আমরা যেখানে যাই নিজেদের জাত চেনাই।
নিচের যে লিস্টটা দেখছেন,এই UK ইউনিভার্সিটি গুলো বাংলাদেশীদের জন্য বন্ধ।
এই লিস্ট টা আরো বড়,এখানে আংশিক দেয়া হয়েছে।
১ বছর আগেও হাতে গোনা ১ কি ২ টা বাদে বাকি সবই খোলা ছিল বাংলাদেশীদের জন্য।
মিডিয়াম রেঞ্জের যে ইউনিভার্সিটিগুলা যেগুলায় একটু কম খরচে পড়তে আসা যায়,প্রায় সবই বন্ধ।
আমরা বিদেশে পড়তে এসে শুধু পড়া বাদে বাকি সবই করি।
ক্লাস করি না,টিউশন ফি দেই না,এসেই এসাইলেম ক্লেইম করি,যেকোনো উপায়ে থাকার জন্য যতরকম অবৈধ উপায় আছে সব এপ্লাই করি।
ফলাফল,পরবর্তীতে যারা আসতে চায় তাদের পথ বন্ধ করে দিচ্ছি।
দিচ্ছি না,অলরেডি দিয়েছি।
আস্তে আস্তে সব উন্নত দেশের রাস্তাই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে আমাদের কৃতকর্মের কারনে।
"দেশে কিছু করতে পারছি না,লাগা বিদেশ" এই নীতিতে বিদেশ আসবেন না।
বিদেশ হাতের মোয়া না যে বাংলাদেশের মত কান্ট্রিতে যেখানে কিছু করতে পারছেন না,সেখানে বিদেশ গিয়ে ফাটায় ফেলবেন।
বিদেশ গিয়ে আসলেই পড়াশোনা শেষ করতে পারবেন কিনা,আপনার সে যোগ্যতা আছে কিনা সেটা ভেবে সিদ্ধান্ত নেন।
দেশের পড়াশোনাই শেষ করেছেন টেনেটুনে,নাই কোনো স্কিল,ইংলিশটাও বলতে পারেন না ঠিক মতো অথচ ছুটছেন উচ্চ শিক্ষার জন্য।
এরপর এসে অন্যের হক নষ্ট করছেন,অন্যদের রাস্তা বন্ধ করছেন।
এসব করবেন না।
নইলে কিছুদিন পর পাকিস্তান গিয়ে মাস্টার্স করা ছাড়া আর কোনো রাস্তা খোলা থাকবে না।
40 · Photo
click to show
click to show
ইসলামিক বই প্রকাশকদের আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন "ইসলামিক পাবলিশিং অবজারভেটরি" চালু করেছে, যা অনুবাদ, স্বত্ব, বিতরণ ও ডিজিটাল রূপান্তর নিয়ে তথ্য সংগ্রহ ও প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। এটি ইস্তাম্বুলে তাদের প্রতিষ্ঠাতা সম্মেলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল।
ইস্তাম্বুল সাবাহাত্তিন জাইম বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দিনের এই সম্মেলনে ৭২টি দেশের ২৫০-রও বেশি প্রতিনিধি অংশ নেন, যাদের মধ্যে প্রকাশক, বিশ্ববিদ্যালয়, বিতরণকারী ও লেখক সংগঠন ছিল।
43 · উত্তরাখণ্ডের খটিমায় জন্ম নেহা বোরার। বাবার চাকরির কারণে ছোটবেলার একটা সময় কেটেছে পশ্চিমবঙ্গেও। বাবা ভারতীর সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, মা গৃহিণী।
নেহা নিজেও কয়েকটি সাক্ষাৎকারে বলেছে, ছোট বেলা থেকে দেখে এসেছেন তার পরিবার বিজেপির রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাসী।
কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নেহা নিজের পথ নিজেই বেছে নিয়েছেন।
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অরবিন্দো কলেজে পড়েছেন। এরপর ড. বি আর আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স। এখন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব আর্টস এর পিএইচডি গবেষক।
ছাত্রজীবনের শুরুতেই যুক্ত হয়ে যান বামপন্থী ছাত্র সংগঠন AISA তে। সেই পথ ধরে আজ তিনি সংগঠনটির জাতীয় সভাপতি।
গত কয়েক মাসে ভারতের ছাত্র আন্দোলনের রাজনীতিতে নেহা বরা হঠাৎ করেই খুব পরিচিত একটি মুখ হয়ে উঠেছেন।
নেহাকে আমি প্রথম ফেসবুক রিলসে দেখতে পাই
দিল্লির জন্তর মন্তরে ২৩ দিনের অনশনের সময়কার ভিডিওতে।
ভারতের প্রখ্যাত অভিনেত্রী শাবানা আজমি অনশনরত শুয়ে থাকা নেহার হাত ধরে কথা বলছেন এমন একটি ভিডিওতে।
এরপর ভিন্নভন্ন ছাত্র আন্দোলনে তার সরাসরি উপস্থিতি, ঝাড়খণ্ডের আন্দোলনে অংশ নেওয়া, এমনকি আন্দোলনের মিছিলে তাঁর দিকে কালি ছুড়ে দেওয়ার ঘটনা গুলো তো তাকে ধীরে ধীরে সর্বত্র পরিচিত করে তুলে।
তাছাড়া ভারতীয় মিডিয়াতে এক প্রকার সেন্সর এবং অচ্ছুৎ হয়ে থাকা কারান্তরীন ছাত্রনেতা ওমর খালিদ ,শারজিল এর মুক্তি চেয়ে দেয়া নেহার সাহসী বক্তব্য~ সাক্ষাৎকার গুলো দেখবার পর ওর ফেসবুক ,ইনাস্ট্রা একাউন্ট খুজে ফলো দিয়ে রেখেছিলাম।
নেহা বোরার চিন্তা,আদর্শ আমার সাথে বা আমাদের অনেকের সাথে হয়তো সম্পুর্ণ আলাদা।
কিন্তু একটা জিনিস অস্বীকার করার উপায় নেই; নিজের পরিবার, নিজের চারপাশ কিংবা প্রচলিত নিরাপদ পথের সঙ্গে মিল না থাকলেও নিজের বিশ্বাসকে বেছে নেওয়ার সাহস সবার থাকে না।
কয়েকমাস আগে 'নিট পেপার লিক' এর সফল আন্দোলন পরবর্তী ভারতীয় নির্বাচন কমিশনার এর পদত্যাগ দাবীতে চলমান আন্দোলনের চেহারা উঠেছে এই 'নেহা বোরা'।
রাজনীতির ইতিহাসে প্রতিটি প্রজন্মে এমন কিছু মুখ আসে, যারা শুধু কোনো সংগঠনের পদধারী হয়ে থাকে না। একটা সময় তাদের মুখের সঙ্গে একটা সময়ের গল্প জড়িয়ে যায়।
কেউ তাদের ভালোবাসে, কেউ বিরোধিতা করে। কেউ তাদের সাহস বলে, কেউ তাদের ভুল বলে মনে করে।
~তবু তারা আলোচনায় থেকে যায়।
কারণ ইতিহাসে সব মানুষকে মনে রাখা হয় না। কিন্তু প্র
❤3
43 · 🇺🇸🇸🇦🇾🇪 Houthis-বিরোধী Saudi-backed অভিযানে গোয়েন্দা ও লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়তা দিচ্ছে U.S.
U.S. গোয়েন্দা তথ্য ও লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়তার মাধ্যমে Houthis-বিরোধী Saudi-backed অভিযানে সমর্থন দিচ্ছে। তবে সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিচ্ছে না।
Saudi Defense Minister Prince Khalid bin Salman, U.S. Defense Secretary Pete Hegseth-এর কাছে U.S. airstrikes চালানোর অনুরোধ করেন। তবে U.S. কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, Washington আপাতত কোনো ‘kinetic action’ নিচ্ছে না।
CENTCOM হামলার বিরোধিতা করেছে। তাদের মতে, Yemen ইস্যু U.S.-এর Iran-কেন্দ্রিক মনোযোগ থেকে বিভ্রান্ত করতে পারে।
— Axios
@WorldWarReport @WorldWarReport1
3 · 280 · 🛑 BIG BREAKING - কর্ণাটকে বিস্ফোরণ। 🛑
ইতিহাসে প্রথম। নির্বাচন কমিশনের অফিসের ভেতরেই মন্ত্রিসভা নিয়ে অনির্দিষ্টকালের ধরনায় মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার।
এই মাত্র পাওয়া খবর অনুযাযয়ী,দক্ষিণ ভারত কাঁপিয়ে দিল কর্ণাটক।
মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার তাঁর গোটা মন্ত্রিসভা,সমস্ত বিধায়ক,সাংসদদের নিয়ে কর্ণাটক রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ের ভেতরেই ধর্নায় বসে পড়েছেন।
তাঁর সাফ ঘোষণা —
"আমার দাবি না মানা পর্যন্ত,এবং ব্যাপক হারে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত আমি এক ইঞ্চিও সরব না। এখানেই থাকব।"
এটা কেন ঐতিহাসিক?
১. সরকার বনাম কমিশন: আজ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীরা রাজভবনের বাইরে ধরনা দিয়েছে, কিন্তু নির্বাচন কমিশনের অফিসের ভেতরে গোটা সরকার নিয়ে ধরনা স্বাধীন ভারতে এই প্রথম। এর মানে,জ্ঞানেশ কুমারের SIR-এর নামে যে ভোটার লিস্ট থেকে নাম কাটার খেলা চলছে,তা আর সহ্য করতে পারছে না রাজ্য সরকারগুলো।
২. ১৯৮ জনের ঘটনাই আগুনে ঘি ঢেলেছে: গতকালই কর্ণাটকে এক বিজেপি নেতা ১৯৮ জন মুসলিম ভোটারের নাম কাটার আবেদন করে FIR খেয়েছে। আজ মুখ্যমন্ত্রী নিজে বলছেন — এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়,এটা একটা ব্যাপক চক্র। পিছনে কারা? উত্তর একটাই — বিজেপি।
৩. বিজেপির মুখোশ খুলে গেল: যারা দিনরাত SIR এর নামে চিৎকার করছে,তারাই আসলে Selective Voter Deletion করছে। ডি কে শিবকুমার আজ বুঝিয়ে দিলেন — ভোটে জিততে পারবে না জেনেই ভোটারদেরই বাদ দিয়ে দাও, এটাই মোদী-শাহের নতুন ফর্মুলা।
দিল্লীতে CJP-র জেল ভরো,মুম্বইয়ে শাবানা-নসীর,আর এবার বেঙ্গালুরুতে গোটা সরকারের ধর্না।
এটা আর আন্দোলন নয়,এটা জনবিস্ফোরণ। নির্বাচন কমিশন যদি এখনও বিজেপির টিয়া হয়ে থাকে,তাহলে গোটা দেশের সরকার একে একে তার অফিসেই ধরনায় বসবে।
ডি কে শিবকুমার দেখিয়ে দিলেন,ভয় পেলে চলবে না, কমিশনকে তার অফিসের ভেতরেই প্রশ্ন করতে হবে।
37 · লুলা ও ফ্লাভিও বলসোনারোর মুখোমুখি লড়াই ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচনে
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা এবং ডানপন্থী সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারো রোববার প্রথম দফা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মুখোমুখি হচ্ছেন, জরিপে লুলা এগিয়ে থাকলেও ব্যবধান কমে আসছে। লুলা তার চতুর্থ মেয়াদের জন্য লড়ছেন, আর ফ্লাভিও বলসোনারো তার বাবা, সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর উত্তরসূরি হতে চাইছেন। কেউই সরাসরি জয়ের সম্ভাবনায় নেই বলে মনে করা হচ্ছে, প্রয়োজনে ২৫ অক্টোবর দ্বিতীয় দফা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এই নির্বাচন হচ্ছে গভীর রাজনৈতিক মেরুকরণের মধ্যে, ফ্লাভিও তার বাবার মুক্তির চেষ্টার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং ব্রাজিলের ইলেকট্রনিক ভোটিং ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। জাইর বলসোনারো তার ২০২২ সালের নির্বাচনী পরাজয় উল্টে দেওয়ার চেষ্টার দায়ে ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন।
ভোটাররা একইসঙ্গে গভর্নর, ৫৪ জন সিনেটর, এবং নিম্নকক্ষের সব ৫১৩ সদস্যও নির্বাচিত করবেন, ফলে কংগ্রেসের ফলাফল পরবর্তী প্রেসিডেন্টের শাসনক্ষমতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
45 · Video
IMG_1191.MP4 · 6.3 MB · click to show
IMG_1191.MP4 · 6.3 MB · click to show
চেলিয়াবিনস্কে চীন রাশিয়ার যৌথ সামরিক মহড়ার ভয়াবহ দৃশ্য
45 · ছেলেটার নাম ইফতেখার, বিইউপি'র ছাত্র। ত্রিবেদীকে নিয়ে চ্যানেল আইয়ের একটা ওপেন প্রোগ্রামে দর্শক সারি থেকে ছেলেটি ত্রিবেদীকে প্রশ্ন করে বসে, আপনারা কেন শেখ হাসিনাকে হ্যান্ডওভার করছেন না ?
প্রশ্ন শুনে দর্শক সারিতে তুমুল করতালি বেজে উঠল। ত্রিবেদী আর দালাল সঞ্চালক থতমত খেয়ে গেল, তাদের হয়তো ধারনাই ছিল না গোলামদের দেশে এই প্রশ্ন করার গাটস কার আবার আছে ?
কারণ এতদিন ধরে বাংলাদেশের কোন মিডিয়াই এ ধরনের প্রশ্ন করেনি ত্রিবেদীকে । দালাল সঞ্চালক সহ দুজনে মিলে নয়ছয় করে চেষ্টা করলেন প্রশ্ন এড়িয়ে চলতে। ছেলেটিকে ত্রবেদী লাঞ্চের দাওয়াত দিলেন, দালাল সঞ্চালক অন্য কোন প্রশ্ন থাকলে করতে বললেন।
ছেলেটি এবারও বলল আমি লাঞ্চ টাঞ্চ খাব না, আমাকে যতবারই জিজ্ঞেস করবেন বারবার বারবার বারবার আমার প্রশ্ন শুধু একটাই, "আপনারা কেন গণহত্যাকারী শেখ হাসিনাকে হ্যান্ডওভার করছেন না ?"
এবার ত্রিবেদীকে উত্তর দিতে ছেলেটি কার্যত বাধ্যই করলেন। এরপর ত্রিবেদী ঘুরিয়ে পেঁছিয়ে ডিপ্লোম্যাটরা যে স্টাইলে উত্তর দেয় আরকি সে স্টাইলে উত্তর দিলেন। আইনের দোহাই, হাবিজাবি বলে নিজেকে রক্ষা করলেন, আর নিজের নার্ভাসনেস লুকানোর জন্য আবারও লাঞ্চের দাওয়াত দিয়ে পরিস্থিতি হালকা করার ব্যার্থ চেষ্টা করলেন।
এই জেনজিদের সামনে যতবড় ডিপ্লোম্যাট আর রাজনীতিবিদই হোক সবাই ধরা খায় ।
salute 🫡 this boy ...
❤4
39 · Photo
click to show
click to show
Photo
click to show
click to show
দিল্লিতে ককরোচ দলের বিক্ষোভে হামলাকারী পাজিত পুলিশের কারো নেমপ্লেট ছিল না। গতবারের আন্দোলনের শেষদিকে এপ্লাই করা বুদ্ধিটা এবারে প্রথম থেকেই কাজে লাগাতে শুরু করেছে তারা।
3 ·