24 July 2026
আল্লাহ আপনাকে যেমন হতে আদেশ করেছেন, তেমনই হোন। তাহলে তিনি আপনার জন্য তেমনই হবেন, যেমন তিনি আপনাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
আল্লাহ যখন আপনাকে আহ্বান করেন, তখন তাঁর ডাকে সাড়া দিন। তাহলে আপনি যখন তাঁকে ডাকবেন, তিনিও আপনার ডাকে সাড়া দিবেন।
— ইমাম ইবনুল জাওযী (রহ.)
[সূত্র : আত-তাযকিরাহ, ১৯]
#Sirah
1.4K · id 1825679261text not yet in the index
এটা কি কোন বাস্তব ঘটনা নাকি লেখা গল্প?তারপর কি হলো?শেষ পাঠ ত বললেন না?
আমি সত্যিই কেঁদে দিছি ভাই😭
25 July 2026
id 1825679261আল্লাহ আপনাকে যেমন হতে আদেশ করেছেন, তেমনই হোন। তাহলে তিনি আপনার জন্য তেমনই হবেন, যেমন তিনি আপনাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
আল্লাহ যখন আপনাকে আহ্বান করেন, তখন তাঁর ডাকে সাড়া দিন। তাহলে আপনি যখন তাঁকে ডাকবেন, তিনিও আপনার ডাকে সাড়া দিবেন।
— ইমাম ইবনুল জাওযী (রহ.)
[সূত্র : আত-তাযকির
আল্লহুম্মা ছল্লী আ'লা মুহাম্মাদ ওয়া আ'লা আলি মুহাম্মাদ
id 1825679261আল্লাহ আপনাকে যেমন হতে আদেশ করেছেন, তেমনই হোন। তাহলে তিনি আপনার জন্য তেমনই হবেন, যেমন তিনি আপনাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
আল্লাহ যখন আপনাকে আহ্বান করেন, তখন তাঁর ডাকে সাড়া দিন। তাহলে আপনি যখন তাঁকে ডাকবেন, তিনিও আপনার ডাকে সাড়া দিবেন।
— ইমাম ইবনুল জাওযী (রহ.)
[সূত্র : আত-তাযকির
আলহামদুলিল্লাহ্ আসতাগফিরুল্লহ্
▪️বিপদ থেকে মুক্তির কার্যকরী দু'আ ও আমল!
চলেন আজকে এমন একটা দু'আ নিয়ে কথা বলি, যেটা পড়লে দুনিয়ার কোনো ক্ষতি আপনাকে স্পর্শ করতে পারবে না— কথাটা শুনে অবিশ্বাস্য লাগছে তাই না?
আপনার মাথায় হয়তো প্রশ্ন আসছে, একটা মাত্র দু'আ এত বড় বিপদ থেকে রক্ষা করবে? কিন্তু একজন মুমিনের বিশ্বাস তো এখানেই— নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যা বলেছেন তা সন্দেহাতীতভাবে সত্য, আর তাঁর সুন্নাহ আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা। মানুষ বিপদে পড়লে এদিক-ওদিক ছোটে, কিন্তু একজন মুমিনের প্রথম আশ্রয় হওয়া উচিত আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের দেখানো পথ।
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন— প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় তিনবার এই দু'আ পড়লে, কোনো আকস্মিক বিপদ আপতিত হবে না।
بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ
অর্থ : আমি শুরু করছি সে আল্লাহ্র নাম নিয়ে, যার নাম নিলে যমীন ও আসমানের কিছুই কোন ক্ষতি করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা। (আবু দাউদ : ৫০০০)
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজে এই আমল করেছেন এবং সাহাবিদের তাগিদ দিয়েছেন। এরপরও কি দ্বিধা করার কোনো জায়গা থাকে? আজ থেকেই পড়া শুরু করুন। অন্যদের পড়তে উৎসাহিত করুন।
লেখা : সুকুন-লাইফ
#Sirah
1.2K · id 1825679261▪️বিপদ থেকে মুক্তির কার্যকরী দু'আ ও আমল!
চলেন আজকে এমন একটা দু'আ নিয়ে কথা বলি, যেটা পড়লে দুনিয়ার কোনো ক্ষতি আপনাকে স্পর্শ করতে পারবে না— কথাটা শুনে অবিশ্বাস্য লাগছে তাই না?
আপনার মাথায় হয়তো প্রশ্ন আসছে, একটা মাত্র দু'আ এত বড় বিপদ থেকে রক্ষা করবে? কিন্তু একজন মুমিনের বিশ্ব
বাংলায় দুয়া টা কেউ লিখে দিবেন
Umme Tasnubaবাংলায় দুয়া টা কেউ লিখে দিবেন
বিসমিল্লাহিল্লাজি লা ইয়াদুররু মাআসমিহি শাইউন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামায়ি ওয়া হুয়াস সামিউল আলিম
Фотография
প্রতিদিন কুরআন পড়তে পারা বিরাট নিয়ামত এবং সৌভাগ্যের বিষয়। আজকের লেখাটি সবাইকে অত্যন্ত অনুপ্রাণিত করবে ইনশাআল্লাহ।
(১) কুরআনওয়ালারা আল্লাহর বিশেষ লোক :
আল্লাহর রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “মানুষের মধ্য হতে আল্লাহর কিছু বিশেষ লোক রয়েছে।’’ তাঁকে বলা হলো, ‘আল্লাহর সেই বিশেষ লোকগুলো কারা?’ উত্তরে তিনি বলেন, কুরআনওয়ালারাই (কুরআন বুঝে পাঠকারী ও সে অনুযায়ী আমলকারী) হলো আল্লাহর বিশেষ লোক।”
[ইমাম আহমাদ, আল-মুসনাদ: ১২২৭৯; শায়খ আলবানি, সহিহুল জামে’: ২১৬৫; হাদিসটি সহিহ]
(২) কুরআনের ছাত্র-শিক্ষক হওয়া :
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি, যে কুরআন শিখে এবং অন্যকে তা শিক্ষা দেয়।”
[ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৫০২৭]
972 · (৩) কুরআন সুপারিশকারী হবে :
আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, “তোমরা কুরআন তিলাওয়াত করো, কারণ কুরআন কিয়ামতের দিন তার সাথীর (তিলাওয়াতকারীর) জন্য সুপারিশ করবে।”
[ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ১৭৫৯]
(৪) কুরআন মুমিনদের অন্তর দৃঢ় করে :
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা বলেন, ‘‘বলুন, এটিকে (কুরআনকে) পবিত্র আত্মা (জিবরিল) আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে নিশ্চিত সত্যসহ অবতীর্ণ করেছেন, যাতে তিনি মুমিনদেরকে দৃঢ়-অবিচল রাখেন আর এটি মুসলমানদের জন্য হিদায়াত (সঠিক পথ-নির্দেশ) ও সুসংবাদ।’’
[সুরা নাহল, আয়াত: ১০২]
(৫) কুরআন শিফা (আরোগ্য) এবং রহমত :
আল্লাহ তা‘আলা কুরআন মাজিদে বলেন, ‘‘আমি কুরআন অবতীর্ণ করেছি, যা মুমিনদের জন্য শিফা (আরোগ্য) এবং রহমত, কিন্তু এটি কেবল জালিমদের ক্ষতিই বৃদ্ধি করে।’’
[সুরা ইসরা, আয়াত : ৮২]
(৬) কুরআনি মজলিসের মহান মর্যাদা :
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যখন কোনো সম্প্রদায় আল্লাহর কোনো ঘরে সমবেত হয়ে আল্লাহর কিতাব তিলাওয়াত করে এবং পরস্পর তা নিয়ে আলোচনা করে, তখন তাদের উপর শান্তি বর্ষিত হয়, (আল্লাহর) রহমত তাদের ঢেকে নেয়, ফেরেশতাগণ তাদের ঘিরে রাখে এবং আল্লাহ তাঁর নিকটবর্তী ফেরেশতাদের কাছে তাদের প্রশংসা করেন।’’
[ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ১৪৫৫; হাদিসটি সহিহ]
(৭) প্রতিটি হরফ পাঠ করলেই ১০ নেকি :
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি কুরআনের একটি হরফ পাঠ করবে, তার জন্য রয়েছে একটি নেকি। প্রতিটি নেকি দশটি নেকির সমান। আমি বলি না যে, ‘আলিফ-লাম-মিম’ একটি হরফ। বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ এবং মিম একটি হরফ।”
[ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ২৯১০; হাদিসটি সহিহ]
(৮) কুরআন পড়তে কষ্ট হলে ডাবল নেকি :
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আল কুরআনে অভিজ্ঞ ব্যক্তি সম্মানিত পুণ্যবান ফেরেশতাদের সাথে থাকবে। যে ব্যক্তি তিলাওয়াত করতে গিয়ে আটকে যায় এবং এটি (তিলাওয়াত করা) তার উপর কষ্টকর হয়ে পড়ে, তার জন্য দু’টি প্রতিদান রয়েছে (প্রথমটি তিলাওয়াতের, দ্বিতীয়টি কষ্টের)।”
[ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ১৭৪৭]
(৯) কুরআন পাঠককে জান্নাতে নিয়ে যাবে :
নবিজি বলেন, ‘‘(কুরআন) সত্যায়নকারী প্রতিবাদী। যে ব্যক্তি তাকে সামনে রাখবে, সেই ব্যক্তিকে সে পথ দেখিয়ে জান্নাতে নিয়ে যাবে।’’
[ইমাম ইবনু হিব্বান, আ
1.1K · এক সাহাবী (রা.) নবীজির দরবারে এসে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ)! আপনাকে আমি নিজের চেয়ে এবং নিজ সন্তানের চেয়েও বেশি ভালোবাসি। বাড়িতে গেলে আপনার কথা মনে পড়লে সহ্য করতে পারি না, বেচাইন হয়ে পড়ি। এসে আপনাকে এক পলক দেখে যাই। কিন্তু মৃ*ত্যুর কথা মনে হলে আমার মন ভারাক্রান্ত হয়ে উঠে। আমি ভাবি, জান্নাতের অত্যুচ্চ মাকামে নবীদের সাথে আপনি থাকবেন। তখন কি আপনাকে এভাবে এক পলক দেখে যাওয়ার সুযোগ পাব? শুনে নবীজী (ﷺ) চুপ করে রইলেন। ইতিমধ্যে আসমানী বার্তা নিয়ে জিবরাঈল আমীন উপস্থিত হলেন—
وَ مَنْ یُّطِعِ اللّٰهَ وَ الرَّسُوْلَ فَاُولٰٓىِٕكَ مَعَ الَّذِیْنَ اَنْعَمَ اللّٰهُ عَلَیْهِمْ مِّنَ النَّبِیّٖنَ وَ الصِّدِّیْقِیْنَ وَ الشُّهَدَآءِ وَ الصّٰلِحِیْنَ.
“যে আল্লাহ ও রাসূলের আনুগত্য করবে সে নবী, সিদ্দীক, শহীদ এবং সৎকর্ম পরায়ণদের সঙ্গে থাকবে।” (সূরা আন-নিসা : ৬৯)
— তবারানী, আওসাত, হাদীস : ৪৬০; মাজমাউয যাওয়াইদ ৭/৬৩, হাদীস : ১০৯৩৭।
#Sirah
1.1K · id 1825679261এক সাহাবী (রা.) নবীজির দরবারে এসে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ)! আপনাকে আমি নিজের চেয়ে এবং নিজ সন্তানের চেয়েও বেশি ভালোবাসি। বাড়িতে গেলে আপনার কথা মনে পড়লে সহ্য করতে পারি না, বেচাইন হয়ে পড়ি। এসে আপনাকে এক পলক দেখে যাই। কিন্তু মৃ*ত্যুর কথা মনে হলে আমার মন ভারাক্রান্ত হয়ে উঠে।
আলহামদুলিল্লাহ্
আল্লহুম্মা ছল্লী আ'লা মুহাম্মাদ ওয়া আ'লা আলি মুহাম্মাদ
আল্লাহর প্রতি সুধারণা রাখার আমল হলো– ঘুটঘুটে অন্ধকার রাতে পথহারা মুসাফিরের একমাত্র পথপ্রদর্শকের মতো।
পরীক্ষা যত ছোট হোক, যতই সহজ হোক, নিজের দুর্বল ঈমানের দিকে তাকিয়ে আমরা ভেঙে পড়ি। ভাবতে থাকি, আমার মতো দুর্বল ঈমানওয়ালার জন্য এই বিপর্যয় কতই না কঠিন!
অথচ দুর্বল ঈমানওয়ালাদের জন্য তো মৃ*ত্যুর চেয়ে বড় কোনো বিপর্যয় পৃথিবীতে নেই! এই কথা ভেবে ভীত হয়ে বরং প্রস্তুত হওয়া উচিত।
দুনিয়ার সকল উপাদান যেমন ক্ষণস্থায়ী, তেমনি বিপদও ক্ষণস্থায়ী।
দুনিয়ার সময়টা যেভাবে ফুরিয়ে যাবে, খারাপ সময়টাও বাতাসে মিলিয়ে যাবে।
মনে রাখতে হবে, নিজের সবচেয়ে অসহায় পরিস্থিতিতেও যে আল্লাহকে সহায় করে পথ চলতে চেষ্টা করে, সে-ই সফল হয়। সফলতার পথটা কঠিন, সফলতার আমলটাও কঠিন। এই আমলটাই হলো “আল্লাহর প্রতি সুধারণার” আমল। এই আমলটা যদি করা যায়, “আল্লাহ ভরসা” কথাটা শুনে অন্তর প্রশান্ত করা যায়।
বিশ্বাসীদের জন্য, মুসলমানের জন্য এই আমল উপহার হিসেবে কতই না উত্তম!
— মেরাজ হোসাইন
#Sirah
1.1K · Фотография
রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,
বান্দা আল্লাহর সবচেয়ে নিকটবর্তী হয় যখন সে সিজদার অবস্থায় থাকে। সুতরাং তোমরা সিজদায় বেশি বেশি দোয়া করো।
— সহীহ্ মুসলিম, হাদিস : ৪৮২
#Sirah
1K · যে দেশে ইসলাম ও মুসলমান কোনঠাসা, সেই দেশের আলেমদের চিন্তাভাবনা ইসলামের নিরাপদ দেশের জন্য সবসময় উপযুক্ত হবে না। দারুল কুফর ও দারুল ইসলামের আলেমদের চিন্তাভাবনার মধ্যে পার্থক্য থাকবেই। তাই নিজেদের দেশের অবস্থা সবচেয়ে ভালো বুঝেন সেই দেশের আলেমগণ।
ইতিহাস বলে, শতশত বছর ইসলাম ও কুফর পাশাপাশি থাকার ফলে মুসলমানরা বারবার কুফরের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে। মুসলমানদের চিন্তাভাবনারও যুগে যুগে সংশোধন করতে হয়েছে। এ সংশোধনের পরিসরে আলেমগণও শামিল ছিলেন।
নবীজি ﷺ এর মক্কি জীবনের অবস্থান এবং মাদানী জীবনের অবস্থান এক ছিল না; উভয়ের বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। এই পার্থক্যটি অনুধাবন করতে পারা অত্যন্ত জরুরি।
©
348 · Фотография
মিথ্যা কথা বলার স্বভাব মানুষের চেহারাকে কুৎসিত বানিয়ে দেয়।
— ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.)
[সূত্র : আ'লামুল মুওক্বিঈন, ১/১১৪]
#Sirah
833 · id 1825679261মিথ্যা কথা বলার স্বভাব মানুষের চেহারাকে কুৎসিত বানিয়ে দেয়।
— ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.)
[সূত্র : আ'লামুল মুওক্বিঈন, ১/১১৪]
#Sirah
webpage
নিয়মিত ইসলামিক পোস্ট পেতে আমাদের ইসলামিক চ্যানেলে যুক্ত হোন।
https://t.me/Sabarofficial82
id 1825679261আপনারা কি জানেন এই উম্মাহ সবচেয়ে বেশি কিসে ভুগছে..!?
#Sirah
এটার ট্রাবসলেশন দরকার ছিলো,মনে মনে এটা ভাবি সবসময়,মোহাম্মদ হবলোসের লেকচার গুলো অনুবাদ করেন,খুবই দরকার😑
id 1825679261আপনারা কি জানেন এই উম্মাহ সবচেয়ে বেশি কিসে ভুগছে..!?
#Sirah
সবচেয়ে বেশি সাফারেড নারী ও শিশুরা।
অদ্ভুত এক আত্মপ্রবঞ্চনায় আমরা বেঁচে আছি। অন্যকে সংশোধন করতে চাই, অথচ নিজেকে সংশোধনের প্রয়োজন অনুভব করি না। অন্যের ভুল নিয়ে যতটা সমালোচনা করি, ঠিক ততটাই বেখেয়ালি থাকি নিজের ভুলগুলোর ব্যাপারে।
মানুষের দোষ আমাদের চোখে খুব সহজেই ধরা পড়ে; কিন্তু নিজের অন্তরের অহংকার, হিংসা, রিয়া, গীবত, অবহেলা কিংবা গুনাহগুলো যেন আমাদের চোখ এড়িয়ে যায়। আমরা অন্যের আমলনামা পড়তে এতটাই ব্যস্ত যে, নিজের আমলনামার পাতাগুলো শেষ কবে খুলে দেখেছি– সেটাই মনে নেই।
সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো– অন্যের দোষ দেখতে দেখতে একসময় আমরা নিজের দোষ দেখার ক্ষমতাই হারিয়ে ফেলি। তখন আত্মসমালোচনার জায়গা দখল করে নেয় আত্মতৃপ্তি। আমরা ভাবতে শুরু করি, সমস্যাটা সবসময় অন্যের; আমার নয়।
এ কারণেই সালাফে-সালিহীনরা নিজেদের নিয়ে, নিজেদের গুনাহ নিয়েই সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত থাকতেন, চিন্তা করতেন। তারা জানতেন, মানুষকে বদলানোর আগে নিজের অন্তরকে বদলানো জরুরি।
একবার নিজেকে প্রশ্ন করুন– “আজ সারাদিনে আমি যতবার অন্যের সমালোচনা করেছি, ততবার কি নিজেকে প্রশ্ন করেছি? নিজেকে সংশোধন করার চেষ্টা করেছি?”
লেখা : মাহমুদুল হাছান
#Sirah
449 ·