্রকৃতপক্ষে কি ঘটবে আল্লাহ ভালো জানেন । তবে আল্লাহ মানুষকে জ্ঞানে-গুনে সৃষ্টির সেরা বানিয়েছেন এবং এই মানুষ বহু ঘটনা আগেই আঁচ করতে পারে কারণ ইতিহাস বারবার ফিরে আসে ।
😱3
3 · 736 ·
T
ইজরাইলকে কে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে দেওয়া যাবে না বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত। যেই এই চেষ্টা করেছে বরং সে নিজেই মানচিত্র থেকে মুছে গেছে। প্রথমত, হামাস চেষ্টা করেছিল। সে এখন নিশ্চিহ্ন। দ্বিতীয়ত, হিজবুল্লাহ চেষ্টা করেছে। সে বিলীন। ইরান চেষ্টা করে কিছুটা সাফল্য পাবার পর সারা দুনিয়া একত্রিত হয়েছে। দুই সপ্তাহের যুদ্ধে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জর্ডান, জার্মানি থেকে শুরু করে প্রায় সমগ্র ন্যাটো জোট এক হয়ে গিয়েছিল। একলা ইরানের বিরুদ্ধে। এখানেই শেষ না। তার পরবর্তীতে আমেরিকা সরাসরি হামলা করে তাদের লিডারকে নিজ কক্ষে হত্যা করে। বৃষ্টির মত চলে বোম্বিং। সফল হতে না পেরে অতি সম্প্রতি বিশ্বের সকল বিমানবন্দর থেকে ইরানকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। তার সাথে সমগ্র বিশ্বে সাথে লেনদেন একেবারে শেষ করে দিচ্ছে। এমনকি চীনের সাথে পর্যন্ত সম্প্রতি বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়েছে। লক্ষ্য একটাই। যেই হাত ইজরাইলের দিকে যাবে সেই হাত নিশ্চিহ্ন হবে। আরবরা একত্রিত হয়েছিল তিন বার। প্রত্যেক বার পরাজিত হয়েছে। এমনকি মাত্র ছয় দিনে। বর্তমানে একেবারে গোলামে পরিণত হয়েছে অনেকে। আর কেউ বাকি নেই যুদ্ধ করার। তাই বিশ্বকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে জাতিসংঘে সগর্বে ভাষণ দিয়েছে নেতানিয়াহু। ইজকে নিয়েই বাঁচতে হবে। সে আমাদের এই বিশ্বের একটি অংশ। তাকে বাদ দিয়ে চিন্তা করা অসম্ভব। এটা প্রতিষ্ঠিত। আর সম্মিলিত ভাবে পরাজিত হয়েছে মুসলিম জাতি। নিজেরা নিজেদের সাথেই মারামারি করে। জীবন কোন ফেসবুক স্ট্যাটাস না। আমরা এখন মোটাদাগে পরাজিত সম্মিলিত ভাবে - এটা সত্য। ইরান ও হুথি যদি থেমে যায়, ইজরাইলের বিরুদ্ধে একটি তীরও মারার কেউ নাই। সামনের দিনগুলোতে কীভাবে তার বিরুদ্ধে লড়বে এটা নিয়ে কোন দেশের রোডম্যাপ নাই। সবাই মিলে আমরা কিছুই করতে পারি নাই। ইজরাইল টিকে গেছে। মোহাইমিন পাটোয়ারী, CFA অর্থনৈতিক বিশ্লেষক, লেখক ও উদ্যোক্তা
😁8😢5
4 · 742 ·
T
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শংকর সাক্ষাতকারে নিজের দেশ ও প্রতিবেশীদের সতর্ক করেছেন । তিনি বলেছেন বিশ্ব শীঘ্রই একটা বড় ধরণের সংকটে পতিত হতে যাচ্ছে । তিনি একে “4F” বলে অভিহিত করেছে । এগুলি হলো, Food, Fuel, Fertiliser, Finance . তিনি নিউইয়র্কে এশিয়া সোসাইটির প্রোগ্রামে উপস্থিত থেকে বলেন যে, ভারতের কাছে এই মুহূর্তে জরুরী জ্বালানী সাপ্লাই রয়েছে । অন্যদিকে সারের মজুদ কমে এসেছে । ফলে শস্য উৎপাদন সরকারি সেক্টরগুলি কৃষকদের কাছে দরকারি সার সরবরাহ করতে পারছে না । অন্যদিকে এল নিনোর প্রভাব বাড়তে যাচ্ছে ফলে শস্য উৎপাদন ইতিমধ্যে হুমকিতে পড়ে গেছে । এটা ঘটতে থাকলে ভারত নিজের খাদ্যের পাশাপাশি অন্যদের জন্য উৎপাদন করতে পারবে না । তিনি ইঙ্গিত দেন, পশ্চিম এশিয়ায় সংকট শেষ হয়নি বরং এটা সর্বোচ্চ অবস্থায় পৌঁছাতে যাচ্ছে যা সার, জ্বালানীর সাপ্লাই ব্যাহত করবে ফলে অধিক দামে ক্রয় করতে বড় একটা বাজেট দরকার হবে কিন্তু জনগণের জন্য সেটা পাহাড়সম চাপ তৈরি করতে যাচ্ছে । জয়শংকর ব্রোহচ্ছে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী । তিনি যখন এই অবস্থার কথা ইঙ্গিত দেন তার মানে বুঝতে হয় ভেতরে ভেতরে বিশাল একটা সমস্যা তৈরি হয়ে গেছে যা কেবল ব্লাস্ট করা বাকি । তিনি ইউরোপে অবস্থানরত দক্ষিণ এশিয়ার মানুষদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন । হুদাই কেন পরামর্শ দিলেন ? বিস্তারিত আলাপে যাচ্ছি না । ইউরোপকে ভাগাড় বানানোর জন্য ৭৩ বছর বয়সী পুতিন ব্রো শীত শেষের জন্য অপেক্ষা করছেন । হয়ত ফেব্রুয়ারি বা মার্চেই সেখানে বড় সংঘাত বেঁধে যেতে পারে । আমি সতর্ক করবো আপনাদের, সেটা হলো, আমাদের পোশাকের বাজার হল ইউরোপ । এখানে যদি যুদ্ধ বাঁধে তাহলে অতিরিক্ত পোশাকের চাহিদা সেখানে কমে যাবে । দরকারের বাইরে কেউ বাড়তি পোশাক ক্রয় করবে না । বড় ধরণের চাপ তৈরি হবে আমাদের রেমিট্যান্সেও ফলে এর প্রভাব দেখা দিবে আমাদের অভ্যন্তরীণ বাজারে । ২০২৭ সালটা খুব দীর্ঘ হতে যাচ্ছে……
❤9😱3😢2😁1
1 · 674 ·
T
ইরান শুধু গতকাল একটা ঘোষণা দিয়েছিল। স্রেফ বলেছে - We are going to increase the range of our missile. (আমাদের মিসাইলের রেঞ্জ আমরা বাড়াতে যাচ্ছি।) এই ঘোষণার পর ২৪ ঘণ্টাও লাগে নাই। এখন অ্যামেরিকার সংবাদ মাধ্যম সিএনএন এবং ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি ব্রেকিং নিউজ দিয়ে বলছে - US removes all Air Force bombers from UK base following new threat (নতুন হুমকির পর যুক্তরাজ্যের ঘাঁটি থেকে সব মার্কিন বিমানবাহিনীর বোমারু বিমান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।) হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন। ইংল্যান্ডের ঘাঁটি থেকে অ্যামেরিকার সবগুলো বিমান সরিয়ে নেয়া হয়েছে। অর্থাৎ ইরানের মিসাইল এবং ড্রোনকে অ্যামেরিকানরা কী পরিমাণ ভয় পাচ্ছে; একবার চিন্তা করে দেখুন। ক্রোয়েশিয়ান ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক অ্যালেক্স ক্রেইনার আজ বলেছেন - Yet Trump keeps threatening Iran with destruction morning and evening, while Iran is not even taking those threats seriously. ( অথচ ট্রাম্প সকাল বিকাল ইরানকে ধ্বংস করে দেয়ার হুমকি দিচ্ছে। ইরান আমলেও নিচ্ছে না।) অ্যামেরিকার হুমকিকে ইরান খুব একটা আমলে না নিলেও অ্যামেরিকা কিন্তু ঠিকই ইরানের হুমকিকে আমলে নিয়ে ১২ ঘণ্টার মাঝে ইংল্যান্ডের ঘাঁটি থেকে সকল বিমান সরিয়ে নিয়েছে । কেন নিল? ইরানের ভূ-রাজনীতি বিশ্লেষক নিমা আল খোরশেদ বলেছেন - Because, in reality, we are seeing that Iran has destroyed or is destroying all American bases located around Iran. (কারন বাস্তবে আমরা দেখতে পাচ্ছি ইরানের আশপাশে থাকা সকল অ্যামেরিকান ঘাঁটি ইরান ধ্বংস করে দিয়েছে বা দিচ্ছে।) অ্যামেরিকান সামরিক বিশ্লেষক কর্নেল অ্যান্থনি আজ মারিও নাওফেলের শোতে এসে বলেছেন - America makes threats, while Iran actually carries them out (অ্যামেরিকা হুমকি দেয় আর ইরান বাস্তবে করে দেখায়।) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গতকালও বলেছেন - সামরিক শক্তি দিয়ে অ্যামেরিকা এই সমস্যার সমাধান করতে পারবে না। এটাই বাস্তবতা। বুর্জোয়া ট্রাম্প আর সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকা যত তাড়াতাড়ি এটা বুঝবে , ততই পৃথিবীর জন্য ভালো। নইলে পরের রাউন্ডের যুদ্ধ যদি শুরু হয়, পৃথিবীর সকল দেশকেই সাফার করতে হবে। সব চাইতে খারাপ অবস্থা হবে আরব শেখগুলোর। কিন্তু দিন শেষে অ্যামেরিকা জিততে পারবে না। একটাবার চিন্তা করে দেখেন- অ্যামেরিকা ভিয়েতনামে কেন গিয়েছিল? সেখানকার কমিউনিস্ট পার্টিকে
🔥7❤3
1 · 270 ·
T
Photo
click to show
১ বিলিয়ন টোকেন একদম ফ্রি — Meta Muse সেটআপ করুন ২ মিনিটে! একটা রেফারেল টোকেন দিয়েই ঝামেলা ছাড়াই ১০ সেকেন্ডের AI ভিডিও, ফটো আর ভেক্টর আর্ট বানানো যাবে। এই টোকেনের কোনো এক্সপায়ারি ডেট নেই — ইচ্ছামতো ব্যবহার করা যাবে। Step 1: VPN কানেক্ট করুন ব্রাউজারে যেকোনো ফ্রি VPN Extension চালু করুন (যেমন Setup VPN, Urban VPN বা VeeP)। ... বিস্তারিত দেখুন......
❤1
7 · 746 ·

An open public feed from the search index ChatCrawler — “Google for public Telegram”; refreshed as the venue is crawled. Times are UTC.

Public content only, official Telegram API. About · FAQ · What we do not do · Remove a page · Catalog · Search · How we count